Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো
চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে যত্ন নিতে হবে খাদ্যাভ্যাসের প্রতি।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের সাথে নানা ধরনের চুলের কাটের প্রচলন আসলেও, লম্বা চুলের আবেদনটি সবসময়ই থাকে।

ঘন, উজ্জ্বল, শক্ত ও লম্বা চুলের প্রতি আকর্ষণ এড়ানো সহজ নয়। একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের চুল প্রতি মাসে বৃদ্ধি পায় ০.৫ ইঞ্চি পরিমাণ এবং প্রতি বছরে প্রায় ৬ ইঞ্চি পরিমাণ। এক্ষেত্রে বয়স, স্বাস্থ্য, জেনেটিক্যাল গঠন, হরমোন ও খাদ্যাভ্যাস অনেকটা নির্ভর করে।

কিছু বিষয় আমাদের হাতে নেই। যেমন জেনেটিক্যাল গঠন। তবে যদি বলা হয় সুস্বাস্থ্যজনিত ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়, সেক্ষেত্রে খুব ভালোভাবেই নিজেরাই যে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

যেখানে অস্বাস্থ্যকর ও তুলনামূলক কম পুষ্টিকর খাবার চুলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধির হার কমিয়ে দেয়, সেখানে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। যে খাবারগুলো চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সে খাবারগুলোর উপস্থিতি রাখার চেষ্টা করতে হবে।

ডিম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164237926.jpg
ডিম

 

প্রোটিন ও বায়োটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হলো ডিম। এই দুইটি উপাদানই চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন চুলের ফলিকল তৈরিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে বায়োটিন চুলের প্রোটিন তথা কেরাটিন উৎপাদনে কাজ করে। তাই শুধু নিজেকে সুস্থ রাখতে নয়, চুলের বৃদ্ধির জন্যেও জিংক, সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

পালং শাক

সবুজ অন্যান্য সকল শাকের মাঝে পালং শাক থেকে চুলের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। ফলেট, আয়রন, ভিটামিন- এ ও সি সমৃদ্ধ এই শাক চুলের বৃদ্ধিতে দারুণ ভূমিকা পালন করে। মাত্র এক কাপ (৩০ গ্রাম) পালং শাক থেকেই একদিনের মতো যথেষ্ট ভিটামিন-এ পাওয়া যাবে। এছাড়া আয়রন চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি লোহিত রক্ত কণিকায় অক্সিজেন বহন করতে ও মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে কাজ করে।

তৈলাক্ত মাছ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164265337.jpg
তৈলাক্ত মাছ

 

যেকোন মাছ নয়, বরং তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, যে সকল নারীরা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছিলেন, তাদের চুল পড়ার হার কমে যায়, চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

মিষ্টি আলু

বেটা-ক্যারোটিনের দারুণ এক প্রাকৃতিক উৎস হলো মিষ্টি আলু। যা শরীরে প্রবেশের পর ভিটামিন-এ তে পরিণত হয়। আর এটা তো জানা কথা যে, চুলের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন-এ খুবই প্রয়োজনীয়।

বাদাম

সকালে কিংবা বিকালের নাশতায় এক মুঠো বাদাম খাওয়ার অভ্যাসটি খুবই স্বাস্থ্যকর। এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসটিই চুলের প্রয়োজনে আসবে। বাদামের পুষ্টি গুণাগুণের মাঝে ভিটামিন-ই পাওয়া যাবে ৩৭ শতাংশ। এছাড়া ভিটামিন-এ, বি, জিংক ও অন্যান্য এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে সুস্থ রাখতে ও চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে কাজ করে।

মুরগীর মাংস

প্রাণীজ প্রোটিনের মাঝে মুরগীর মাংস থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ উপকারী প্রোটিন পাওয়া যাবে। যা কেরাটিন তৈরিতে অবদান রাখে। এই উপাদানটি চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন: খেতে হবে ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার

আরও পড়ুন: ক্যান্সারের বিপক্ষে কাজ করবে যে খাদ্য উপাদানগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

বয়স যখন চল্লিশ!

বয়স যখন চল্লিশ!
চল্লিশ বছরেও থাকা যায় প্রাণবন্ত, ছবি: সংগৃহীত

সময় এতো দ্রুত পার হয়ে যায় যে, মাঝে মাঝেই খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও মেনে নিতে হয় সময়ের গতিকে। এই সেদিন মাত্র দুই বেণী ঝুলিয়ে যে মেয়েটি স্কুলে ছুটেছে, তাকেই আজ নিজের মেয়েকে নিয়ে যেতে স্কুলে! কিছু বুঝে ওঠার আগেই বয়স বিশ ও তিরিশের কোঠা পেরিয়ে চল্লিশের ঘরে চলে আসে। চল্লিশ বছর! একেবারেই কম নয় কিন্তু! তারুণ্য ও যৌবনকে যেন এই বয়সটা অনেকখানি পেছনে ফেলে দেয়। ঠিক এই কারণেই চল্লিশ বছর বয়সে জীবনে, মনোভাবে এমনকি চেহারাতেও বড়সড় পরিবর্তন দেখা দেয়।

