Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ত্বকের তিন যত্নে টমেটোর রস

ত্বকের তিন যত্নে টমেটোর রস
ত্বকের যত্নে টমেটো উপকারী উপাদান, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকে ব্যবহারের জন্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার সবসময়ই উৎকৃষ্ট।

সে প্রাকৃতিক উপাদানটি যদি হয় টমেটো, তবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে ত্বকের যত্নে। এই ফলে থাকা ভিটামিন-সি শুধু ত্বকের সমস্যা দূর করতেই নয়, ত্বকের নমনীয়তা বৃদ্ধিতে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও কাজ করবে।

আজকের ফিচার থেকে দেখে নিন ত্বকের যত্নে টমেটো রসের তিন সহজ ব্যবহার।

ব্রণ দূর করতে টমেটোর রস

এই সমস্যাটির প্রাদুর্ভাব কমাতে টমেটোর রসের সাথে ব্যবহার করতে হবে শসার রস। শসাতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ব্রণ ও ত্বকের র‍্যাশ কমাতে কাজ করে। ত্বকে ব্যবহারের জন্য এক টেবিল চামচ টমেটোর রস ও এক টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরিকৃত মিশ্রণটি মুখে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে টমেটোর রস

গ্রীষ্মে ত্বকের তৈলাক্তভাবে বেড়ে যায় অনেকখানি। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য অনেকেই নানা ধরণের ক্রিম ও ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। কিন্তু সবচেয়ে উত্তম হবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করা।

সেক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে টমেটোর রস ও লেবুর রস। এক টেবিল চামচ টমেটোর রসের সাথে ৪-৫ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, লেবুর রস খুব বেশি মেশানো যাবে না। তৈরিকৃত এই মিশ্রণ ত্বকে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট রেখে পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। খুব বেশি সময় এই মিশ্রণ ত্বকে না রাখাই ভালো। টমেটো ও লেবু, উভয় উপাদান অ্যাসিডিক। এছাড়া যাদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাদের এই মিশ্রণ ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম।

ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে টমেটোর রস

টমেটোতে রয়েছে ব্লিচিং উপাদান। যা ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। বিশেষত ওটসের সাথে মিশিয়ে নেওয়ার ফলে, টমেটোর রস ত্বকের ভেতর থেকে মরা চামড়া ও ময়লা বের করতে ভালো কাজ করে।

পিগমেন্টেশন দূর করতে এক টেবিল চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ ওটসের গুঁড়া ও আধা চা চামচ দই মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরিকৃত এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ত্বকের আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের যত্নে আলুর তিন ফেস প্যাক

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র