Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডায়বেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকুক ঘি

ডায়বেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকুক ঘি
ঘি, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়বেটিস আক্রান্ত রোগীদের খাদ্য উপাদান ও খাদ্য তালিকার উপরে বিশেষ খেয়াল রাখতে হয়।

কেননা এটি রক্তে চিনির মাত্রা পাশাপাশি রক্তচাপের উপরেও প্রভাব ফেলে থাকে।

অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কখনোই কারোর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। প্রতিটি ব্যক্তির তেলযুক্ত খাবার খাওয়ার আগে ভাবা প্রয়োজন, যা খাওয়া হচ্ছে তা স্বাস্থ্যের উপরে কতটা প্রভাব ফেলবে। কিন্তু প্রায় সকল ধরনের খাবার তৈরিতেই কমবেশি তেলের ব্যবহার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে তেলের বিকল্প উপাদান হিসেবে কী ব্যবহার করা যায়?

ঘি! এতে রয়েছে উন্নত মানের ফ্যাট। বিশেষজ্ঞরাও জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যের জন্য এটি ভালো। মেডিক্যালে ডায়বেটিসের জন্য পরামর্শ অনুযায়ি খাদ্যের মধ্যে অনেক আগে থেকেই ঘি ব্যবহার রয়েছে।

মাইক্রবায়োটিক পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্যের কোচ শিল্পা আরোরা এর মতে, ঘি হচ্ছে ডায়বেটিসের ঔষধ। ঘিয়ে উপস্থিত ফ্যাটি এসিড শরীরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562742644488.jpg

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ঘি কেন ভালো খাদ্য উপাদান? কয়েকটি কারণ এখানে তুলে ধরা হলো।

১. পুষ্টিসমৃদ্ধ ফ্যাটের মূল উৎস হচ্ছে দেশী ঘি। ঘি দিয়ে তৈরিকৃত যে সকল খাদ্য খাওয়া হয় তা থেকে পুষ্টি শোষণ করে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ও ডায়বেটিস ঠিক রাখতে কাজ করে।

২. ঘিতে লাইনোলেইক (Linoleic) এসিড রয়েছে, যা ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীর নানান রকম কার্ডিওভাস্কুলার রোগ ও জটিল সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

৩.  ঘিয়ে রয়েছে ভিটামিন- কে ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। সাধারণত ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়।

৪. প্রাকৃতিক ঘি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমান কমাতে কাজ করে।  

৫. কার্বোহাইড্রেট ও হাই গ্রাইসেমিক ইনডেক্স জাতীয় খাবার তথা- সাদা রুটি, পরোটা, ভাত ইত্যাদিতে ঘি মিশিয়ে খেলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কমবে।

৬. ঘি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

ঘি ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারী খাদ্য উপাদান বলে, প্রচুর পরিমাণে খাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট পরিমাণ রেখে প্রতিদিন খেতে হবে। এছাড়া ডায়বেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে এবং অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, ঘি যেন ঘরের তৈরি হয়, দোকান থেকে কেনা ঘি পরিহার করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন: ঘুম আনতে সাহায্য করবে এই খাবারগুলো

আরও পড়ুন: বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র