Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আঙুরের সাতকাহন 

আঙুরের সাতকাহন 
আঙ্গুর ফল
ফাতিমা তুজ জোহরা
নিউজরুম এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আঙুর ফলের গোড়াপত্তন শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই ফলের বাহারি রঙের মাত্রায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ  এই ফল আপনার হার্টকে রাখে সুস্থ।

আঙুরের সাত গুণাবলি--

গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ থেকে মুক্তি:

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু হয় বাতের ব্যথা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য। রোগের সূত্রপাত হিসেবে ধরা হয় গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহকে। দেহের প্রতিরক্ষাকারী কোষগুলোকে নষ্ট করে, ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগে ভোগায় এই প্রদাহ। গবেষণা বলছে, আঙুর হতে পারে গ্যাসের ব্যথার স্থায়ী সমাধান।

২৪ জন পুরুষের মধ্যে চালানো একটি জরিপে দেখা যায়, প্রতিদিন ১.৫ কাপ আঙুরের রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে আঙুরের গুঁড়া শরীরের গ্যাসের প্রদাহকে কমিয়ে দেয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452636554.jpg

বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়:

এক গবেষণায় দেখা যায়, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম করে আঙুর ফল ১১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে খাওয়ানোর ফলে তাদের স্মৃতি, মনোযোগ এবং  বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটেছে।

এমনকি প্রতিদিন আঙুর ফল আপনার মেজাজকে রাখে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি ব্লাড সুগারের মাত্রাকেও পরিমিত পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করে:

হাড়ে লবণের মাত্রাকে ঠিক রেখে ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। হাড়ে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452652760.jpg

ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া  ধবংসকারী:

দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন ঘটায়, এমন ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়। ফলে মৌসুমি ঠাণ্ডা কাশি কিংবা জ্বর আপনাকে কাবু করতে পারবে না। এমনকি আঙুর ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বৃদ্ধি:

ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে আঙুর ফল। বেটাকেরোটিন, লুটিন ,এলাজিক এসিড সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘস্থায়ী রোগকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452669126.jpg

তারুণ্য ধরে রাখে:

আঙুর ফলের পুষ্টিগুণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে আঙুর। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

আঙুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার এবং অ্যান্টি অক্সিজেন রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারো আঙুর ফল। এমনকি গ্রীষ্মের দিনগুলোতে ঠাণ্ডা আঙুর হতে পারে দারুণ একটা নাশতা।

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র