Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রিয় খাদ্যের জন্য কমছে শুক্রাণুর পরিমাণ?

প্রিয় খাদ্যের জন্য কমছে শুক্রাণুর পরিমাণ?
ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বার্গার, পিৎজা, গরু-খাসির মাংস (রেড মিট) ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য শুধু পেটের মেদ ও ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ায় না।

বরং তথাকথিত এই ‘ওয়েস্টার্ন ডায়েট’ পুরুষদের শুক্রাণুর মাত্রা হ্রাস করে জন্মদানের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ হিউম্যান রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড এমব্রিওলজি সাম্প্রতিক এক সম্মেলনে উপস্থাপিত নতুন গবেষণায় ২,৯৩৫ জন তরুণ ড্যানিশ পুরুষের খাবার পর্যবেক্ষণ করা হয়। তাদের খাদ্যাভ্যাস কিভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা প্রভাবিত করছে তা নির্ধারণ করার জন্য। এই পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্য ফার্টিলিটি, যৌন চাহিদা ও যৌন ক্রিয়ার সমস্যা সমূহকে সঠিকভাবে পরিমাপ করা।

এই গবেষণাটির জন্য গবেষকেরা কয়েক ধরনের ডায়েট মেনে চলা পুরুষদের স্মার্মের উপর পরীক্ষা করেন। তার মাঝে আছে মিলিটারি ডায়েট প্যাটার্ন, ওয়েস্টার্ন ডায়েট প্ল্যাটার্ন- যে খাদ্যাভ্যাসে চিপস, পিৎজা, প্রক্রিয়াজাত মাংস, এনার্জি ড্রিংক্স, রিফাইন্ড শস্য রয়েছে। সাথে ছিল প্রুডেন্ট ডায়েট প্যাটার্ন- এই খাদ্যাভ্যাসে থাকে ফ্রেশ মাছ, মুরগির মাংস, সবজি, ফল ও পানি। ছিল বিশুদ্ধ বিখ্যাত ড্যানিশ ‘স্মরব্রড ডায়েট’। এই খাদ্যাভ্যাসের তালিকায় থাকে ঠাণ্ডা প্রক্রিয়াজাত মাংস, বিশুদ্ধ শস্য, মেয়নেজ, ঠাণ্ডা মাছ ও দুগ্ধজাত খাবার। এছাড়াও ছিল ভেজিটেরিয়ান ডায়েট, যেখানে খাদ্য তালিকায় থাকে ফ্রেশ সবজি, সয়া মিল্ক ও ডিম।

গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, যারা প্রুডেন্ট ডায়েট মেনে চলেন, তাদের স্পার্ম কাউন্ট সবচেয়ে বেশি এবং যারা ওয়েস্টার্ন ডায়েট মেনে চলেন তাদের স্পার্ম কাউন্ট সবচেয়ে কম। এছাড়া ভেজিটেরিয়ান খাদ্যাভ্যাসে অভ্যাস্তদের স্পার্ম কাউন্ট রয়েছে সর্বোচ্চর দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে এবং ড্যানিস খাদ্যাভ্যাস রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

এই গবেষণার সারাংশে গবেষকেরা লিখেছেন, ‘আমাদের গবেষণা প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, স্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাসে অভ্যাস্ত পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট বেশি রয়েছে। এই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মাঝে এলাকাভিত্তিক খাদ্যাভ্যাসও আছে। এছাড়া গবেষণার তথ্য বলছে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ফলে স্পার্ম কাউন্ট অনেক কমে যায় এবং এতে করে হৃদরোগসহ ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।’

তবে এই গবেষণাটিতে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। তার মাঝে প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো গবেষকেরা শুধুমাত্র ড্যানিশ পুরুষদের উপরেই এই পরীক্ষাটি চালিয়েছেন। ফলে এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য পুরো বিশ্বের পুরুষদের জন্য সমান না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু গবেষকেরা বংশগতভাবে লো স্পার্ম কাউন্টের বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারছেন না। এছাড়া চুলের জন্য কিছু বিশেষ ওষুধ, কেমোথেরাপি, মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা এবং পরিবেশ দূষণের মতো বিষয়গুলোও লো স্পার্ম কাউন্টের জন্যেও দায়ী হতে পারে।

মায়ো ক্লিনিকের মতে, স্বাভাবিক স্পার্ম কাউন্ট হলো, প্রতি মিলিমিটার বীর্যে ১৫-২০০ মিলিয়ন স্পার্ম বা শুক্রাণু।

এছাড়া পুরুষরা তাদের স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করতে পারেন বেশ কিছু উপায়ে। সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, সঠিক ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যার মাঝে অন্যতম। যথাসম্ভব কম প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে হবে এবং অলিভ ওয়েল ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিনের মতো খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত থেকে স্পার্ক কাউন্ট স্বাভাবিক করতে পারবে পুরুষরা। তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণে লক্ষণীয় মাত্রায় শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যায়।

আরও পড়ুন: ছয় উপায়ে দূর হবে নাক ডাকার সমস্যা

আরও পড়ুন: মেটাবলিজম কমছে যেসকল অভ্যাসে

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র