Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এক কাপ কফিতে কতখানি ক্যাফেইন থাকে?

এক কাপ কফিতে কতখানি ক্যাফেইন থাকে?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয় কফি শপের কফি হোক কিংবা ঘরে নিজ হাতে তৈরি কফি,

এক কাপ পরিমাণ কফি থেকে কতখানি ক্যাফেইন পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে ধারণা আছে কি?

কতখানি ক্যাফেইন থাকে সেটা জানানোর আগে জানিয়ে রাখি, প্রতি কাপ কফিত্যে ক্যাফেইনের মাত্রা ভিন্ন হয়। পাশাপাশি থাকা দুই কাপ সমপরিমাণ কফিতে ক্যাফেইনের মাত্রা কখনোই সমান হবে না।

এমনটার কারণ হলো, প্রতি আউন্স তরলে মিলিগ্রাম হিসেবে ক্যাফেইনের মাত্রার পার্থক্য দেখা দেয়। ফলে পরপর দুই কাপ কফিতে ক্যাফেইনের মাত্রা কম-বেশি হয়ে থাকে।

এছাড়াও বেশ কয়েকটি কারণ বিদ্যমান থাকে কফিতে ক্যাফেইনের মাত্রার তারতম্যের পেছনে। কফি গুঁড়ার আকৃতি, পানির তাপমাত্রা, সময়, কফি জ্বালানোর পদ্ধতির মতো সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর উপরে নির্ভর করে ক্যাফেইনের মাত্রা। এমনটাই জানান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল ফাউন্ডেশনের সায়েন্স কম্যুনিকেশনের ডিরেক্টর মেগান মেয়র।

তিনি আরও জানান, কফি বিনস, কফি রোস্টিং টেকনিকের উপরেও কফির ক্যাফেইনের মাত্রার তারতম্য ঘটে।

হালকা ব্লন্ড রোস্টেড কফিতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অধিক ক্যাফেইন থাকে। এমনকি ডার্ক রোস্টেড কফির চাইতেও এতে ক্যাফেইনের মাত্রা থাকে বেশি। যদিও অবশ্য ডার্ক রোস্টেড কফির ফ্লেভার বেশি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/19/1560924824437.jpg

এমনতর নানান রকম ফ্যাক্টরের উপরেই নির্ভর করে, কফিতে ক্যাফেইনের মাত্রার উপস্থিতি। এবারে চলুন জেনে নেওয়া যাক, বিভিন্ন ধরণের এক কাপ পরিমাণ কফি থেকে সাধারণত কতখানি পরিমাণ ক্যাফেইন পাওয়া যাবে ।

১. জ্বাল দেওয়া কফি (ব্রিউড কফি): ৭০-২০০ মিলিগ্রাম (গড়ে ৯৫ মিলিগ্রাম)।

২. ডিক্যাফ কফি: ২-৪ মিলিগ্রাম (গড়ে ৩ মিলিগ্রাম)।

৩. এসপ্রেসো কফি: ৪৭-৭৫ মিলিগ্রাম (গড়ে ৬৩ মিলিগ্রাম)।

৪. ইন্সট্যান্ট কফি: ৬৫-৮০ মিলিগ্রাম।

৫. সিঙ্গেল শট ল্যাটে: ৪৭-৭৫ মিলিগ্রাম।

প্রতিদিন কতখানি ক্যাফেইন গ্রহণ নিরাপদ?

কফি শপের কফি হোক আর ঘরে তৈরি কফি, অতিরিক্ত পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণের বেশ কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

যদিও কফিতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে কাজ করে, তবুও কফি গ্রহণের মাত্রা বেশি হলেই দেখা দিতে পারে- ঘুমের সমস্যা, মানসিক অশান্তি, হার্ট প্যালপিটেশনসহ অন্যান্য উপসর্গ।

তবে প্রতিদিন ৩০০-৪০০ মিলিগ্রাম পরিমাণ (তিন-চার কাপ) ঘরে তৈরি কফি গ্রহণ নিরাপদ এবং এ ক্ষেত্রে বড় ধরণের কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার সম্ভবনা থাকে না।

আরও পড়ুন: কতটুকু কফি পান নিরাপদ?

