Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো
চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে যত্ন নিতে হবে খাদ্যাভ্যাসের প্রতি।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের সাথে নানা ধরনের চুলের কাটের প্রচলন আসলেও, লম্বা চুলের আবেদনটি সবসময়ই থাকে।

ঘন, উজ্জ্বল, শক্ত ও লম্বা চুলের প্রতি আকর্ষণ এড়ানো সহজ নয়। একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের চুল প্রতি মাসে বৃদ্ধি পায় ০.৫ ইঞ্চি পরিমাণ এবং প্রতি বছরে প্রায় ৬ ইঞ্চি পরিমাণ। এক্ষেত্রে বয়স, স্বাস্থ্য, জেনেটিক্যাল গঠন, হরমোন ও খাদ্যাভ্যাস অনেকটা নির্ভর করে।

কিছু বিষয় আমাদের হাতে নেই। যেমন জেনেটিক্যাল গঠন। তবে যদি বলা হয় সুস্বাস্থ্যজনিত ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়, সেক্ষেত্রে খুব ভালোভাবেই নিজেরাই যে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

যেখানে অস্বাস্থ্যকর ও তুলনামূলক কম পুষ্টিকর খাবার চুলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধির হার কমিয়ে দেয়, সেখানে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। যে খাবারগুলো চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সে খাবারগুলোর উপস্থিতি রাখার চেষ্টা করতে হবে।

ডিম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164237926.jpg
ডিম

 

প্রোটিন ও বায়োটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হলো ডিম। এই দুইটি উপাদানই চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন চুলের ফলিকল তৈরিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে বায়োটিন চুলের প্রোটিন তথা কেরাটিন উৎপাদনে কাজ করে। তাই শুধু নিজেকে সুস্থ রাখতে নয়, চুলের বৃদ্ধির জন্যেও জিংক, সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

পালং শাক

সবুজ অন্যান্য সকল শাকের মাঝে পালং শাক থেকে চুলের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। ফলেট, আয়রন, ভিটামিন- এ ও সি সমৃদ্ধ এই শাক চুলের বৃদ্ধিতে দারুণ ভূমিকা পালন করে। মাত্র এক কাপ (৩০ গ্রাম) পালং শাক থেকেই একদিনের মতো যথেষ্ট ভিটামিন-এ পাওয়া যাবে। এছাড়া আয়রন চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি লোহিত রক্ত কণিকায় অক্সিজেন বহন করতে ও মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে কাজ করে।

তৈলাক্ত মাছ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164265337.jpg
তৈলাক্ত মাছ

 

যেকোন মাছ নয়, বরং তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, যে সকল নারীরা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছিলেন, তাদের চুল পড়ার হার কমে যায়, চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

মিষ্টি আলু

বেটা-ক্যারোটিনের দারুণ এক প্রাকৃতিক উৎস হলো মিষ্টি আলু। যা শরীরে প্রবেশের পর ভিটামিন-এ তে পরিণত হয়। আর এটা তো জানা কথা যে, চুলের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন-এ খুবই প্রয়োজনীয়।

বাদাম

সকালে কিংবা বিকালের নাশতায় এক মুঠো বাদাম খাওয়ার অভ্যাসটি খুবই স্বাস্থ্যকর। এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসটিই চুলের প্রয়োজনে আসবে। বাদামের পুষ্টি গুণাগুণের মাঝে ভিটামিন-ই পাওয়া যাবে ৩৭ শতাংশ। এছাড়া ভিটামিন-এ, বি, জিংক ও অন্যান্য এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে সুস্থ রাখতে ও চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে কাজ করে।

মুরগীর মাংস

প্রাণীজ প্রোটিনের মাঝে মুরগীর মাংস থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ উপকারী প্রোটিন পাওয়া যাবে। যা কেরাটিন তৈরিতে অবদান রাখে। এই উপাদানটি চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন: খেতে হবে ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার

আরও পড়ুন: ক্যান্সারের বিপক্ষে কাজ করবে যে খাদ্য উপাদানগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

দই পটলে হবে স্বাদের বদল

দই পটলে হবে স্বাদের বদল
দই পটল

কোরবানির ঈদের সময়ে লাগাতারভাবে মাংস খাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাংস খাওয়ায় অরুচি দেখা দেয়।

এ সময় মাংস ব্যতীত সবজির সাধারণ ও হালকা পদ খেতে ইচ্ছা করে। সবজিতে স্বাদের বদল করতে চাইলে টকদইয়ে রান্না করা দই পটল রেঁধে নিতে পারেন।

দই পটল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947754092.jpg

১. ১০-১৫টি পটল।

২. ৩-৪ টেবিল চামচ টকদই।

৩. এক টেবিল চামচ আদা বাটা।

৪. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৫. এক চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৮. এক চিমটি হিং।

