Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধমনির সুস্থতায় উপকারী ৯ খাবার

ধমনির সুস্থতায় উপকারী ৯ খাবার
রসুন ধমনির জন্য উপকারী খাদ্য, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধমনি হৃদযন্ত্রের সবচেয়ে বড় রক্তনালীকা।

এটি সম্পূর্ণ শরীরকে হৃদযন্ত্রের সাথে যুক্ত করে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে। তাই রক্ত সরবরাহের জন্য ধমনি হওয়া উচিত নমনীয় ও চর্বিমুক্ত। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে কমতে থাকে ধমনীর কার্যক্রম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, ২০১৫ তে হৃদরোগজনিত মৃতের গড় সংখ্যার প্রায় ২৬ শতাংশ, যেটি করোনারী ধমনি রোগ বলেও পরিচিত। এছাড়া স্বাস্থ্যগত অন্যান্য সমস্যার সাথে হৃদরোগের ঝুঁকিও বেশি দেখা দেয়।

হৃদরোগের কারন অনেক কিছুই হতে পারে- রক্ত সংক্রমণ, হাই কোলেস্টেরল, চর্বি এবং অন্য পদার্থ- যেগুলোর ফলে হার্টে পানি জমে ও ধমনিনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এতে শরীরে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যা হয় এবং মস্তিষ্কের সঠিক পরিমাণে রক্ত না যাওয়াতে স্ট্রোক জনিত সমস্যা হয়।

নিজেকে ও ধমনিকে সুস্থ রাখতে সর্বপ্রথম স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন। জেনে রাখুন যেসব খাদ্য ধমনী সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

রসুন

মানসম্পন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন- ভিটামিন সি ও ই যা শরীরে মৌলগুলো মুক্ত করে দেয়। রসুনে এলডিএল তথা খারাপ কোলেস্টেরল লেভেল কমিয়ে দেয়, রক্তনালী প্রশস্ত করে, রক্ত চলাচল সচল করে এবং মহাধমনী ঠিক রাখে। প্রতিদিন রসুন খেলে রক্তচাপ ও ব্লাডসুগার লেভেল ঠিক থাকে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন দিনে ১-২ টি কাঁচা রসুনের কোয়া খেতে।

ডালিম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/29/1564399316689.jpg

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পূর্ণ লাল রঙের ফলটির দানাগুলো পলিফেনল বহন করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি ও আঁশের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। শরীরের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি এর ৪০ শতাংশ পাওয়া যাবে একটি ডালিমে থেকেই। শুধু খেয়াল রাখুন রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের সমস্যায় নির্দিষ্ট পরিমাণ ডালিম খেতে হবে। এই ফলটি রক্তের ঘনত্ব হালকা রাখে, সাথে ধমনী শক্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

ব্রকলি

স্বাদ ও সুবিধার মধ্যে ব্রকলি খুব জনপ্রিয় সবজি। ব্রকলি প্রচুর পুষ্টির সাথে উচ্চমানের আঁশ ও ফ্যাট মুক্ত এবং ভিটামিন-সি, এ, বি৬, পটাশিয়াম ও প্রোটিন সমৃদ্ধ। এটি রক্তে কোলেস্টেরল হ্রাস করে এবং এতে উপস্থিত সালফোরাফেন ব্লাড সুগারের ফলে রক্তনালীর ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে।

ওটস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/29/1564399335168.jpg

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ওটসের কিছু আঁশ যাকে বলা হয় বেটা-গ্লুকান, রক্তে থাকা এলডিএল কোলেস্টেরল, নন-এইচডিসি কোলেস্টেরল ও আপোবি কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ ওটস তিন ধরণের কোলেস্টেরল কমাতে জন্য কাজ করে। এছাড়া ওটস খাওয়ার ফলে রক্তচাপ ঠিক থাকে এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে।

বাদাম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/29/1564399354214.jpg

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড (ওমেগা-৬ ও ওমেগা-৩) আঁশ, প্রোটিন ও পুষ্টির জন্য বাদাম উপকারী খাদ্য উপাদান। তবে খেয়াল রাখতে হবে বাদামে পর্যাপ্ত ক্যালরি রয়েছে, যা অতিমাত্রায় খাওয়া ঝুঁকির কারণ হতে পারে। প্রমান রয়েছে যে, কিছু বাদাম হৃদযন্ত্র, ব্লাডসুগার এবং নানান রোগ ভালো করতে খুবই কার্যকরী।

