Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোন দেশে কী খেয়ে দিন শুরু হয়

কোন দেশে কী খেয়ে দিন শুরু হয়
সুইজারল্যান্ডের ব্রেকফাস্ট, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সংস্কৃতি ভেদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সকালের নাস্তা হয়ে থাকে বিভিন্ন রকম। চলুন জেনে নেওয়া যাক উন্নত, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল কয়েকটি দেশের মানুষ কী খেয়ে দিন শুরু করেন।

সুইজারল্যান্ড
অন্যতম উন্নত এই দেশে ব্রেকফাস্টে সাধারণত বিরচুরেমুসেলি (birchermüesli) নামক ঐতিহ্যবাহী একটি খাবার খাওয়া হয়। এটি মূলত ফলমূল ও বাদামের সাথে জইয়ের (oats) মিশ্রন। এটি ঘন দইয়ের সাথে পরিবেশন করা হয়।

তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এদেশের মানুষ ব্রেকফাস্ট না করে বেশ বেলা করে সকাল ও দুপুরের খাবার একবারে খায়। এদিন রোস্তেয়ি (আলুর প্যানকেক), পনির এবং টেবিলের মাঝখানে থাকে জোফ (zopf)। এটি ডিম-পাউরুটি বিশেষ একটি খাবার, যা অনেকটাই রুটির মত। এই খাবার মধু, মাখন ও জ্যামের সাথে খাওয়া হয়।

ইথিওপিয়া
আফ্রিকার এই দেশে সাধারণত জাও খেয়ে দিন শুরু করা হয়। এছাড়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে ও ভাবে ভুট্টদানা খাওয়া হয়। এর মধ্যে জেনফো (genfo) অন্যতম।

Ethiopia-Breakfast

এটি হচ্ছে সেদ্ধ আটার ঘন মিশ্রন, যা পরে দলা পাকানো হয়। এটির মাঝখানে খানিকটা জায়গা রাখা হয়, যার মধ্যে মাখন ও বিভিন্ন মসলা দেওয়া হয়। মাঝে মাঝে এটির চারপাশে দই রেখে পরিবেশন করা হয়।

জাপান
দিনের অন্যান্য খাবরের চেয়ে জাপানি ব্রেকফাস্টের রকম ও রস কমে গেছে। বেশিরভাগ সকালেই তারা ঐতিহ্যবাহী খাবরের কিছু খেয়ে দিন শুরু করেন। বিভিন্ন মাছ যেমন স্যালমন, ম্যাকরল, মিসো স্যুপ, লবণ মিশ্রিত সবজি এবং ভাত রয়েছে এই তালিকায়। তবে মিষ্টি দিয়ে পাতলা করে ডিম ভাজিও বেশ জনপ্রিয়।

অস্ট্রেলিয়া
বিভিন্ন শস্য, আভাকাডো, সুস্বাদু টোস্ট এবং দেশটির ক্যাফে কালচারের নানা আইটেম থাকে অস্ট্রেলীয় ব্রেকফাস্টে। স্থানীয়ভাবে ব্রেকি (brekkie) নামে পরিচিত তাদের সকালের নাস্তা স্বর্গীয় বলে মনে হতে পারে!

Australian-breakfasts

এদেশের দিন শুরু হয় তরতাজা শস্য এবং পুষ্টি সমন্বয় করে তৈরি খাবার দিয়ে। গম জাতীয় শস্য, ডিম ও মসলাযুক্ত সবজি এবং ভাতও খাওয়া হয়। এগুলো ফল দিয়ে পরিবেশিত হয়। সাথে দৈনিক দুধ পান ভোলেন না দেশটির নাগরিকরা।

আর্জেন্টিনা
মেডিয়ালুনাস (medialunas), পেস্ট্রি, বোম্বাস (bombas) ও বোলাস ডি ফ্রেইলি (bolas de fraille) এদেশের জনপ্রিয় ব্রেকফাস্ট আইটেম। ডোনাট ও ঘন চকলেটও কম প্রচলিত না। অনেকে পেস্ট্রি ক্রিম ও ভ্যানিলার কাস্টারও খেয়ে থাকেন। তবে সব খাবারের সাথে এক কাপ কফি থাকবেই।

যুক্তরাষ্ট্র
বাটারমিল্ক মার্কিন মুল্লুকের বহুল প্রচলিত ব্রেকফাস্ট। সাথে থাকে মচমচে করে ভাজা শুকরের মাংস। কিছুটা লবণাক্ত ও সুমিষ্ট এই নাস্তা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে খুব প্রিয়। এটিকে আরও সুস্বাদু করে তোলার জন্য অনেক সময় চকলেট, মাখন ইত্যাদি দিয়ে পরিবেশন করা হয়।

American-breakfasts

রাশিয়া
সামুদ্রিক মাছের ডিম বা ক্যাভিয়ার হলো পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এই দেশটির প্রধান ব্রেকফাস্ট। আর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লাল বা কালো রঙের ক্যাভিয়ার নানাভাবে ওলাদি প্যানকেক (oladyi pancakes) আকারে খাওয়া হয়।

স্থানীয় সুমিষ্ট রাই রুটি (rye bread) দিয়েও খাওয়া হয় ক্যাভিয়ার। অনেক সময় মাখন দিয়ে মাখিয়েও খাওয়া হয় এটি। তবে প্রতিদিনের নাস্তার সাথে ব্ল্যাক টি অবশ্যই থাকে রাশিয়ানদের ব্রেকফাস্টে।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: দশ দেশের দশ ‘ঐতিহ্যবাহী’ খাবার

আরও পড়ুন: পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র