Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

মরণাপন্ন প্রাণীদের সুপারহিরো বাস্তবের ব্যাটম্যান!

মরণাপন্ন প্রাণীদের সুপারহিরো বাস্তবের ব্যাটম্যান!
ক্রিস ভ্যান ডর্ন, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বলা হয়ে থাকে, সত্যিকার ও বাস্তব জীবনের সুপার হিরোদের কোন নির্দিষ্ট পোশাক বা কস্টিউম থাকে না।

কিন্তু মাঝে মাঝে তাদেরও কস্টিউম থাকে। থাকে মাস্ক, গ্লভস ও কেইপ। তারাও গল্পগাঁথা ও সিনেমার সুপারহিরোদের মতো বাস্তব জীবনে সুপার হিরো হিসেবে আবির্ভূত হয় অন্যের জীবনের গল্পে। আজকের গল্পের সুপারহিরো অসুস্থ প্রাণীদের কাছে তাদের জীবন রক্ষাকারী ব্যাটম্যান!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563185669397.JPG

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা শহরে বসবাসকারী একজন পশুপ্রেমী বিভিন্ন শেলটার হাউজগুলো ঘুরে ইউথ্যান্যাশিয়া (Euthanasia) তালিকাভুক্ত অসুস্থ, বিপন্ন, ক্ষতিগ্রস্থ অথবা সুস্থ প্রাণীদের সংগ্রহ করে এবং তাদের দত্তক দেওয়ার জন্য সঠিক পরিবার খুঁজে বের করেন। দীর্ঘদিন শেলটার হাউজে থাকার পরেও কোন পরিবার দত্তক নেওয়ার জন্য বা পালার জন্য এই প্রাণীগুলোকে না নিলে ব্যথাহীনভাবে তাদের মেরে ফেলার জন্য এই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বাস্তব এই গল্পের সুপারহিরো হলেন, ২৭ বছর বয়সী ক্রিস ভ্যান ডর্ন। সুপারহিরো ব্যাটম্যানের ভক্ত ক্রিস সবসময় চেয়েছেন প্রাণীদের সাহায্যে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ করতে। সে ইচ্ছা থেকেই অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডার বিভিন্ন স্থানে কুকুর ও বিড়ালদের সাহায্যে কাজ শুরু করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563185687666.JPG

এই কাজটির উপর গুরুত্ব আরোপ করতেই বেছে নেন ব্যাটম্যানের কস্টিউম। ব্যাটম্যানের অনুকরণে পোশাক পরে বিভিন্ন শেলটার হাউজগুলো ঘোরা শুরু করেন তিনি।

তবে তিনি জানান, প্রথম দিকে ব্যাটম্যানের কস্টিউম পরে কাজে নেমেছিলেন তার মহৎ কাজ ও উদ্দেশ্য গোপন রাখার জন্য। কিন্তু তার পরিচিতি সবার সামনে উন্মুক্ত হয়ে যায় চলতি বছরের মে মাসে যখন ‘গোফান্ডমি’ নামক প্রতিষ্ঠান তাকে ‘হিরো অফ দ্য মান্থ’ ঘোষণা করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563185701688.JPG

ক্রিসের এই কাজটা কিন্তু একেবারেই হেলাফেলায় বা হুট করে ঝোঁকের বশে করা নয়। ২০১৮ সালে ক্রিস প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘ব্যাটম্যানফরপওস’ (Batman4Paws). সেই শুরু থেকেই ক্রিস স্বপ্রনোদিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পশুদের উদ্ধার করে তাদের বাসস্থান ঠিক করার কাজটি করে চলেছে।

স্থানীয় একটি ম্যাগাজিনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস বলেন, ‘প্রথমে যখন আমি কাজটা শুরু করেছিলাম, আমার পরিচয় গোপন করে রেখেছিলাম। যেখানেই যেতাম নামের জায়গায় লিখতাম- ব্রুস ওয়েইন, কিন্তু নিজের আসল নাম কখনোই দিতাম না। আমি যেটা বিশ্বাস করি, পোশাকের নিচে যে মানুষটা আছে সে নয়, আমার কাজের দ্বারাই উঠে আসবে আমার পরিচিত।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563185714017.JPG

আরও মজার ও দারুণ বিষয়টি হল, বাস্তব জীবনের এই ব্যাটম্যানের সাথে তার সহকারীও আছে তার কাজে সাহায্য করার জন্য। সহকারী হলো মি. বুটস, একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত থেরাপি কুকুর। তারা দু’জনে একসাথে কাজে বের হন ব্যাটম্যান ও রবিনের মতো পোশাক পরেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563185728074.JPG

তাদের এই সাজসজ্জা তুলনামূলক বেশি দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে বলে মনে করেন ক্রিস। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে খুব ভালোমতোই উদ্ধারকৃত কুকুর ও বিড়ালদের দত্তক দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন তিনি।

‘এই কস্টিউমটা সবাইকে আনন্দিত করে ও সবার মুখেই হাসি ফোটায়। এটা কিন্তু বেশ স্পেশাল, একজন ব্যাটম্যানকে চোখের সামনে হেঁটেচলে বেড়াতে দেখা এবং সবাইকে যখন জানতে পারে সে ভালো কোন কাজ করছে, তখন সবাই সেই বিষয়টা নিয়ে খুব উচ্ছ্বাসিত হয়।’

আরও পড়ুন: ভাঙা চেয়ার ব্যবহারে ক্লাসরুম সাজালেন শিক্ষক!

আরও পড়ুন: ১২ বছর বয়সীর নিজ উপার্জনে বিএমডব্লিউ!

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র