Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাক, পেঁয়াজ ও টমেটো কীভাবে সংরক্ষণ করবেন ডিপ ফ্রিজে?

শাক, পেঁয়াজ ও টমেটো কীভাবে সংরক্ষণ করবেন ডিপ ফ্রিজে?
পেঁয়াজ সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে অনেকদিন পর্যন্ত পেঁয়াজ ভালো থাকবে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয় একবারে বেশি করে বাজারসদাই করে রাখার জন্য।

কারণ দীর্ঘদিনের বন্ধে, লম্বা সময় যাবত প্রয়োজনীয় ও নিত্যদিনের অনেক কিছুই বাজারে পাওয়া যাবে না। এই সমস্যা উত্তরণের জন্য কেনাকাটা করে রাখলেও, আসল সমস্যা দেখা দেয় পচনশীল উপাদান সংরক্ষণে।

মাছ-মাংস সংরক্ষণে সমস্যা না থাকলেও শাক কিংবা পেঁয়াজ ফ্রিজে ৩-৪ দিনের বেশি সময় ভালো থাকে না। এক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম মেনে এই উপাদানগুলো সংরক্ষণ করতে পারলে পুরোপুরিভাবে নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। গতকাল কিংবা আজ যদি বাজার করে থাকেন, তবে আজ দিনের মাঝেই পচনশীল এই উপাদানগুলো সঠিকবভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। তাই চোখ বুলিয়ে নিন আজকের ভীষণ উপকারী এই ফিচারটিতে।

শাক

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370447341.jpg

সবচেয়ে নাজুক ও দ্রুত পচনশীল প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে অন্যতম হলো শাক। শাকে অধিকাংশ অংশ জলীয় উপাদান হওয়ায় খুব দ্রুত শাক পাতা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই শাক সংরক্ষণের জন্য শাক কেনার সময় নির্বাচন করতে হবে একদম ফ্রেশ ও তরতাজা শাক। যে সকল শাকের আঁটি ইতোমধ্যে কালচে হয়ে গিয়েছে বা শুকিয়ে গিয়েছে, সে শাকগুলো নেওয়া যাবে না।

শাক কেনার পর ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। শাকের ডাঁটা কিংবা পাতা কাটা যাবে না। শাকের পানি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে প্লাস্টিক বা জিপলক ব্যাগের ভেতরে কিচেন টিস্যু বিছিয়ে তার ভেতরে শাকগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে এবং ব্যাগের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ব্যাগের ভেতরে যেন ভেজা না থাকে। ভেজা থাকলে শাক এই পানি শোষণ করে নরম হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে শাক ১০ দিন পর্যন্ত খুব ভালোভাবেই সংরক্ষণ করা যাবে।

পেঁয়াজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370461796.jpg

পেঁয়াজ সংরক্ষণের বিষয়টি বেশ কৌশলের। অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বিধায় পেঁয়াজ কেটে ডিপ ফ্রিজে রাখা হবে সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু যেমন-তেমনভাবে পেঁয়াজ ডিপ ফ্রিজে রাখা হলে তা রান্নায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়। তাই পেঁয়াজ সংরক্ষণে জানা প্রয়োজন সঠিক পদ্ধতির। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য দুইটি ভিন্ন পদ্ধতি জানানো হলো।

প্রথম পদ্ধতি:

