Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর হবে কীভাবে?

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর হবে কীভাবে?
কয়েকটি নিয়মেই দূর হবে ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীষ্মের অস্বস্তি ও তাপদাহের পর প্রশান্তি নিয়ে আসে বর্ষাকাল।

শান্তির বৃষ্টিতে শুধু মানবজীবনে নয়, প্রকৃতিতেও নেমে আসে শীতলতার পরশ। কিন্তু কয়েকদিন যেতে বিরক্তিকর হয়ে ওঠে একঘেয়ে বৃষ্টি। বর্ষাকালে প্রবল বৃষ্টি শুধু বাইরে নয়, ঘরের ভেতরেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। স্বাভাবিক সময়ের চাইতে এই সময়ে আবহাওয়াতে ও বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার দরুন ঘরে দেখা দেয় স্যাঁতস্যাঁতে ভাব। যা ভীষণ বিরক্তিকর। বিরক্তিকর ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় যখন ঘরের ভেতর চাপা গন্ধভাব তৈরি হয় ও ঘরের আবহাওয়া জুড়ে গুমোটভাব বিরাজ করে।

নিজের ঘরের ভেতরকে ফ্রেশ, সুগন্ধযুক্ত রাখতে এবং স্যাঁতস্যাঁতে ভাবকে দূর করতে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই ঝামেলা মিটে যাবে অনেকখানি।

ঘরে বাতাস চলাচল উপযোগী করতে হবে

অনেকেই ঘরদোর এমনভাবে বদ্ধ করে রাখেন যে খুব সহজেই ঘরের ভেতর গুমোটভাব তৈরি হয় এবং ঘরে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ঘরে যেন সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ব্যবস্থা করতে হবে। বাতাসের সাথে বাইরের আলো ঘরে প্রবেশ করলে ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব অনেকটাই কমে যাবে।

এক্ষেত্রে একটি বিষয়ের উপরে নজর দিতে হবে খুব বেশি। এ সময়ে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ দেখা দিচ্ছে খুব বেশি সেক্ষেত্রে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই জানালা ও বারান্দায় নেট টেনে দিতে হবে। এতে করে বাতাস চলাচল করতে পারলেও মশা ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, বৃষ্টি দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই ঘরের জানালাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। এতে করে ঘরের ভেতরে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করতে পারবে না। 

ভারি পর্দা এড়িয়ে যাওয়া

মোটা ও ভারি ধরনের দরজা-জানালার পর্দা সম্পূর্ণ এড়িয়ে যেতে হবে। মোটা কাপড় বাতাস থেকে আর্দ্রতা বেশি শোষণ করে। এতে করে পুরো ঘরের আবহাওয়া জুড়ে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব বিরাজ করে। এছাড়া হুটহাট বৃষ্টিতে পর্দা ভিজে গেলে শুকাতে দীর্ঘসময় প্রয়োজন হবে যদি ভারি কাপড়ের পর্দা হয়। তাই এই সময়ে হালকা কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করতে হবে।

কাপড় ধুতে হবে সীমিত

বর্ষাকালে স্বাভাবিকভাবেই ভেজা কাপড় শুকাতে দীর্ঘসময় প্রয়োজন হয়। ফলে অনেকেই ভেজা কাপড়চোপড় ঘরে ফ্যানের নিচে এনে শুকাতে দেন। এতে করে ঘর আরও বেশি স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে ওঠে। তাই বর্ষাকালে যথাসম্ভব সীমিত কাপড় ধুতে হবে এবং ঘরের ভেতরে শুকাতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেবেচিন্তে তবেই শুকাতে হবে।

মেঝে মুছতে ফিনাইল

ঘরের মেঝে অপরিষ্কার রাখলে পুরো বাড়িই অপরিষ্কার হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ঘরের মেঝে অবশ্যই মুছতে হবে। কিন্তু বর্ষাকালে এমনিতেই মেঝে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে। মেঝেতে পা দিলে দেখা যায়  ভেজা ভেজাভাব রয়েছে। এর মাঝেও মেঝে পরিষ্কার করতে চাইলে পানির সাথে মিশিয়ে নিতে হবে ফিনাইল। এতে মেঝে দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

কার্পেট গুটিয়ে নিতে হবে

সাধারণত ড্রইংরুমে কার্পেট বিছানো হয়। মোটা বুননের কার্পেট অনেকখানি আর্দ্রতা শোষণ করে ও ভেজা ভেজা হয়ে থাকে। যা থেকেও ঘরে স্যাঁতস্যাঁতেভাব তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র বর্ষাকালের জন্য কার্পেট গুটিয়ে তুলে রাখতে হবে।

দারুচিনির সুঘ্রাণ

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতেভাবে থেকে গন্ধের উৎপত্তি হয়। বিশেষত যাদের বাড়িটি বহুকাল আগের ও পুরনো ধাঁচের কিংবা বেশখানিকটা ভেতরের দিকে, তাদের বাসাবাড়িতে এই সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। এমন সমস্যার ক্ষেত্রে দুই কাপ পানিতে মাঝারি আকৃতির একটি দারুচিনি ফুটিয়ে নিতে হবে। এতে করে পুরো ঘর জুড়েই দারুচিনির সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়বে।

আরও পড়ুন: বর্ষাকালে কাপড় শুকানো নিয়ে ঝামেলা?

আরও পড়ুন: বায়ু পরিশোধক গাছে দূষণমুক্ত ঘরোয়া পরিবেশ

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র