Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছয় কারণে সখ্যতা গড়ুন সালাদের সাথে

ছয় কারণে সখ্যতা গড়ুন সালাদের সাথে
সালাদ খাওয়ার এনে দেবে সুস্বাস্থ্য, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সালাদ কিন্তু এখনকার সময়ে মেইন কোর্সের সাথে খাওয়া হয় না, মেইন কোর্স হিসেবেই খাওয়া হয়।

সুস্থতায় ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সালাদ খাওয়ার অভ্যাস দারুণ। শরীরে জমে থাকা জেদি মেদ কমাতে ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে বিভিন্ন সবজি ও ফলের তৈরি সালাদকে রাখতে হবে খাবারের প্লেটে।

অলিভ অয়েল, গুঁড়া মরিচের গুঁড়া ও চিমটিখানিক লবণে পছন্দসই সবজি ও ফলকে মাখিয়ে নিয়েই তৈরি করে নেওয়া যায় সালাদ। ভিন্ন ভিন্ন রেসিপিতে ব্যতিক্রমীভাবে সালাদ তৈরি করা কঠিন কিছু নয় মোটেও। অনভ্যস্ততার দরুন প্রথম প্রথম সালাদে অরুচি কাজ করলেও, কিছুদিনেই অভ্যাস হয়ে যাবে। আজকের ফিচারে জানানো হলো, যে ছয়টি চমৎকার কারণে সালাদ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন আপনার।

ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেবে না

সাধারণত প্রায়শ এমনটা হয়, খাবার খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরেই আবারো ক্ষুধাভাব দেখা দেয়। সালাদ খাওয়ার ফলে এই সমস্যাটি একেবারেই দেখা দেবে না। সালাদ মানেই সবজি ও ফল। এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ পাওয়া যায়। যা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতে কাজ করবে।

পানিশূন্যতার ভয় থাকবে না

বেশিভার সবজি ও ফলেই থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও জলীয় অংশ। ফলে এই দুই উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি সালাদ নিয়মিত খাওয়া হলে শরীর তার প্রয়োজনীয় পানির বড় একটা অংশ পূরণ করবে সালাদ থেকেই। এতে করে গরম আবহাওয়ায় অথবা শারীরিক কসরতে ঘাম বেশি হলেও পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ার সম্ভবনা থাকবে না একদম।

পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস

এটা নতুন কোন তথ্য নয় যে শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজন ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত উপকারী খাদ্য উপাদান। ভিটামিন, মিনারেল ও বিভিন্ন ধরনের এনজাইম পাওয়া যাবে যে সকল সবজি ও ফল থেকে, তা যদি খাবারের মেন্যুতে থাকে, তবে ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না মোটেও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562670410921.jpg

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

ব্রকলি, অ্যাভোকাডো, ক্যাপসিকাম, বিভিন্ন ধরনের বেরি সমৃদ্ধ সালাদে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ। এমন ফল ও সবজিতে তৈরি সালাদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে চমৎকার অবদান রাখে।

পাওয়া যাবে ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড

সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ওয়ালনাট অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল অথবা পাম্পকিন সিড অয়েল। এই তেলগুলোতে থাকে ভরপুর ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড। যা একইসাথে সালাদের স্বাদ বাড়ায় ও সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে।

পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

একদম প্রথম দিকেই বলা হয়েছে সবজি ও ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণ দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ। যা পাকলস্থলি ও পুরো পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।

আরও পড়ুন: সকালে খালি পেটে কলা খেলে কী হয়?

আরও পড়ুন: খাবার খাওয়ার পরে চা পান: ভালো নাকি খারাপ?

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র