Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

পথশিশুদের মুখে আম তুলে দিতে ‘আমরা খাঁটি গরিব’

পথশিশুদের মুখে আম তুলে দিতে ‘আমরা খাঁটি গরিব’
ছবি: আমরা খাঁটি গরিব।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আসছে পাকা আমের মৌসুম। 

সবাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ি আম কিনবেন, পরিবারের মানুষের মুখে পাকা আম তুলে দেবেন। কিন্তু যে সকল শিশুরা পথে পথে ঘুরে বেড়ায়, দুই বেলা ঠিকভাবে ভাতের জোগান হয় না যাদের, তাদের মুখে পাকা আম তুলে দেবে কে? এমনটা কখনো ভেবেছেন কী?

এ বছরে পথ শিশুদের জন্যে বেশ চ্যালেঞ্জিং পথে নামছে ‘আমরা খাঁটি গরিব’ নামক প্রতিষ্ঠান ও এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে কাজ করা স্বপ্নবাজ মানুষেরা।

২০০৯ সালে বন্ধুদের গল্পে আড্ডায় পথশিশুদের জন্য কিছু করতে চাওয়ার প্রয়াস থেকে দুই বন্ধু রাকিব কিশোর ও রহিত হাসান কিশলু’র হাত ধরে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগটি ইতোপূর্বেও পথশিশুদের জন্য কাজ করেছে। বর্তমানে ‘আমরা খাঁটি গরিব’ উদ্যোগটির সার্বিক দেখভাল করছেন শাহাদাত জামান সৈকত, তিথি হোসেন ও নাসিরুল আলম মন্ডল। 

বার্তা২৪.কম থেকে সৈকতের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানালেন, ফেসবুকভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ২০০৯ থেকে শুরু হলেও মাঝে চার বছর বন্ধ ছিল। এই বছরে শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। সামনে আসছে ‘ফান্ড রেইজিং মেলা- আম উৎসব ২০১৯’ নামক মেলা। যে মেলায় অর্জিত আয় থেকে আম কেনা হবে পথ শিশুদের জন্য।

মূলত সাতটি বিভাগে চলে এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম। তবে এবারেই ঢাকা বিভাগের জন্য নেওয়া হয়েছে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। মেলার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে জড়িত স্বেচ্ছাসেবীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তৈরি করছেন বিভিন্ন ধরনের পণ্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/29/1559125521273.jpg

আগামী ৩১ মে (শুক্রবার) ২০১৯ এ পরিবাগে অবস্থিত সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একদিনের এই মেলাটি। হাতে তৈরি নানান ধরনের অলংকার, কি রিং, টিপ, ড্রিমক্যাচার, বাসন, হাতে আঁকা টি-শার্ট, হাতে মেহেদী দেওয়া এবং মেলায় তাৎক্ষণিকভাবে জুতায় পছন্দসই ডিজাইন আঁকিয়ে নেওয়াসহ পুরনো বইয়ের সংগ্রহ থাকবে মেলা জুড়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/29/1559125534949.jpg

সৈকত জানান, বরাবরই তাদের উদ্যোগে ভালো সাড়া পেয়েছেন। মানুষজন সম্মতি জানিয়েছেন এমন উদ্যোগে। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম নেই।

সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই মেলাটি চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। ঈদে নিজের জন্য কিংবা প্রিয়জনদের জন্য উপহার কেনার মাধ্যমে কোন পথশিশুর মুখে আম তুলে দেওয়া গেলে কিন্তু দারুণ হয়। আমরা খাঁটি গরিব প্রতিষ্ঠানটির চমৎকার এই উদ্যোগ সফল করতে সময় নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মেলার আয়োজন থেকে।

আরও পড়ুন: স্কুটি চালিয়ে দুই তরুণীর বাংলাদেশ জয়

আরও পড়ুন: অন্যরকম এক ‘চাঁদের হাট’

আপনার মতামত লিখুন :

