Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু
দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্যাটু
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সৌন্দর্যবর্ধনে শরীরে ট্যাটু করার হার বাড়ছে দেশে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু ট্যাটু স্টুডিও। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সেবা গ্রহণ করছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। যা প্রতি বছর বাড়ছে ১০ শতাংশ হারে।

তুলির বদলে রোটারি মেশিন আর ক্যানভাসের বদলে শরীর। পার্থক্য শুধু এটুকুই। আর বাকি পুরোটাই শিল্প। যেখানে পদ্মফুল ফুটে উঠে ট্যাটু হয়ে। এই অঞ্চলে যার পরিচিতি উল্কি হিসেবে।

যদিও তা আকার প্রচলন একদমই ছিল না দশ বছর আগেও। তবে রাজধানী ঢাকা আর দেশের বড় শহরগুলোতে তরুণদেরকে কেন্দ্র করে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775086866.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী ও অলিন ট্যাটু স্টুডিওর সত্ত্বাধিকারী সাদমান তৌহিদ অলিন ২০০৮ সালে শখের বসে ট্যাটু আকা শুরু করেন।

তিনি জানালেন, আমি যখন শুরু করি, তখন ট্যাটু সর্ম্পকে মানুষের ধারণাটা খুব বেশি পরিস্কার ছিল না। অনেকেই মনে করতো এটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে করে, আবার অনেকেই মনে করতো এটি কেটে করে। কেউ কেউ ভাবতো অন্য কোন ভাবে শরীরে ট্যাটু আঁকা হয়।

আমার অধিকাংশ গ্রাহক ছিল সঙ্গীতাঙ্গনের মানুষরা। তখন মাসে একজন দুজন করে এসে ট্যাটু আঁকাত। সেখান থেকেই প্রবৃদ্ধি শুরু হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775148488.jpg

অলিন আরও বলেন, এখন পরিস্থিতি অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে।

শিল্পীদের হিসাবে রাজধানীতে ছোট-বড় পাঁচটি ট্যাটু স্টুডিও গড়ে উঠেছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রয়েছে একটি। এসব স্টুডিওতে প্রতিমাসে প্রায় তিনশ গ্রাহক ট্যাটু আঁকছেন। এদের ৭০ শতাংশই নারী। অধিকাংশের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ট্যাটু করাতে আসেন ৫০-৬০ বছরের মানুষও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ট্যাটু করার খরচ খুব বেশি নয়। ট্যাটু আর্টিস ভালো সেবা দিচ্ছে। এসব কিছুর পর আমি কেন বিদেশে যাবো। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে অনেক শিল্পী এখন প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণও নিয়ে এসেছে। গড়ে তুলেছে নিজেদের স্টুডিও। যেখানে সবচেয়ে ছোট আকারের ট্যাটুর খরচ আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।

যা কম বেশি হয়, ট্যাটুর ডিজাইন, আকার আর অবস্থান ভেদে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558775196498.jpg

ইঙ্কপার্ক ট্যাটু স্টুডিওর শিল্পী অভিজিৎ সাহা বলেন, বড় আকারের ট্যাটু এখনো খুব বেশি মানুষ করে না। ৫ থেকে ৭ আর ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার ট্যাটুই মানুষ বেশি করে।

তিনি আরও বলেন, আমি সারা মাসের কথা চিন্তা করলে লাখ খানেক টাকার ট্যাটু করা যায়। যদি সঠিক ভাবে কাজটি করি।

সাদমান তৌহিদ অলিন বলেন, আগে মানুষ একটি ট্যাটু করার জন্য দেশের বাইরে যেত। এখন দেখা যাচ্ছে, ট্যাটুটা আমাদের কাছ থেকে করছে। আমার কাছ থেকে না করলে অন্য কারো কাছ থেকে করছে। কিন্তু দেশেই ঘোরাফেরা করছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে বিশ্বমানের কিছু শিল্পী আনার চেষ্টা করবো। যাতে মানুষ বিদেশে না গিয়ে বলতে পারে তুমি ভালো ট্যাটু করার জন্য বাংলাদেশে যাও।

শিল্পীরা জানান, ব্যক্তির চাহিদার উপর নির্ভর করেই একেকটি ট্যাটুর নকশা চুড়ান্ত করা হয়। যা আঁকা হয় শতভাগ নিরাপদ পদ্ধতিতে।

আপনার মতামত লিখুন :

আঙুরের সাতকাহন 

আঙুরের সাতকাহন 
আঙ্গুর ফল

আঙুর ফলের গোড়াপত্তন শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই ফলের বাহারি রঙের মাত্রায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ  এই ফল আপনার হার্টকে রাখে সুস্থ।

আঙুরের সাত গুণাবলি--

 

গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ থেকে মুক্তি-

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু হয় বাতের ব্যথা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য। রোগের সূত্রপাত হিসেবে ধরা হয় গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহকে। দেহের প্রতিরক্ষাকারী কোষগুলোকে নষ্ট করে, ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগে ভোগায় এই প্রদাহ। গবেষণা বলছে, আঙুর হতে পারে গ্যাসের ব্যথার স্থায়ী সমাধান।

২৪ জন পুরুষের মধ্যে চালানো একটি জরিপে দেখা যায়, প্রতিদিন ১.৫ কাপ আঙুরের রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে আঙুরের গুঁড়া শরীরের গ্যাসের প্রদাহকে কমিয়ে দেয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452636554.jpg

বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়-

এক গবেষণায় দেখা যায়, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম করে আঙুর ফল ১১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে খাওয়ানোর ফলে তাদের স্মৃতি, মনোযোগ এবং  বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটেছে।