আরও পড়ুন: কফি বন্দনা!

আপনার মতামত লিখুন :

চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?

চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?
দীর্ঘসময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার ফলে আইস্ট্রেইন দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত

খেয়াল করে দেখবেন, একটানা অনেকক্ষণ কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে, বই পড়লে বা দৃষ্টিশক্তি স্থির রেখে গাড়ি চালালে চোখে ক্লান্তি ভর করে।

চোখে জ্বালা করে অথবা ব্যথাভাব দেখা দেয়। সহজ ভাষায় এটাকেই বলা হয়ে থাকে আইস্ট্রেইন (Eyestrain) বা চোখের ওপর চাপ।

আইস্ট্রেইন খুবই কম ও সাধারণ একটি উপসর্গ। বিশেষত বর্তমান ডিজিটাল সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সমস্যাটি অহরহ দেখা যায়। হাতে হাতে মোবাইল ফোন, ট্যাব নয়তো কম্পিউটারের স্ক্রিনে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকা। এখানে আরও একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, আইস্ট্রেইনকে ‘কম্পিউটার ভিশন’ অথবা ‘ডিজিটাল আইস্ট্রেইন’ বলা হয়ে থাকে।

আইস্ট্রেইনের ক্ষেত্রে কী লক্ষণ দেখা দেয়?

এ সমস্যায় লক্ষণগুলো খুবই সাধারণ হয়ে থাকে। চোখে ক্লান্তিভাব দেখা দেওয়া, চোখে ব্যথাভাব দেখা দেওয়া, ঘাড় ও পিঠে ব্যথাভাব ছড়িয়ে পড়া, ঘোলা দৃষ্টি, দ্বিগুণ দেখা, চোখ লালচে হয়ে যাওয়া, চোখের ভেতর কাঁটার খোঁচা লাগার মতো ব্যথা বোধ হওয়া, অক্ষিকোটরে চোখ একদিক থেকে অন্যদিকে ঘোরানোর সময় ব্যথাভাব ও শুষ্কভাব অনুভূত হওয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563960116162.JPG

আইস্ট্রেইনের প্রতিকার কী?

চোখের এই বিরক্তিকর ও ব্যথাদায়ক সমস্যাটি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চাইলে কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলাই যথেষ্ট। তেমন কয়েকটি নিয়ম জানানো হলো।

২০-২০-২০ রুল

আইস্ট্রেইন প্রতিকারে ও দূর করতে সবচেয়ে প্রচলিত ও জনপ্রিয় নিয়মটিকে বলা হয়ে থাকে ২০-২০-২০ রুল। এ নিয়মে কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ ফিট দূরের কোন বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে। এতে করে দৃষ্টিশক্তি কিছুটা শিথিল হয় ও চোখ আরাম পায়।

কম্পিউটার স্ক্রিনের অবস্থান ও দূরত্ব

যে কম্পিউটার স্ক্রিনে সারাদিন কাজ করা হচ্ছে, সে স্ক্রিনটি অবশ্যই নিজের সাথে বসার স্থান থেকে সুবিধাজনক দূরত্বে ও অবস্থানে রাখতে হবে। যদি স্ক্রিনের দিকে কষ্ট করে তাকাতে হয়, তবে তা চোখের উপরে বাড়তি চাপ তৈরি করবে। একই বিষয় বই পড়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। হাতে ধরা বইটিকে এমনভাবে চোখের সামনে রাখতে হবে যেন সহজেই ছাপার হরফগুলো দৃষ্টিগোচর হয়।

সঠিক আলোতে কাজ করা

যে স্থানে দীর্ঘসময় কাজ করা হবে, সেখানকার আলো যেন চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আলো যদি খুব বেশি উজ্জ্বল বা নিভু নিভু হয় তবে চোখের উপর বাড়তি চাপ পরে কাজ করা বা পড়ালেখার ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে নিজের চোখের সুবিধাজনক পরিমাণে আলো বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে হবে।

