Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নিজের যত্নে অবহেলা নয়

নিজের যত্নে অবহেলা নয়
কফির মগ হাতে পছন্দের সিনেমা দেখেও কাটাতে পারেন অলস সময়, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আমাদের প্রতিদিনের জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটে কাজের ব্যস্ততা, দৌড়ে চলা, হিসেবের সাথে তাল মেলানোর ছন্দে।

ব্যতিক্রম খুব কমই হয়। পড়ালেখা, চাকরি, সংসার- সব ক্ষেত্রে দায়িত্ব থাকে, থাকে কাজের চাপ। সবকিছু সামলে নিজের জন্য সময় পাওয়া সোনার হরিণের মতো হয়ে যায় একদম। সারাদিনে একটা ঘন্টা সময়ও নিজের মতো কাটানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেখানে নিজের যত্ন নেওয়া অনেকটাই হাস্যকর ঠেকবে অনেকের কাছেই।

কিন্তু নিজের যত্ন বা সেলফ কেয়ার নেওয়া প্রয়োজন সবার আগে। নিজের প্রতি যত্নশীল হতে না পারলে, কোনভাবেই নিজের কাজগুলো ঠিকভাবে করা সম্ভব হবে না। সেলফ কেয়ার মানেই স্পা সেলুনে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যায় করা কিংবা মোটা অংকের টাকা খরচ করে রেস্টুরেন্টে সময় কাটানো নয়। সেলফ কেয়ার সেটাই- যেভাবে সময় কাটাতে ভালো লাগে, যে কাজে মনে প্রশান্তি আসে। নিজের যত্ন নেওয়া বলতে ত্বকের যত্ন নেওয়া, নখ কাটা কিংবা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসই নয়। নিজের মানসিক যত্ন নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া।

সেক্ষেত্রে এই সেলফ কেয়ার একেকজনের জন্য একেক রকম হতে পারে। পুরো সপ্তাহের ব্যস্ততা শেষে কেউ হয়তো একা কিছুটা সময় কাটাতে ভালোবাসে, কেউ হয়তো বন্ধুদের সাথে হইহুল্লোড় করে। কিন্তু মানুষ ভেদে দুজনের জন্য দুইটি কাজ সমান ভালো লাগা তৈরি করছে। তাই আপনার জন্য যেটা ভালো লাগার মতো কাজ, অন্যের জন্যেও যে সেটা একইরকম ভালো লাগা তৈরি করবে তা নয়।

বলা যেতে পারে নিজের যত্ন নেওয়াটা খুবই ব্যক্তিগত ও স্বকীয়তাপূর্ণ। একেবারেই নিজের পছন্দমতো, নিজের মানসিক প্রশান্তি, নিজের যত্ন নেওয়া। এমন কোন কাজ যেটা আপনার মানসিক অশান্তি আরও বাড়িয়ে দেয় বা কোন না কোনভাবে মনের উপর চাপ তৈরি করে, সেটা কোনভাবেই আপনার জন্য ভালো নয়। নিজের খেয়াল রাখতে এমন কোন কাজকে বেছে নিতে হবে সেটা মনকে শান্ত করতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/03/1562145221864.jpeg

ধরুন ছুটির দিনটি বাসার বাইরে ঘুরে বেড়াতে কিংবা বই পড়ে কাটাতে ভালোবাসেন আপনি, তবে সেটাই করুন। যদি প্রিয় ও পুরনো টিভি সিরিজ দেখে সময় কাটাতে ইচ্ছা করে, তবে তা-ই সই। যদি রুপচর্চায় কাটিয়ে দিতে ইচ্ছা করে দিনটি তাহলে সেভাবেই পরিকল্পনা করতে হবে। নিজের মতো সময় কাটানোর জন্য নির্দিষ্ট কোন নিয়ম বা ধরাবাঁধা সূত্র নেই।

অনেকেই ছুটির দিনে সংসারের হিসাবনিকাশ করতে বসেন। যদি এতে মানসিক চাপ বেড়ে যায়, দুশ্চিন্তা দেখা দেয় তবে সে কাজটি বাদ দিতে হবে। এমন কাজগুলো অন্য দিনের জন্য তুলে রেখে যে কাজটি করলে মানসিক অশান্তি বাড়ার পরিবর্তে কমবে সে কাজটিই করতে হবে।

এদিকে একদিন কাজকর্ম বাদ দিয়ে আরাম আয়েশ করে কাটানোর জন্য যদি মনের মধ্যে খচখচ করে যে, কোন কাজ করা হল না তবে জেনে রাখুন- গবেষকেরা জানাচ্ছে অতিরিক্ত কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা কাজের গতিকে স্লথ করে দেয়। সবকিছু থেকে একদিনের জন্য স্বেচ্ছায় ছুটি নিয়ে নিজের মতো করে সময় কাটিয়ে নিজের যত্ন নিলে কাজের গতি ও কাজে মনোযোগ বেড়ে যায় অনেকখানি।

যেহেতু সবারই নিত্যদিনের রুটিন খুব ভারি হয়, তাই প্রয়োজনে তালিকা তৈরি করে নিজের যত্ন নেওয়া যেতে পারে। হয়তো আপনার নিজস্ব সময়ে ঘুমাতে ও রান্না করতে ও রিকশায় ঘুরতে ভালো লাগে। সেক্ষেত্রে ছুটির দিনটিকে সেভাবে ভাগ করে নিন। কোন কারণে একটি কাজ বাদ গেলেও বাকি দুইটি কাজ করা যাবে সহজেই।

জীবনের জটিলতা ও কঠিন নিয়মের মাঝে এভাবে সময় বের করে নিজের যত্ন নিতে হবে।

আরও পড়ুন: যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

আরও পড়ুন: যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র