Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ত্বকের যত্নে চমৎকার চার অ্যালোজেলের ব্যবহার

ত্বকের যত্নে চমৎকার চার অ্যালোজেলের ব্যবহার
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকের সার্বিক পরিচর্যা ও সৌন্দর্যচর্চার জন্য নানাবিধ পণ্যের ছড়াছড়ি পুরো মার্কেট জুড়ে।

ত্বকের সাথে মানানসই পণ্যের ব্যবহারে নিমিষেই দূর হচ্ছে যাবতীয় সমস্যা। কিন্তু কেমিক্যালযুক্ত এই সকল পণ্যের ব্যবহার যতটা কম করা যায়, ততই ভালো।

এই সকল পণ্যের পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান। এতে করে উপকার হওয়ার পাশাপাশি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মুক্ত থাকবে ত্বক। প্রাকৃতিক শতেক উপাদানের মাঝে সবচেয়ে পরিচিত, জনপ্রিয় ও উপকারী উপাদানটি হলো অ্যালোভেরার পাতা।

কৌটাবন্দী অ্যালো জেল নয়, প্রাকৃতিক অ্যালোভেরা পাতার জেল ব্যবহারের কথাই বলা হচ্ছে এখানে। চলুন দেখে নেই সৌন্দর্যচর্চায় অ্যালোভেরা জেলের কয়েকটি বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহার। 

দূর করবে ত্বকের বলীরেখা

একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর এবং রোদের ক্ষতিকর আলোর প্রভাবে ত্বকের চামড়া কুঁচকে যায়, বলীরেখা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য অ্যালোভেরা পাতার মাঝ বরাবর কেটে অ্যালোভেরার জেল মুখে ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজের সময় নিচ থেকে উপরের দিকে টেনে টেনে নিতে হবে। প্রতিদিন দশ মিনিটের ম্যাসাজেই দুই সপ্তাহের মাঝে ফলাফল পাওয়া যাবে।

ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করতে

শরীরের কোথাও কেটেছড়ে গেলে অ্যালোভেরার পাতা ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যাবে। ক্ষতস্থানে অ্যালোভেরার পাতা বসিয়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে ৩-৪ ঘন্টার জন্য রেখে দিতে হবে। অ্যালোভেরার পাতা মাঝ বরাবর কেটে জেলযুক্ত স্থানটি ক্ষতস্থানের উপর বসাতে হবে। অ্যালো জেলের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ ক্ষত দ্রুত ভালো করতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/21/1561091456383.jpg

রেজর ব্যবহারের অস্বস্তি দূর করে

শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্চিত লোম দূর করতে রেজরের মাধ্যমে শেভ করাই সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। কিন্তু এর ফলে শেভ করা স্থানে জ্বালাপোড়া, লালচে ভাব দেখা দেয়। এমন সমস্যা দূর করার জন্য শেভ করা স্থানে অ্যালোভেরা পাতার জেল কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে নিতে হবে। ১৫ মিনিটের ম্যাসাজেই অস্বস্তিভাব দূর হয়ে যাবে।

ডার্ক সার্কেল কমাবে অ্যালো জেল

ডার্ক সার্কেল চেহারার অনেকখানি সৌন্দর্যকেই মলিন করে দেয়। কিন্তু জেদি ডার্ক সার্কেল এক-দুই দিনের মাঝে ভালো হওয়ার সহজ কোন উপায় নেই। তবে অ্যালো জেল ব্যবহারে ডার্ক সার্কেলের প্রাদুর্ভাব কমানো যায় অনেকখানি। সুতির মোটা ও পরিষ্কার কাপড়ে অ্যালো জেল লাগিয়ে চোখের নিচের অংশে রেখে দিতে হবে আধা ঘণ্টার জন্য। অ্যালো জেলের জাদুকরি প্রভাবে ডার্ক সার্কেল অনেকটাই ফিকে হয়ে আসবে এবং চেহারায় প্রাণবন্তভাব ফুটে উঠবে।

আরও পড়ুন: সৌন্দর্যচর্চায় মধুর চমৎকার চার ব্যবহার

আরও পড়ুন: তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে ঘরে তৈরি দুই ময়েশ্চারাইজার

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র