অলিভ অয়েল

জলপাইতে চাপ প্রয়োগ করে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল সংগৃহীত করা হয়, ফলে এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ থাকে। সবুজ সবজি বা ফল ও অলিভ ওয়েলের মিলে একটি অণু তৈরি করে যেটিকে বলা হয় ‘নাইট্রো ফ্যাটি অ্যাসিড’। এটি রক্তচাপ কমায় ও রক্তনালীকা শিথিল করে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েলে উচ্চমানের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই ও কে প্লাস রয়েছে।

ডাল

ডালে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন ও ফাইবার রয়েছে, যেটি শরীর সুস্থ রাখতে খুব প্রয়োজন। সবুজ, খয়েরি, লাল ও কালো রঙের ডালে প্রচুর পরিমাণ ফলেট ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। তাই ডাল হৃদরোগের ও ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমাতে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

টমেটো

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/29/1564399369395.jpg

প্রোটিনোয়েড লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ফলে টমেটো লাল রং হয়ে থাকে। এটি সবুজ ও হালকা লাল টমেটোতেও রয়েছে। যে সকল খাদ্যে লাইকোপেন উপস্থিত, সেগুলো কোলেস্টেরল হ্রাস করে ও এর অক্সিডেশন কমিয়ে দিতে পারে। টমেটোতে আরও রয়েছে ভিটামিন এ ও সি, ফলিক এসিড, বিটা ক্যারোটিন এবং এতে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা হৃদরোগসহ নানান সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

দারুচিনি

ধমনী বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে দারুচিনি খুবই কার্যকরী উপাদান। পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গিয়েছে, দারুচিনি হৃদযন্ত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ দারুচিনি অক্সিডেটিভ চাপ হ্রাসে সহায়ক। এছাড়া শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও আঁশের প্রধান উৎস হচ্ছে দারুচিনি।

এছাড়াও অনেক কার্যকরী খাদ্য উপাদান রয়েছে যা হৃদযন্ত্রের সাথে শরীরের অন্যান্য অঙ্গকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। তবে সবকিছুই নিয়ম মেনে পরিমাণমতো গ্রহণ করা উচিত।

আরও পড়ুন: ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে চার পদ্ধতিতে চিয়া সিডস

আরও পড়ুন: হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে

আপনার মতামত লিখুন :

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি
ছবি: সংগৃহীত

ত্বকের পরিচর্যা ও যত্নের পাশপাশি ঠোঁটের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সঠিক যত্ন যেমন  ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, ঠিক তেমনভাবে অযত্নে ঠোঁটে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। তবে আজকের ফিচারটি মূলত ঠোঁটের যত্ন নিয়ে নয়, প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারে কীভাবে ঠোঁটকে আকর্ষণীয় দেখানো যাবে সেটাই জানানো হয়েছে।

প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে দারুচিনি ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। প্রাকৃতিক এই উপাদানে থাকে ক্যাসিয়া অয়েল (Cassia Oil), যা একধরণের প্রশান্তিদায়ক এবং ত্বকের জন্য নিরাপদ উপাদান। তবে এটা ব্যবহারে ঠোঁটের রক্ত চলাচলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে ঠোঁট উজ্জ্বল, লালচে ও ফোলা দেখায়।

তাই দারুচিনিকে সবচেয়ে নিরাপদ, সহজলভ্য, সস্তা ও প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে ধরা হয় ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান হিসেবে। জেনে নিন দারুচিনি ব্যবহারে ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধনে তিনটি ভিন্ন লিপ স্ক্রাব তৈরির প্রক্রিয়া।

দারুচিনি ও চিনির লিপ স্ক্রাব

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক টেবিল চামচ দারুচিনি পাউডার, এক টেবিল চামচ চিনি, এক টেবিলচামচ অলিভ অয়েল অথবা নারিকেল তেল। এই উপাদানগুলো মিশিয়ে নিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে চিনি যেন সম্পূর্ণ গলে না যায়। হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে এই স্ক্রাব ঠোঁটে ম্যাসাজ করে পাঁচ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর পানিতে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

দারুচিনি ও আদার লিপ স্ক্রাব

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566463547394.JPG

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক-তৃতীয়াংশ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, এক-তৃতীয়াংশ আদা গুঁড়া, এক ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল, এক চা চামচ আমন্ড অয়েল। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই পেস্ট ঠোঁটে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করে মিনিটখানেক রেখে দিয়ে এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে।

দারুচিনি ও মধুর লিপ স্ক্রাব

এতে প্রয়োজন হবে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, আধা চা চামচ মধু ও আধা চা চামচ অলিভ অয়েল। উপাদান তিনটি একসাথে মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করে দশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে ঠোঁট ধুয়ে লিপবাম ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: যেমন হওয়া প্রয়োজন স্পর্শকাতর ত্বকের যত্ন

আরও পড়ুন: ত্বকের তিন যত্নে টমেটোর রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র