এই পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পেঁয়াজ ধুয়ে, ছিলে মাঝারি আকৃতিতে কেটে নিতে হবে। পেঁয়াজের কুঁচি খুব বেশি চিকন বা মোটা করা যাবে না। পেঁয়াজের কুঁচিগুলো কিচেন টিস্যু পেপারের উপর বিছিয়ে রাখতে হবে কিছুক্ষণ, এতে পেঁয়াজের বাড়তি আর্দ্রতা টিস্যু শোষণ করে নেবে। এরপর এয়ার জিপলক ব্যাগে টেবিলে বিছিয়ে পেঁয়াজের কুঁচিগুলো ছড়িয়ে ব্যাগের ভেতরে রাখতে হবে এবং ব্যাগের মুখ বন্ধ করার আগে হাত দিয়ে চেপে ব্যাগের ভেতরের বাতাস বের করে নিতে হবে এবং ব্যাগের মুখ লাগিয়ে নিতে হবে। এবারে ডিপ ফ্রিজের থাকে সমান্তরালভাবে ব্যাগ বিছিয়ে দিতে হবে। এতে করে পেঁয়াজ খুব ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে। সাধারণত ডিপ ফ্রিজে পেঁয়াজ রাখলে পানি পানি হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এমনভাবে রাখলে সেই সমস্যাটি হবে না। এভাবে পনের দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ সম্পূর্ণ ভালো থাকবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি:

এই পদ্ধতিটি অনেকেরই জানা থাকার কথা। পেঁয়াজ কুঁচি করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। আইস ট্রেতে ব্লেন্ড করা পেঁয়াজ পরিমাণমতো নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে পেঁয়াজের আইস কিউব তৈরি করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আইস ট্রের উপর প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে নিতে হবে। নতুবা ডিপ ফ্রিজে পেঁয়াজের গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে। পেঁয়াজের এই আইস কিউবগুলো সে সকল রান্নায় পেঁয়াজ বাটা ব্যবহার করা হয়, সেখানে ব্যবহার করা যাবে। এভাবে এক মাস পর্যন্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে।

টমেটো

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370491136.JPG

বিভিন্ন ধরনের রান্না কিংবা সালাদ তৈরিতে টমেটো আবশ্যিক উপাদান। কিন্তু টমেটো রেফ্রিজারেটরে খুব বেশিদিন ভালো থাকে না। আবার ডিপ ফ্রিজে রাখা হলে খুব সহজেই পানি পানি হয়ে যায়। যা রান্নায় কিংবা সালাদে ব্যবহার করা যায় না। সেক্ষেত্রে সঠিক উপায়টি জানা প্রয়োজন।

টমেটো সংরক্ষণে আমরা সবাই যে ভুলটি করি, টমেটো কেটে টমেটোর টুকরো সংরক্ষণের চেষ্টা করি। এটা করা যাবে না। আস্ত টমেটো ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। সংরক্ষণের জন্য প্রথমেই নির্বাচন করতে হবে একদম ফ্রেশ টমেটো। টমেটোগুলো ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে সরাসরি ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা পর টমেটোগুলো ফ্রোজেন হয়ে সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেলে জিপলক ব্যাগে ঢুকিয়ে ব্যাগ থেকে বাতাস বের করে মুখ বন্ধ করে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিতে হবে।

এভাবে সংরক্ষণ করলে টমেটো নরম বা পানি পানি হবে না। রান্নায় বা সালাদে ফ্রেশ টমেটোর মতোই ব্যবহার করা যাবে। তবে ডিপ ফ্রিজে থাকার ফলে টমেটোর খোসা আলগা হয়ে আসে, তাই ব্যবহারের আগে শুধু খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এভাবে টমেটো ১০-১৫ দিন সংরক্ষণ করা যাবে।

আরও পড়ুন: ছুটি নির্বিঘ্নে কাটাতে বাজার করে ফেলুন আজই!

আরও পড়ুন: ছুটির মাঝে গাছ কীভাবে ভালো থাকবে?

আপনার মতামত লিখুন :

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!
সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে পারলে কনভার্স স্নিকার্স থাকবে ঝকঝকে, ছবি: সংগৃহীত

আসছে বর্ষা জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেবে কনভার্স বা স্নিকার্স নিয়ে।

প্রিয় কনভার্সটাই সবার আগে নোংরা হবে বৃষ্টি-কাদায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে অনেকেই কেডসের বদলে সাদা কনভার্স পরতে পছন্দ করে। শুধু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের কাছেও কনভার্স পছন্দের তালিকায় থাকে।