৯. ৫-৬ টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. ৩-৪টি কাঁচামরিচ।

১১. এক চা চামচ ঘি।

১২. স্বাদমতো লবণ ও চিনি।

১৩. পরিমাণমতো পানি।

দই পটল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947770145.jpg

১. পটলগুলো ধুয়ে ছিলে দুইপাশের মাথা কেটে নিতে হবে।

২. একটি ছোট কাঁচের পাত্রে সকল গুঁড়া মসলা, আদা বাটা ও পানি একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে রেখে দিতে হবে।

৩. কড়াইতে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে এতে পটল, অল্প লবণ ও এক চিমটি হলুদ গুঁড়া দিয়ে ৫-৬ মিনিট ভেজে ভিন্ন একটি পাত্রে উঠিয়ে রাখতে হবে।

৪. পটল ভাজা তেলেই মসলার মিশ্রণ দিয়ে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে হিং দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নেড়ে এতে দই দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে।

৫. ৫-৬ মিনিট পর দইয়ের মিশ্রণে বুদবুদ দেখা দিলে ভেজে রাখা পটল, এক কাপ পানি, স্বাদমতো লবণ ও এক চিমটি চিনি দিয়ে মিনিট দশেকের মতো ভালভাবে নেড়ে পানি শুকিয়ে আনতে হবে।

৬. ঝোল পটলের সাথে মাখামাখা হয়ে আসলে পটলের উপর ঘি ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: দইয়ের ড্রেসিংয়ে সবজি ও কুইনোর সালাদ

আরও পড়ুন: খাবারে রুচি ফেরাতে সরিষা বেগুন

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়
ঘরে লুকানো মশা দূর করতে মশা নিরোধক স্প্রে ব্যবহার করতে হবে

ঈদের ছুটির আগে সবাই যেভাবে তোরজোড় করে ঢাকা ছেড়েছিল, ঠিক একই তোরজোড় নিয়ে ঢাকা ফিরে আসছে।

লম্বা ছুটির সময় প্রায় শেষের দিকে। আবারো শুরু হবে আগের কর্মব্যস্ততা। ফেরার পথে যেন জ্যামের ভোগান্তিতে না পড়তে হয়, তাই অনেকেই একদিন হাতে থাকতেই ফিরে আসছেন নগরে।

অন্যান্যবারের থেকে এবারের ঢাকা ফিরে আসার মধ্যে বেশ অনেকটা পার্থক্য রয়েছে। এবারে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা রয়েছে সাথে, ফলে খালি বাড়িতে ফিরে নির্দিষ্ট কিছু কাজ অবশ্যই করতে হবে সবার আগে। মনে রাখতে হবে, নিজের ও নিজের পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রাধান্য পাবে সবার আগে।

যেহেতু ঈদের লম্বা ছুটিতে সপরিবারে ছুটি কাটাতে যাওয়া হয়, এ সময়ে বাড়িঘরে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। জেনে রাখুন বাড়ি ফিরেই কোন কাজগুলো সবার আগে করবেন।

১. বাসায় ঢুকে প্রথমেই প্রতিটি ঘরের দরজা জানালা খুলে দিয়ে ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে দিন। এতে করে জমে থাকা ভ্যাপসা গন্ধ, ধুলা ও লুকায়িত পোকা-মশা অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

২. ঘরে ফ্যান চলাকালীন সময়ে বারান্দা ও রান্নাঘর পরীক্ষা করুন। বারান্দায় এবং রান্নাঘরে কোন পাত্রে বা টবে পানি জমে আছে কিনা ভালোভাবে দেখুন। যদি থাকে তবে তৎক্ষণাৎ ফেলে দিন।

৩. শৌচাগারে হাই কমোড থাকলে প্রতিটি শৌচাগারের হাই কমোড ফ্ল্যাশ করুন।

৪. সম্ভব হলে ঘরের আনাচেকানাচে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন। এতে করে একইসাথে ঘর পরিষ্কার হবে এবং ফ্রেশ লাগবে।

৫. এবারে ঘরের জানালা ও দরজা পুনরায় বন্ধ করে মশা নিরোধক স্প্রে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। অন্তত মিনিট পনের পর জানাল ও দরজা খুলে ফ্যান চালু করে দিন।

ধাপে ধাপে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে বাড়ি ফেরার পরে অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যাবে। বিশেষত বাড়ির সদস্য যদি বয়স্ক ও শিশু হয়, তবে চেষ্টা করতে হবে তাদের প্রবেশের আগেই কাজগুলো সম্পন্ন করে ফেলার।

আরও পড়ুন: মশা তাড়াবে যে গাছগুলো!

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র