জাপানিদের গড় আয়ু বেশি হওয়ার ৭ কারণ

জাপানিদের গড় আয়ু বেশি হওয়ার ৭ কারণ
চা পান জাপানিদের অন্যতম পুরনো একটি অভ্যাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানে নিহত হয় ২.৫ মিলিয়ন থেকে ৩.১ মিলিয়ন মানুষ।

এতো বড় একটি বিপর্যয়ের পরেও জাপানের মানুষ তাদের কঠিন অধ্যাবসায় ও সঠিক নিয়মের চর্চার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় এ দেশটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু সম্পন্ন দেশ হিসেবে প্রথম স্থানটি দখল করে নিয়েছে এবং বেশ লম্বা সময় ধরেই প্রথম স্থানটি এ দেশটির দখলে রয়েছে। কারণ অন্যান্য যেকোন দেশের তুলনায় দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয় জাপানের মানুষেরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ অনুযায়ী যেখানে জাপান প্রথম স্থানটি দখল করেছে (নারী ও পুরুষের গড় আয়ু ৮৩.৭) , সেখানে আমাদের বাংলাদেশের স্থান ১০২ নাম্বারে (নারী ও পুরুষের গড় আয়ু ৭১.৮)! একটা দেশের মানুষের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের পেছনে কাজ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা তাদেরকে লম্বা আয়ু পেতে ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা স্টাডি করে এমন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন সবার সামনে।

পর্যাপ্ত সবজি গ্রহণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566371517204.jpg

অন্যান্য যেকোন দেশের মতো বিভিন্ন ধরনের খাবার নয়, জাপানের খাদ্য তালিকায় বড় একটা অংশ জুড়েই থাকে তাজা শাক-সবজি, ফার্মেন্টেড সয়া, ভাত ও মাছ। যা থেকে পর্যাপ্ত ফাইটোকেমিক্যালস, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার এই নিয়ম খুব সহজেই দীর্ঘায়ু পেতে অবদান রাখে।

ব্যতিক্রম রান্নার ধরণ

সাধারণত জাপানিজদের খাবার তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকে স্টিমিং (ভাপে রান্না), ফার্মেন্টিং (গাঁজন), স্লো-কুকিং, প্যান গ্রিলিং ও স্টির ফ্রাইং। রান্নার এই ধরণগুলোতে প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদানের পুষ্টিগুণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অক্ষুণ্ণ থাকে। ফলে যা খাবার খাওয়া হয়, তা থেকে প্রায় সবটুকুই উপকারিতা শরীর পায়।

চা পানের সংস্কৃতি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566371494446.JPG

জাপানে বহু প্রজাতির চা পানের সংস্কৃতি বহু পুরনো। অন্যান্য দেশে যেখানে কফি পানকে আভিজাত্য হিসেবে দেখা হয়, জাপানে চা পানের সংস্কৃতিকে গড়ে তোলা হয়ে অভিজাত্যের সাথে। কফিতেও রয়েছে বহু স্বাস্থ্য উপকারিতা, তবে জাপানে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির চা তথা মাচা চা থেকে পাওয়া যাবে আরও অনেক বেশি উপকারিতা।

ফ্রেশ খাবার

আমরা দৈনিক যে খাবারগুলো খাই, তার কতটা ফ্রেশ হয় ভাবুন তো একবার। এদিক থেকে জাপানের মানুষেরা খুব কড়া নিয়ম মেনে চলে। তাদের প্রতিটি খাবার একদম ফ্রেশ উপাদানে তৈরি হওয়া চায়। এমনকি বাজারজাত খাবার তৈরি হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তারা খাবার খেয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী খাবার তৈরি করা হয়। ফলে বাড়তি খাবার থাকে না। স্বাভাবিকভাবেই ফ্রেশ খাবার শরীরে বাড়তি শক্তি জোগাতে কাজ করে।

তুলনামূলক ছোট পাত্র

খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মাঝে রাখা জাপানি সংস্কৃতির অনেক বড় একটি অংশ। তারা ছোট পাত্রে চপস্টিক ব্যবহারের মাধ্যমে খাবার খায় এবং পাত্রে খাবারও নেয় পরিমাণে কম। এছাড়া জাপানিরা একদম পেট ভরে খাবার না খেয়ে, পেটের কিছু অংশ খালি রেখে দেয়। এতে করে খাবার পরিপূর্ণভাবে হজম হয়।