সহজেই পরিধেয়, আরামদায়ক ও বর্ষাকালীন সময়ে কনভার্স পরার ফলে রাস্তার ময়লা-কাদা থেকে পা সুরক্ষিত থাকে বলে এদিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন সকলে। কিন্তু সমস্যাটা দেখা দেয় শখের কনভার্স যখন নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে সাদা কনভার্স ময়লা হয় খুব দ্রুততম সময়ে।

সাদা কিংবা রঙিন যেটাই হোক না কেন, কনভার্স পরিষ্কার করা বেশ কৌশলের বিষয়। আজকের ফিচার সেটাই জানানো হবে ধাপে ধাপে। যা আগত পুরো বর্ষা জুড়ে আপনার ও আপনার সন্তানের প্রিয় কনভার্স ও স্নিকার্সকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করবে।

কনভার্স ও স্নিকার্স কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?

কনভার্স বা স্নিকার্স যেটাই হোক না কেন, হাতের সাহায্যে যত্ন করে পরিষ্কার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। এতে করে প্রিয় জুতাটি নষ্ট হবে না। পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই ব্রাশের সাহায্যে জুতার উপরের অংশ ও আশেপাশের অংশসহ নিচের অংশের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে।

এবারে এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে এতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভেজা কাপড়ের সাহায্যে জুতার বাইরের অংশে ঘষতে হবে। দেখা যাবে যে কাপড়ে জুতার ময়লা উঠে আসছে। এভাবে দুইটি জুতাই পরিষ্কার হয়ে গেলে এতে জুতার ফিতা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রেখে উঠিয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563256592557.jpg

এবারে জুতা দুইটিকে সাদা পেপার টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। এতে করে জুতার বাড়তি পানি পেপার শোষণ করে নেবে। এরপর জুতাগুলো ঘরোয়া তাপমাত্রায় ও বাতাসে রাখতে হবে শুকানোর জন্য। রোদে কিংবা চুলার নিচে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জুতার ফিতা ভালোভাবে নিংড়ে শুকানোর জন্য নেড়ে দিতে হবে। জুতা ও ফিতা শুকিয়ে গেলে দেখা যাবে একদম নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।

কনভার্স ও স্নিকার্স থেকে কীভাবে দাগ ওঠাতে হবে?

সাধারণ ময়লা হওয়ার বাইরেও স্নিকার্স ও কনভার্সে জেদি দাগ লেগে যায়। যা উপরোক্ত নিয়মে পরিষ্কার করলেও পুরোপুরি উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে কনভার্সের তন্তুর উপর বিবেচনা করে দুই ধরনের উপাদান ব্যবহার করতে হবে। কনভার্স বা স্নিকার্স যদি ক্যানভাস কাপড়ের হয় তবে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ব্রাশ চুবিয়ে যে ব্রাশ দিয়ে জুতায় দাগযুক্ত স্থানে ঘষতে হবে। এবং চামড়ার হলে ভেজা ব্রাশে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা জুতার দাগযুক্ত স্থানে খুব আলতোভাবে ঘষতে হবে। এভাবে করলে খুব সহজেই দাগ উঠে যাবে স্নিকার্স বা কনভার্স থেকে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট টিভি পরিষ্কারের স্মার্ট উপায়!

আরও পড়ুন: কীভাবে পরিষ্কার করবেন মেকআপ ব্রাশ?

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস
মানসিক অস্থিরতা কমাতে ডুব দিন প্রিয় বইয়ের পাতায়, ছবি: সংগৃহীত

কেবলমাত্র অসুস্থ হলেই সুস্থ থাকার মর্ম হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভুগতে হয়, কষ্ট পোহাতে হয় কেবলমাত্র নিজেকেই। কিন্তু অসুস্থতা ভালো হয়ে গেলেই আবারো সব ভুলে পুরনো অভ্যাসে ফেরা হয়। অথচ খুব চমৎকার ও সাধারণ নিত্যদিনের কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শারীরিক সুস্থতা পাওয়া কঠিন কিছু নয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি নিজের মানসিক চাপ ও অশান্তিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নতুবা কোন উপকারই পাওয়া যাবে না নিয়ম মেনে। খুবই উপকারী যে দশটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন বয়স ও লিঙ্গ ভেদে সকলের, জেনে নিন সে বিষয়গুলো।