এমনকি প্রতিদিন আঙুর ফল আপনার মেজাজকে রাখে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি ব্লাড সুগারের মাত্রাকেও পরিমিত পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করে:

হাড়ে লবণের মাত্রাকে ঠিক রেখে ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। হাড়ে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452652760.jpg

ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া  ধবংসকারী:

দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন ঘটায়, এমন ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়। ফলে মৌসুমি ঠাণ্ডা কাশি কিংবা জ্বর আপনাকে কাবু করতে পারবে না। এমনকি আঙুর ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বৃদ্ধি-

ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে আঙুর ফল। বেটাকেরোটিন, লুটিন ,এলাজিক এসিড সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘস্থায়ী রোগকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452669126.jpg

তারুণ্য ধরে রাখে-

আঙুর ফলের পুষ্টিগুণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে আঙুর। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

আঙুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার,  এবং অ্যান্টি অক্সিজেন রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারো আঙুর ফল। এমনকি গ্রীষ্মের দিনগুলোতে ঠাণ্ডা আঙুর হতে পারে দারুণ একটা নাস্তা।

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস
ক্যাকটাস গাছ, ছবি: সংগৃহীত

ঘরের শোভা বর্ধনের জন্য কিংবা ভালোবেসে, শখের বশে গড়ে তোলা হয় ক্যাকটাসের সংগ্রহ।

নানা প্রজাতির, আকৃতির, ঘরানার ক্যাকটাস প্রীতি বেশি দেখা যায় শহুরে এলাকার মানুষদের মাঝে। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দায় কিংবা প্রশস্ত জানালা ঘেঁসে ছোট-মাঝারি টবে বানান নিজস্ব ক্যাকটাস বাগান।

সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত দেখাশোনা করা হলে প্রতিটি ক্যাকটাসের গাছ খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। ক্ষেত্র বিশেষে ও বিশেষ প্রজাতির ক্যাকটাসের ক্ষেত্রে ক্যাকটাসে বর্ণীল ফুলের দেখাও দেয়।

তবে সমস্যা হলো- ক্যাকটাস কষ্ট সহিষ্ণু উদ্ভিদ হলেও, অসাবধানতার দরুন ক্যাকটাস মরে যায়। প্রিয় জিনিসটি চোখের সাথে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়া খুবই কষ্টের। যত্নে গড়ে তোলা প্রিয় ক্যাকটাসটির পরিচর্যায় ও যত্নে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন, এখানে তার কয়েকটি আলোচনায় রাখা হলো।

দ্রুত পানি দেওয়া

বেখেয়ালে প্রায় সময় ক্যাকটাসে দীর্ঘদিন পানি দেওয়া হয় না। এতে ক্যাকটাস শুকিয়ে যায়, কুঁচকে যায়, মরমর দেখায়। এমনটা হলে যত দ্রুত সম্ভব গাছে পানি দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে ক্যাকটাসের টবের নিচের অংশের ছিদ্র দিয়ে বাড়তি পানি যেন বেরিয়ে যেতে পারে। একইসাথে ক্যাকটাসটিকে খোলামেলা আলো ও বাতাসযুক্ত স্থানে রাখতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ কেটে ফেলা

ক্যাকটাসটির কোন অংশ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় তবে উক অংশটি সযত্নে কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। নতুবা উক্ত স্থান থেকে ভালো অংশেও পচন ধরে যাবে। ক্যাকটাসের কোন অংশে যদি ফাংগাসের মতো দেখা দেয়, বাদামী বা কালচে হয়ে আসে তবে বুঝতে হবে উক্ত স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448789213.jpg

সরু অংশ রোদে রাখা

ক্যাকটাসের জন্য রোদের আলো অপরিহার্য। ক্যাকটাস যত বাড়তে থাকে, ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা। অনেক সময় একই টবে ক্যাকটাস অনেক বেশি বড় হয়ে গেলে ক্যাকটাসের ছোট অংশ রোদের আলো ঠিকমতো পায় না। সে অংশগুলোকে রোদের আলো দেওয়ার জন্য বেশি করে রোদের দিকে মুখ করে রাখতে হবে।

মাটি শুষ্ক হলেই পানি

বাড়তি পরিচর্যার ফলে অনেকেই ক্যাকটাসের টবে এক-দুই দিন পরপরেই পানি দিতে থাকেন। এতে করে ক্যাকটাসের গোড়া থেকে পচন ধরে যায়। খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাকটাসের টবে মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই তাতে পানি দিতে হবে। তার আগে নয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448770099.jpg

বড় টবে স্থানান্তরিত করা

ক্যাকটাস বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা এবং সেই সকল শাখাও বড় হতে থাকে। এভাবে ছোট ক্যাকটাসটিই এক সময় বিশাল আকৃতি ধারণ করে। ক্যাকটাস যত বড় হবে, তার জন্য তত বড় ও প্রশস্ত টবের প্রয়োজন হবে। নতুবা অপর্যাপ্ত স্থানের দরুন ক্যাকটাস ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।

ক্যাকটাসের শরীর পরিষ্কার করা

ক্যাকটাসের শরীর জুড়ে কাঁটা থাকার দরুন এতে খুব সহজেই ধুলা-ময়লা চুল আটকে যায়। ধুলা-ময়লার স্তর পুরু হয়ে গেলে অনেক সময় ক্যাকটাস রোদের আলো শোষণ করে সালোকসংশ্লেষণ করতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই ক্যাকটাসের টবে যেদিন পানি দেওয়া হবে, সেদিন পানির ঝাপটা দিয়ে ক্যাকটাসের পাতা ও শাখাপ্রশাখাগুলো পরিস্কার করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সারে সতেজ গাছ

আরও পড়ুন: খোসা ছাড়ানো আলু বাদামি হয়ে যাচ্ছে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র