Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ধূমপানে অন্ধত্ব!

ধূমপানে অন্ধত্ব!
ধূমপানের ফলে ঝুঁকিতে পরে চোখের স্বাস্থ্য, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বহুল প্রচলিত ‘ধূমপানে বিষপান’ ট্যাগলাইনটি সবার জানা।

এই বদঅভ্যাসের দরুন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস, হুমকির মুখে পরে শারীরিক সুস্থতা। এমন ভয়াবহ তথ্য জেনেও ধূমপান থেকে বিরত থাকেন না ধূমপায়ীরা।

এবারে ধূমপান বিষয়ে আরও ভয়ানক তথ্য জানালো মার্কিন যুক্তরাজ্যের অ্যাসোসিয়েশন অব অপটোমেট্রিস্টস (AOP). ধূমপান থেকে শুধু ফুসফুসের সমস্যা নয়, দেখা দিতে পারে অন্ধত্বও।

গবেষকেরা জানাচ্ছে, দৃষ্টিশক্তি হারানোর ক্ষেত্রে অধূমপায়ীদের চাইতে দ্বিগুণ ঝুঁকিতে থাকে ধূমপায়ীরা। কারণ তামাকের ধোঁয়া চোখের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ধূমপান কীভাবে চোখের ক্ষতি করে?

ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্ষতি হওয়ার বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে চোখের ক্ষতি হওয়ার বিষয়টিতে অনেকের মাথাতেই প্রশ্ন দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে জেনে রাখা প্রয়োজন, সিগারেটের উপস্থিত টক্সিক উপাদান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত হয়। এই উপাদানগুলো চোখে অস্বস্তি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সিগারেটে থাকে ভারি ধাতু তথা লিড ও কপার। যা সরাসরি চোখের লেন্সকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তিকে ঘোলাটে করে দেয়।

এছাড়া ধূমপানের ফলে ডায়বেটিস সম্পর্তিক দৃষ্টিশক্তির সমস্যা তৈরি হয়। যার ফলে চোখের পেছনের অংশের (রেটিনা) রক্তনালীকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরও বড় কথা হচ্ছে, ধূমপায়ীদের বয়সজনিত চোখের সমস্যা (ম্যাকুলার ডিজেনারেশন) অধূমপায়ীদের চেয়ে তিনগুণ দ্রুত দেখা দেয়। এই সমস্যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বাধাগ্রস্ত হয় এবং কোন জিনিস সঠিকভাবে দেখতে সমস্যা হয়।

এখানেই শেষ নয়। হুট করে দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যায় অধূমপায়ীদের চাইতে ১৬ গুণ বেশি ঝুঁকিতে থাকে ধূমপায়ীরা। অপটিক নিউরোপ্যাথি থেকে আকস্মিক দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যায়, যেখানে চোখে রক্ত প্রবাহ হুট করেই বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: শনাক্ত হবে পারকিনসন্স রোগের পূর্ব লক্ষণ!

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি যেভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে!

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র