সামনেই কি আপনার বয়স চল্লিশ বছর হবে? তাহলে চোখ বুলিয়ে নিন আজকের ফিচারটিতে। যেখানে আলোচনায় রাখা হয়েছে চল্লিশ বছর বয়সে যে পরিবর্তনগুলো দেখা দিয়ে থাকে।

ওজন কমবে না সহজে

একটা বয়স পর্যন্ত নিত্যদিনের রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই ঝটপট ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব হতো। কিন্তু বয়স যখনই চল্লিশের ঘর ছুঁয়ে দিবে, ওজনকে কোনভাবে কমানো সম্ভব হবে না। এক সপ্তাহ টানা ৫০০ ক্যালোরি ডায়েট চার্ট মেনে চললেও এক কেজি ওজন কমতে চাইবে না। কিন্তু এক চামচ বাড়তি খাবার খেলেও ওজন বেড়ে যাবে অবিশ্বাস্যভাবে। এমনটা হওয়ার কারণ হলো, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরের মেটাবোলিজমের মাত্রা কমতে থাকে। বয়স চল্লিশে পোঁছালে মেটাবলিজমে হার লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পায় বলেই ওজন নিয়ে বিড়ম্বনা দেখা দেয়।

নিজেকে ভালোভাবে বুঝতে পারা

প্রতিটা মানুষই জীবনের বেশ অনেকখানি সময় পার করেন নিজের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে। ‘কে আমি’, ‘কী হতে চাই আমি’, ‘কী এই জীবনের লক্ষ্য’, ‘কোন কাজে আগ্রহ আছে’, ‘কী করতে ভালোবাসি’ এমনতর হাজারো প্রশ্নের মাঝে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

কিন্তু জীবনের চল্লিশটি বছর পার করে ফেলার মাঝে এই বিষয়টি অনেকটাই আয়ত্ত্বে চলে আসে। এতোদিনে কোন কাজটি পছন্দ, সেটা জানা হয়ে যায়। নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে জানা হয়। নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝা যায়। যে বিষয়ে দ্বিধাদন্দ কাজ করতো, সে বিষয়ে পরিস্কার ধারণা চলে আসে।

কোন কিছু মনে রাখা দারুণ চ্যালেঞ্জিং

স্কুল, কলেজ কিংবা ভার্সিটিতে পড়ার সময় যেখানে কোন একটি কথা শুনলেই মনে থাকতো, সেখানে এখন একই কথা বারংবার বলা হলেও মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। চল্লিশ বছর বয়সে মস্তিষ্ক অনেকটাই যেন অচেনা হয়ে যায়। প্রখর স্মৃতিশক্তিও হুট করে নেই হয়ে যায়। সন্তানের স্কুলের পড়া দেখিয়ে দেওয়ার সময়ে দেখা যায়, পারা অংকর সূত্রটাও যেন আর মনে আসছে না।

কোনো বিষয়ে বিচলিত না হওয়া

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561561335049.jpg

সত্যি বলতে, এই বয়সে আশেপাশের কথায়, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা একেবারেই কমে যাবে। বয়স যখন কম ছিল, তখন এই আপনিই অন্যের মতামতকে নিজের মতামতের চাইতেও বেশি প্রাধান্য দিতেন। অথচ এখন যেন গায়েই মাখেন না একদম। এছাড়া যেকোন বিষয়ে, ঘটনায় ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা প্রবলভাবে দেখা দিবে। সবাইকে সবার মতো থাকতে দিয়ে নিজেকে নিজের মতো করে সময় দেওয়ার প্রতিই থাকবে মূল লক্ষ্য।

চেহারার পরিবর্তনটা চোখে পড়বে খুব বেশি

বয়স বিশের কোঠা পেরুলেই চেহারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। তবে এই পরিবর্তনটা সবচেয়ে বেশি দেখা দেবে বয়স যখন চল্লিশে পড়বে। হুট করেই চোখের পাশে, ঠোঁটের পাশে ভাঁজ দেখা দেবে। ত্বকের মেলানিন যেন আর কাজই করছে না- এমনটা মনে হবে। এতে মন খারাপের কিচ্ছু নেই। প্রতিটা বয়সের আলাদা সৌন্দর্য আছে। সেটাকে বুঝতে হবে ও মেনে নিতে হবে।

কোনটি গুরুত্বপূর্ণ- সেটা বুঝতে পারা

নিজের গণ্ডি, আপন জগত, পরিবারের মানুষ, প্রিয় মানুষ, সন্তান, ক্যারিয়ার, সংসার- এগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে আপনার জীবনে। মিথ্যে আশ্বাস, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও নানা রকম ভনিতা এ বয়সের মাঝেই অনেকখানি দেখা হয়ে যায়। ফলে খুব সাধারণ ও সহজভাবেই জীবনে কে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কোন জিনিসটি কতটা গুরুত্ব বহন করে সেটা অনুধাবন করা সম্ভব হয়। এখানে এসে বলতেই হয়, চল্লিশ বছর বয়স হিসেবে অতোটাও খারাপ নয়!

