Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

সকালে খালি পেটে কলা খেলে কী হয়?

সকালে খালি পেটে কলা খেলে কী হয়?
কলা, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সকালের নাশতা খাওয়ার অভ্যাস নেই অনেকের।

অফিস কিংবা ক্লাসের জন্য বের হওয়ার আগে অনেকেই খালি পেটে একটি কলা খেয়ে নেন। কিন্তু সকালের নাশতায় একদম খালি পেটে কলা খাওয়া উচিৎ নাকি অনুচিত সেটা জানা না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে নিজেকে।

পর্যাপ্ত পটাশিয়াম, ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়ামসহ অন্যান্য উপকারী পুষ্টি উপাদান উপস্থিত থাকার পরেও সকালে সম্পূর্ণ খালি পেটে কখনোই কলা খাওয়া উচিৎ নয়। এমনটাই জানাচ্ছে বিভিন্ন তথ্যসূত্র ও বিশেষজ্ঞরা। এর পেছনে মূলত তিনটি বড় কারণ রয়েছে। কারণগুলো তুলে ধরা হলো।

১. বিভিন্ন ধরনের ফলের মাঝে কলাতে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রাকৃতিক চিনি। যার ফলে কলা বেশ মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। খালি পেটে কলা খাওয়ার ফলে শরীরে সরাসরি এই চিনি কাজ করা শুরু করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে শরীর অনেক এনার্জি পায়। তবে এই এনার্জি কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যায় বলে ক্লান্তিভাব দেখা দেয়।

২. কলায় থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ, ফলে মাঝারি আকৃতির একটি কলা খেলেই পেট ভরে যায়। অল্পতেই পেট ভরে যায় বলে হুট করে ঘুমভাব ও দুর্বলতা দেখা দেয় অনেক সময়।

৩. কলাতে প্রাকৃতিকভাবে অ্যাসিডিক উপাদান উপস্থিত থাকে। ফলে খালি পেটে কলা খাওয়ায় এই অ্যাসিডিক উপাদানের দরুন বুক জ্বালাপোড়াসহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/27/1558953563171.jpg

পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের নাশতায় কলা খুব চমৎকার একটি খাদ্য উপাদান। এতে থাকা পটাশিয়াম ও এর অ্যাসিডিক উপাদান সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু কলা খালি পেতে খাওয়া যাবে না মোটেও। অন্যান্য খাবার তথা লাল আটার রুটি, পাউরুটি, ওটস, ড্রাই ফ্রুটিস অথবা অন্যান্য ফলের সাথে খেতে হবে। এতে করে কলার অ্যাসিডিক উপাদান পাকস্থলীতে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে পারবে না।

এছাড়া কলাতে থাকা উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম রক্তে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রায় তারতম্য ঘটাতে পারে। যা পরবর্তীতে হৃদরোগ তৈরির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই সমস্যাটি এড়াতেও কলা সকালে খালি পেটে কলা খাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা পালন করতে হবে।

এদিকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র জানাচ্ছে শুধু কলা নয়, যে কোন ফলই সকালে খালি পেটে খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বর্তমানে আমরা যে সকল ফল খাই, তার বেশিরভাগেই থাকে নানান প্রকারের কেমিক্যাল উপাদানের উপস্থিতি। যা সম্পূর্ণ খালি পাকস্থলীতে খুব দ্রুত নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করা শুরু করে।

আরও পড়ুন: আর নয় একই তেলে বারবার খাবার ভাজা

আরও পড়ুন: বার্গার খাওয়ার পর কী ঘটে শরীরে?

আপনার মতামত লিখুন :

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র