Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঈদে ঘর গোছাতে ফেলে দিন অপ্রয়োজনীয় জিনিস

ঈদে ঘর গোছাতে ফেলে দিন অপ্রয়োজনীয় জিনিস
পুরনো পুতুল ও খেলনা সরিয়ে ফেলতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, ঘরদোর পরিষ্কার ও গোছগাছের সময় ততই এগিয়ে আসবে।

ঈদের দিন পুরো বাড়ি যেন তকতকে থাকে সেই প্রচেষ্টা থাকে সবার মাঝে। আত্মীয় ও মেহমানেরা যেন বাসায় ঢুকেই প্রশান্তি অনুভব করেন, এমনটাই চাওয়া থাকে সকলের।

কিন্তু বাসাবাড়ি পরিষ্কার করা ও গোছানো খুব একটা সহজ কাজ নয়। এমনকি অল্প সময়ের মাঝেও শেষ করা সম্ভব নয়। হাতে সময় নিয়ে পরিকল্পনা করে তবেই পুরো বাসাবাড়ি গুছিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

আজকের ফিচারে তাই তুলে ধরা হলো এমন কিছু অপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম, যা আপনার বাড়িতে প্রয়োজনে পরে রয়েছে এবং ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে। এই সকল জিনিসগুলো আলাদাভাবে গুছিয়ে ফেলে দিলেও, ঘরে অনেকটা খালি জায়গা তৈরি হবে।

খালি বোতল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/29/1559117258042.jpg

অবশ্যই প্রথমেই এই জিনিসটি ঘরের আনাচেকানাচে থেকে খুঁজে বের করুন। একদম ছোট-বড় সকল সাইজের কোমল পানীয় ও জ্যুসের খালি বোতল পাওয়া যাবে বাসাতে। এই বোতলগুলো বেশিরভাগ সময়েই রিইউজেবল থাকে না এবং প্লাস্টিকের বোতল হওয়ার দরুন এগুলো ব্যবহার করাও উচিৎ হবে না। তাই এগুলো আগে ফেলে দিন।

পুরনো খেলনা-পুতুল

ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য অনেকেই স্টাফড টয় তথা বিভিন্ন ধরনের পুতুল কিনে থাকেন। একটা নির্দিষ্ট সময় পরে এই পুতুলগুলো পুরনো ও নষ্ট হয়ে যায়। বহু দিনের পুরনো পুতুলগুলো ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পরিবর্তে ঘরের স্বাভাবিক সৌন্দর্য অনেকটাই কেড়ে নেয়। তাই এগুলোও ফেলে দিতে হবে।

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য

কোনভাবেই মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহার করা উচিৎ হবে না। এই জিনিসগুলো সংগ্রহে রাখলে অহেতুক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই সকল জিনিস ব্যবহারে ভয়ানক ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে। ঈদের গোছগাছে মেয়াদোত্তীর্ণ যেকোন ধরনের পণ্য ফেলে দিন। সেটা হতে পারে খাদ্যদ্রব্য, মেকআপ পণ্য, ওষুধ কিংবা ক্লিনিং পণ্য।

রেফ্রিজারেটরের জিনিসপত্র

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/29/1559117387277.jpg

বাসার ফ্রিজটি খুলে দেখুন একবার। কতদিন আগের সস, মেয়নেজ কিংবা চিজ পরে রয়েছে। খুঁজলে মাস দুয়েক আগের জ্যুসের কার্টুনও হয়তো পাওয়া যাবে। শুধু ফ্রিজ নয়, রান্নাঘরে কিংবা খাওয়ার টেবিলেও এমন অসংখ্য মশলার কৌটা পরে রয়েছে, যার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অথবা বহুদিন হয়ে গেছে বিধায় নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো সরিয়ে ফেলুন।

পুরনো পেপার ও ম্যাগাজিন

বসার ঘরেই হয়তো স্তুপ আকারে জমে আছে পুরনো খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন। যেগুলা কোন কাজে তো আসেই না, বরং ঘরে বাড়তি স্থান দখল করে রয়েছে। এমন ধরনের জিনিসগুলো ঘরে জঞ্জাল তৈরি করে। এই খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, খাতা বা বই পুরো বাসা খুঁজে একত্রে করে বিক্রি করে দিন এর মাঝেই।

ভাঙা ও পুরনো শো-পিস

খুব প্রিয় কোন শো-পিস হালকা ভেঙে গেলেও আমরা সেটা রেখে দেই। ফেলে দিতে মায়া লাগে যে! কিন্তু এই ভাঙাচোরা জিনিসগুলো খুব সন্তর্পণে ঘরের সৌন্দর্যকে কমিয়ে দেয়। তবে এমন ধরনের জিনিসগুলোকে বিদায় জানানোই শ্রেয়।

আরও পড়ুন: চিনির বিকল্পে চার উপাদান

আরও পড়ুন: হিমশিম খাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে?

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র