আরও পড়ুন: যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

আরও পড়ুন: অলসতা ঝেড়ে ফেলুন আজ থেকেই

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি
জিলাপি, ছবি: সংগৃহীত

পছন্দের ও পুরনো ঘরানার মিষ্টান্নের মাঝে প্রথমেই মাথায় আসবে জিলাপির কথা।

রসে টইটম্বুর, গরম ও মুচমুচে জিলাপির তুলনা হয় না। অনেকে মিষ্টি ঘরানার খাবার মাঝে শুধু জিলাপি খেতেই পছন্দ করেন।

কিন্তু মনমতো জিলাপি খুঁজে পাওয়াও বেশ ঝক্কির কাজ। খোঁজাখুঁজি বাদ দিয়ে ঘরেই কিন্তু তৈরি করে নেওয়া যাবে গরম গরম জিলাপি। একদম পারফেক্ট ও সুস্বাদু জিলাপি তৈরির জন্য দেখে নিন আজকের রেসিপিটি।

জিলাপি তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554595535.JPG

১. এক কাপ ময়দা।

২. দেড় টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার।

৩. দেড় টেবিল চামচ ময়দা।

৪. দুই টেবিল চামচ ঘি।

৫. এক চিমটি লবণ।

৬. এক চা চামচ চিনি।

৭. এক চা চামচ ইস্ট।

৮. এক কাপ পরিমাণ গরম পানি।

৯. কমলা ফুড কালার (ঐচ্ছিক)

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554614844.JPG

১. দেড় কাপ চিনি।

২. এক কাপ পানি।

৩. তিনটি লবঙ্গ।

৪. দুইটি এলাচ গুঁড়া।

৫. এক চিমটি পরিমাণ জাফরান (ঐচ্ছিক)

জিলাপি যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554627238.JPG

১. আধা কাপ পরিমাণ গরম পানিতে চিনি ও ইস্ট মিশিয়ে ঢেকে রেখে দিতে হবে।

২. বড় একটি পাত্রে ময়দা, বেসন ও লবণ একসাথে মেশাতে হবে। এতে ঘি মিশিয়ে পুনরায় মেশাতে হবে। এতে ইস্ট মিশ্রিত পানি মিশিয়ে হুইস্ক করতে হবে। এতে গরম পানি মিশিয়ে প্যানকেকের মতো স্মুদ ব্যাটার তৈরি করতে হবে। এতে যদি ফুড কালার যোগ করতে চান তবে এক-দুই ফোঁটা ফুড কালার দিয়ে মিশিয়ে তুলনামূলক উষ্ণ স্থানে গাঁজনের জন্য ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময়টুকুর মাঝে পাত্রটি একেবারেই নাড়াচাড়া করা যাবে না।

৩. ব্যাটারে গাঁজন হয়ে গেলে চিনির সিরা তৈরি করতে হবে। একটি সসপ্যানে চিনি, পানি, লবঙ্গ, এলাচ গুঁড়া ও জাফরান একসাথে মিশিয়ে মাঝারি তাপে ৭-১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। চিনির সিরা খুব বেশি ঘন ও স্টিকি হবে না।

৪. এবারে জিলাপি ভাজার পালা। সমান্তরাল ফ্রাইং প্যানে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল নিয়ে গরম করে তেলের তাপমাত্রা মাঝারি আঁচে রাখতে হবে। জিপলক ব্যাগে জিলাপির ব্যাটার নিয়ে ব্যাগের এক কোনার অংশ অল্প একটু কেটে নিতে হবে।

৫. তেল সঠিক মাত্রায় গরম হয়ে গেলে তেলের উপরে জিপলক ব্যাগ ধরে ধীরে ধীরে ব্যাগ চাপ দিয়ে ব্যাটার তেলে ছাড়তে হবে। ব্যাটার তেলে ছাড়ার সময় জিপালির মতো গোলাকৃতির প্যাঁচ তৈরি করতে হবে।

৬. প্রতিটি জিলাপি ভাজা হতে বড়জোর ৫-৬ মিনিট সময় লাগবে। জিপালি উজ্জ্বল বাদামী বর্ণ ধারণ করলে তেল থেকে তুলে সরাসরি চিনির সিরাতে দিয়ে দিতে হবে।

চিনির সিরায় মিনিট দুয়েক ভিজিয়ে উঠিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র