মাল্টিটাস্কিং করতে হবে সঠিকভাবে

অনেক সময় জরুরী কাগজপত্র থেকে কোন কিছু টাইপ করে কম্পিউটারে নথিবদ্ধ করে রাখতে হয়। এমন ধরনের মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে কাগজ, কি-বোর্ড ও কম্পিউটার স্ক্রিন এমনভাবে অবস্থান করাতে হবে যেন ঘাড় ও হাতে চাপ তৈরি না করে। নতুবা এ কাজ থেকেও চোখের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনা

হিসেব করে দেখুন প্রতিদিন কতটা সময় কাটাতে হয় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। হিসেব অনুযায়ী চেষ্টা করুন প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য স্ক্রিন টাইম কম করতে। পাচ-দশ মিনিট স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার চেষ্টা থেকে শুরু করে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনতে পারলে আইস্ট্রেইন কমে যাবে অনেকটা।

আরও পড়ুন: দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি

আরও পড়ুন: কীভাবে দূর হবে অবসাদ?

চকলেটে সারবে গলা ব্যথা!

চকলেটে সারবে গলা ব্যথা!
ছবি: সংগৃহীত

গলা ব্যথা হলে আপনি কী করেন? আমাদের ধারণা, হয় আপনি সারাদিন কাশির ওষুধ খাচ্ছেন অথবা তীব্র মিষ্টি স্বাদের কাশির সিরাপ পান করছেন।

কিন্তু এখন থেকে এসব জিনিস ওষুধের বাক্সে রেখে দিতে পারেন। কারণ গলা ব্যথার আরো কার্যকর প্রতিকার আছে ঘরেই-চকলেট! হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন। চকলেট খেলেই সারবে গলা ব্যথা।

হাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার এবং শ্বাসযন্ত্রের গবেষণা প্রধান অধ্যাপক অ্যালিন মরিস চকলেটের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে গবেষণা করেছেন। স্বাধীন চিন্তাশীল চিকিৎসক মরিস কাশি নিয়ে অনেক বছর গবেষণা করেছেন, তিনি বলেন, চকলেটে কাশি উপশম হয়-এ কথার অকাট্য প্রমাণ রয়েছে।

বৃহত্তম ইউরোপীয় গবেষণায় উঠে এসেছে, কোকোয়াযুক্ত কাশির নতুন ওষুধ, সাধারণ মানের সিরাপের চেয়ে বেশি কার্যকর। যেসব রোগী চকলেট ভিত্তিক ওষুধ খেয়েছেন তারা দুই দিনের মধ্যেই উন্নতি লক্ষ করেছেন।

মরিসের মতে, চকলেটযুক্ত ওষুধ, সাধারণ কাশির সিরাপের তুলনায় বেশি আঠালো। তাই এটি গলার ভেতরে এক ধরনের আবরণ তৈরি করে অভ্যন্তরীণ নার্ভ ফাইবারকে রক্ষা করে। এর মাধ্যমে ঘন ঘন কাশি হওয়া কমে যায়। চকলেটে অভ্যন্তরীণ নার্ভ ফাইবারের ওপর কিছুটা নিবারক প্রভাব রয়েছে। এজন্য কাশির চিকিৎসায় মধুর চেয়ে কোকোয়া বেশি কার্যকর।

মরিস বলেন, এক টুকরো চকলেট ধীরে ধীরে চেটে খেলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে, কিন্তু আমি মনে করি, এভাবে অন্য উপাদানের সঙ্গে চকলেটের মিশ্রন ভালো কাজ করে। তবে এক্ষেত্রে গরম কোকোয়া পান করা অতটা ফলপ্রসূ নয়, কারণ কোকোয়া পর্যাপ্ত সময় গলার ভেতরের অংশের সংস্পর্শে না থাকায় কাজ করে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র