Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?

চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?
দীর্ঘসময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার ফলে আইস্ট্রেইন দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

খেয়াল করে দেখবেন, একটানা অনেকক্ষণ কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে, বই পড়লে বা দৃষ্টিশক্তি স্থির রেখে গাড়ি চালালে চোখে ক্লান্তি ভর করে।

চোখে জ্বালা করে অথবা ব্যথাভাব দেখা দেয়। সহজ ভাষায় এটাকেই বলা হয়ে থাকে আইস্ট্রেইন (Eyestrain) বা চোখের ওপর চাপ।

আইস্ট্রেইন খুবই কম ও সাধারণ একটি উপসর্গ। বিশেষত বর্তমান ডিজিটাল সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সমস্যাটি অহরহ দেখা যায়। হাতে হাতে মোবাইল ফোন, ট্যাব নয়তো কম্পিউটারের স্ক্রিনে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকা। এখানে আরও একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, আইস্ট্রেইনকে ‘কম্পিউটার ভিশন’ অথবা ‘ডিজিটাল আইস্ট্রেইন’ বলা হয়ে থাকে।

আইস্ট্রেইনের ক্ষেত্রে কী লক্ষণ দেখা দেয়?

এ সমস্যায় লক্ষণগুলো খুবই সাধারণ হয়ে থাকে। চোখে ক্লান্তিভাব দেখা দেওয়া, চোখে ব্যথাভাব দেখা দেওয়া, ঘাড় ও পিঠে ব্যথাভাব ছড়িয়ে পড়া, ঘোলা দৃষ্টি, দ্বিগুণ দেখা, চোখ লালচে হয়ে যাওয়া, চোখের ভেতর কাঁটার খোঁচা লাগার মতো ব্যথা বোধ হওয়া, অক্ষিকোটরে চোখ একদিক থেকে অন্যদিকে ঘোরানোর সময় ব্যথাভাব ও শুষ্কভাব অনুভূত হওয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563960116162.JPG

আইস্ট্রেইনের প্রতিকার কী?

চোখের এই বিরক্তিকর ও ব্যথাদায়ক সমস্যাটি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চাইলে কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলাই যথেষ্ট। তেমন কয়েকটি নিয়ম জানানো হলো।

২০-২০-২০ রুল

আইস্ট্রেইন প্রতিকারে ও দূর করতে সবচেয়ে প্রচলিত ও জনপ্রিয় নিয়মটিকে বলা হয়ে থাকে ২০-২০-২০ রুল। এ নিয়মে কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ ফিট দূরের কোন বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে। এতে করে দৃষ্টিশক্তি কিছুটা শিথিল হয় ও চোখ আরাম পায়।

কম্পিউটার স্ক্রিনের অবস্থান ও দূরত্ব

যে কম্পিউটার স্ক্রিনে সারাদিন কাজ করা হচ্ছে, সে স্ক্রিনটি অবশ্যই নিজের সাথে বসার স্থান থেকে সুবিধাজনক দূরত্বে ও অবস্থানে রাখতে হবে। যদি স্ক্রিনের দিকে কষ্ট করে তাকাতে হয়, তবে তা চোখের উপরে বাড়তি চাপ তৈরি করবে। একই বিষয় বই পড়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। হাতে ধরা বইটিকে এমনভাবে চোখের সামনে রাখতে হবে যেন সহজেই ছাপার হরফগুলো দৃষ্টিগোচর হয়।

সঠিক আলোতে কাজ করা

যে স্থানে দীর্ঘসময় কাজ করা হবে, সেখানকার আলো যেন চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আলো যদি খুব বেশি উজ্জ্বল বা নিভু নিভু হয় তবে চোখের উপর বাড়তি চাপ পরে কাজ করা বা পড়ালেখার ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে নিজের চোখের সুবিধাজনক পরিমাণে আলো বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে হবে।

মাল্টিটাস্কিং করতে হবে সঠিকভাবে

অনেক সময় জরুরী কাগজপত্র থেকে কোন কিছু টাইপ করে কম্পিউটারে নথিবদ্ধ করে রাখতে হয়। এমন ধরনের মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে কাগজ, কি-বোর্ড ও কম্পিউটার স্ক্রিন এমনভাবে অবস্থান করাতে হবে যেন ঘাড় ও হাতে চাপ তৈরি না করে। নতুবা এ কাজ থেকেও চোখের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনা

হিসেব করে দেখুন প্রতিদিন কতটা সময় কাটাতে হয় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। হিসেব অনুযায়ী চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য স্ক্রিন টাইম কম করতে। পাচ-দশ মিনিট স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার চেষ্টা থেকে শুরু করে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনতে পারলে আইস্ট্রেইন কমে যাবে অনেকটা।

আরও পড়ুন: দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি

আরও পড়ুন: কীভাবে দূর হবে অবসাদ?

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র