১. প্রতিদন নিয়ম করে ঠিক একই সময়ে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার গ্রহণ করুন। সময়ের পরিবর্তনে শরীরে চাপের সৃষ্টি হয়, যা থেকে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে শরীরে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে।

২. খুব বেশি মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতায় আছেন? প্রিয় ও পছন্দের কোন বই পড়ুন। এতে করে মন অন্যদিকে কাজ করবে ও কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা কমে যাবে।

৩. চা পানের জন্য ফুটন্ত পানিতে টিব্যাগ ২-৩ মিনিটের বদলে ৫ মিনিট রাখুন। বিশেষত যদি গ্রিন টি পান করেন তবে অবশ্যই ৫ মিনিট রেখে এরপর সেই চা পান করবেন। এতে করে চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালোভাবে পানিতে মিশ্রিত হবে। গবেষক জানাচ্ছে, এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্ট অ্যাটাক, ক্যানসার, টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার হার কমাতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194079935.jpg

৪. অফিসে দীর্ঘসময়য়ের জন্য বসে থাকা হয় প্রায় প্রতিদিন। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন থেকে চেষ্টা করবেন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর বসা অবস্থা থেকে দাঁড়িয়ে যেতে ও বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকটা।

৫. খাদ্যাভ্যাসের মাঝে যদি কোন পরিবর্তন আনতে চান, তবে প্রথমেই মাংস গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলুন। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি ৪ টুকরো মাংস খান। এখন থেকে চেষ্টা করুন ২ টুকরো খাওয়ার। বাকি দুই টুকরোর স্থানে রাখুন সবজি ও ফল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194093891.jpg

৬. প্রতিদিন একটি আপেল, চিকিৎসককে দূরে রাখতে সাহায্য করবে- বহু পুরনো এই কথাটাই নতুনভাবে আবারো মনে করিয়ে দেওয়া হলো। ফলের মাঝে আপেলের বিকল্প নেই। এই ফলের স্বাদ সবার কাছে ভালো না লাগলেও, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অতুলনীয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194106249.jpg

৭. প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক চাপ, চারদিকের সবকিছু খুব বেশি অস্থির করে তুলছে? বই পড়তে, গান শুনতেও ইচ্ছা করছে না? বাম হাত শক্তভাবে মুঠি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। আবার খুলুন, আবার বন্ধ করুন। খুব সহজ এই পদ্ধতিতেই খেলোয়াড়রা নিজেদের শান্ত রাখেন ও মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194621626.jpg

৮. অফিসে কাজের পাহাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন, অস্থিরতায় কর্টিসলের মাত্রা বেড়েই চলেছে। চটজলদি ইউটিউবে ফানি ক্যাট ভিডিও দেখে ফেলুন। পনের-বিশ মিনিট সময় ব্যয় করুন এমন মজার ভিডিও দেখে। এরপর আবারও কাজের সমুদ্রে ঝাঁপ দিন। সাইকোলজি টুডে জানাচ্ছে, গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে বিড়ালের মজার ভিডিও মানসিক অস্থিরতা কমাতে কাজ করে ও আবারো কাজ করার উদ্যম ফিরিয়ে আনে।

৯. হুটহাট ছোটখাটো ক্ষুধাভাবকে তাড়াতে বেছে নিন বাদাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সমৃদ্ধ বাদাম খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ও প্রদাহ কমাতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194123306.jpg

১০. সানস্ক্রিনকে ভুলে গেলে একেবারেই চলবে না। খুবই প্রয়োজনীয় এই জিনিসটিকে প্রতিদিনের ব্যবহার্য অনুষঙ্গের মাঝে অবশ্যই রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: নিজের যত্নে অবহেলা নয়

আরও পড়ুন: যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র