Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উচ্চ রক্তচাপ কমবে বিশেষ চা পানে

উচ্চ রক্তচাপ কমবে বিশেষ চা পানে
ফ্ল্যাক্সসিডসের চা, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি দেখা দিয়ে থাকে।

এখনকার সময়ে অল্প বয়সেও অনেকের এই সমস্যাটি দেখা দিচ্ছে। যার প্রধান কারণ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, শরীরচর্চার কমতি, দুশ্চিন্তা, অপর্যাপ্ত ঘুমসহ নানান অনিয়ম। পুরো বিশ্বজুড়েও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি প্রকট আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

এদিকে উচ্চ রক্তচাপের দরুন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেকখানি। অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকেই দেখা দিতে পারে বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

অথচ এই সমস্যাটি চাইলেই অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাসকে নিয়মের মাঝে বাঁধতে পারলে। আঁশযুক্ত ফল, সবজি ও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান শুধু উচ্চ রক্তচাপকেই দূরে রাখবে না, সামগ্রিকভাবে শারীরিক সুস্থতাও প্রদান করবে। ফল ও সবজির পাশাপাশি বাদাম, ফ্ল্যাক্সসিডস উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে।

আজকের ফিচারটিতে মূলত উঠে আসবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ফ্ল্যাক্সসিডস চায়ের উপকারিতা। সহজলভ্য এই উপাদানে তৈরি চায়ে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে খাপছাড়া উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কেন কাজ করবে ফ্ল্যাক্স সিডস?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/01/1561962168252.jpg

প্রায় একশ গ্রাম ফ্ল্যাক্সসিডস থেকে পাওয়া যাবে ৮১৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। পটাশিয়াম সোডিয়ামের ক্ষতিকর প্রভাবকে প্রশমিত করতে কাজ করে। এমনকি শরীর থেকে বাড়তি সোডিয়ামকে মূত্রের সাহায্যে বের করে দিতেও সাহায্য করে ফ্ল্যাক্সসিডসে থাকা পটাশিয়াম।

ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত তথ্যানুসারে, ফ্ল্যাক্সসিডসে থাকা উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডস হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া খাদ্য আঁশের উপযুক্ত উৎস হলো ফ্ল্যাক্সসিডস, যা রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখতে উপকারী। ফলে এই উপাদানে তৈরি চা পানে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটিকে আয়ত্তে রাখা যাবে অনেকখানি।

কীভাবে তৈরি করতে হবে ফ্ল্যাক্সসিডসের চা?

উপকারী এই চা তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক চা চামচ ফ্ল্যাক্সসিডসের গুঁড়া, এক কাপ পানি ও আধা চা চামচ মধু।

ফুটন্ত পানিতে ফ্ল্যাক্সসিডসের গুঁড়া দিয়ে ৩-৪ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর গ্লাসে ঢেলে এতে মধু যোগ করে চায়ের মতো পান করতে হবে। স্বাদ বাড়াতে চাইলে সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস যোগ করে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: সকালে খালি পেটে কলা খেলে কী হয়?

আরও পড়ুন: বয়স বাড়লেও সুস্থ থাকবেন মাছ খেলে!

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র