বেশি শারীরিক কার্যক্রম

বেশিরভাগ জাপানিরা নিকটতম বাসস্টেশনে হেঁটে যায়, এরপর ট্রেনে উঠে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করে এবং ট্রেন থেকে নেমে হেঁটে অফিসে যায়। প্রতিদিন সকালে এই নিয়ম মেনে চলার ফলে সকালের শরীরচর্চার অনেকখানি পূরণ হয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এতে করে শরীর ও মন চাঙা হয়ে ওঠে, ফলে কর্মশক্তি ফিরে পাওয়া যায়।

নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপ

জাপানের নাগরিকেরা নিয়মিত ডাক্তারের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এ নিয়মে কোন হেরফের হয় না। ফলে সামান্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলেও, তা দ্রুত সমাধান করে ফেলা হয়। এতে করে বড় ধরনের কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয় না।

আরও পড়ুন: যে তিনটি সময়ে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে
ছবি: সংগৃহীত

যে কাজটি সেই ছোটবেলা থেকেই করে আসছেন, সেটা সম্পর্কেও থেকে যেতে পারে সঠিক তথ্য ও নিয়ম জানার ভুল।

সঠিক নিয়ম ও তথ্য জানার জন্য বিশেষ ও নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তাই আজকের এই ফিচারটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন নিজেকে ও নিজের নখকে সুস্থ রাখা সঠিক পদ্ধতি।

নখ কাটার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো আগে একটা প্রশ্ন রাখা যাক। আপনি কী নখ খুব বেশি গভীর করে কাটেন, অর্থাৎ নখের নিচের নরম অংশ বা কিউটিকল পর্যন্ত বা সেটা ছাড়িয়ে? উত্তর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইতিবাচক হবে। কারণ ছোট থেকেই আমাদের শেখানো হয়, নখ কাটতে হয় একদম সম্পূর্ণ গোঁড়ার অংশ থেকে।

কিন্তু এভাবে নখ কাটা একেবারেই অনুচিত। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটলোজি জানাচ্ছে, কিউটিকল পর্যন্ত গভীর করে নখ কাটার ফলে নখ ও নখের পাশেপাশের নমনীয় স্থান খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এতে করে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

সঠিকভাবে নখ কাটার জন্য মূলত চারটি নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। দেখে নিন নিয়ম চারটি।

নখ ভিজিয়ে রাখা

নখ কাটার পূর্বে অবশ্যই মিনিট পাঁচেকের জন্য কুসুম গরম পানিতে নখ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পায়ের নখ হাতের নখের চাইতে তুলনামূলক বেশি মোটা হওয়ায় দশ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে নখ নরম যাবে এবং নখ কাটতে সুবিধা হবে।

নিয়মিত ট্রিম করা

নখের দুই পাশের অংশ হালকা কেটে অনেকেই নখ লম্বা করতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে ডার্মাটলোজিস্ট শারি লিপনার জানান, লম্বা নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সঠিক আকৃতিতে নখ ছোট রাখাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এতে করে নখ ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

নখ পরিষ্কার থাকা চাই

শুধু নখ কেটে সঠিক আকৃতিতে রাখাই যথেষ্ট নয়, নখের ভেতরের ও চারপাশের অংশ পরিষ্কার থাকা চাই। নখের ভেতর জমে থাকা ময়লা থেকেই নখে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও ইনফেকশন হতে পারে।

ফাইলিং করা জরুরী

আমাদের দেশে সাধারণত নিয়মিত নখ কাটা হলেও নখ ফাইলিং করা হয় না একেবারেই। কিন্তু নখকে মসৃণ ও দৃঢ় রাখতে চাইলে নখ কাটার পর ফাইলিং করার কোন বিকল্প নেই। এতে করে নখ দেখতেও সুন্দর লাগে।

আরও পড়ুন: ডিম ভাঙার সঠিক নিয়মটি জানেন তো?

আরও পড়ুন: বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র