Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

যে কারণে খাবেন সজনে পাতা

যে কারণে খাবেন সজনে পাতা
সজনে পাতা / ছবি: বার্তা২৪
ফরহাদুজ্জামান ফারুক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

সজনে পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর গাছ। শুনে অবাক হচ্ছেন? অবাক হবারই কথা। বিস্ময়কর গুণাগুণে ভরপুর এই গাছকে বলা হয় 'মিরাকেল ট্রি'।

বিজ্ঞানবিদ গবেষকরা একে পুষ্টি ডিনামাইড, ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন ও মিরাকেল ভেজিটেবলও বলে থাকেন। শুধু তাই নয়, সজনেকে 'মরিঙ্গা', 'ড্রামস্টিক' বা 'হর্সরেডিস' নামেও ডাকা হয়।

বহু ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ সজনে গাছের পাতাও। এ গাছের পাতাকে বলা হয় 'সুপার ফুড অব নিউট্রিশন'। শত বছর ধরে প্রায় ৩০০ রোগের ঔষধ হিসেবে সজনের ব্যবহার হয়ে আসছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558090222157.jpg

অসম্ভব পুষ্টি উপাদান আর ঔষধি গুণে ভরা সজনে গাছ ও পাতা দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের কাছে 'জাদুর গাছ' হিসেবে পরিচিত। সেখানে বাচ্চাদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে সজনে গাছের পাতা থেকে তৈরি মরিঙ্গা ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়।

পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর গাছ হিসেবে দাবি করা এই সজনেতে ৯২ ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এছাড়া এ গাছে ৪৬ ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট, ১৮ ধরনের এমাইনো এসিড এবং ৮ ধরনের এসেনসিয়াল এমাইনো এসিড বিদ্যমান।

সজনে পাতায় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আয়রন ও পটাসিয়াম রয়েছে। কারও কারও মতে, সজনের পাতায় অরেঞ্জ ও লেবু থেকে সাত গুণ বেশি ভিটামিন-সি আছে। গাজর থেকে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন-এ, দুধ থেকে ৪ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও ডিম থেকে দুই গুণ বেশি প্রোটিন আছে। এছাড়াও শাক থেকে ২৫ গুণ বেশি আয়রন এবং কলা থেকে ৩ গুণ বেশি পটাশিয়াম আছে।

সজনের ডাটা যেমন প্রচণ্ড গরমে দেহ সতেজ ও ঠাণ্ডা রাখে। তেমনি এর পাতা আঞ্চলিক খাবার ‘শোলকা’তে ব্যবহার হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558090246594.jpg

দক্ষিণ আফ্রিকায় সজনে পাতা ও ডাটা দিয়ে তৈরি ট্যাবলেট 'মরিঙ্গ ‘। এই ট্যাবলেট হার্ট ভাল রাখা, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও রক্তের সুগার লেভেল কমিয়ে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ, দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, রক্তশূন্যতা দূর, বাতের ও হাঁটুর ব্যাথা উপশমে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

কারও কারও মতে, মরিঙ্গা টিউমার নিরাময়ে, অন্ধত্ব দূরীকরণে, হজমে সহায়ক, পেটে গ্যাস, বদহজম, পেট ব্যাথার উপশম করা ছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর, এজমা উপশম, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়া ও মাড়ি ফুলে যাওয়া সমস্যার সমাধান এবং স্তন্যদাত্রী মাতাদের দুগ্ধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

আপনার মতামত লিখুন :

দই পটলে হবে স্বাদের বদল

দই পটলে হবে স্বাদের বদল
দই পটল

কোরবানির ঈদের সময়ে লাগাতারভাবে মাংস খাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাংস খাওয়ায় অরুচি দেখা দেয়।

এ সময় মাংস ব্যতীত সবজির সাধারণ ও হালকা পদ খেতে ইচ্ছা করে। সবজিতে স্বাদের বদল করতে চাইলে টকদইয়ে রান্না করা দই পটল রেঁধে নিতে পারেন।

দই পটল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947754092.jpg

১. ১০-১৫টি পটল।

২. ৩-৪ টেবিল চামচ টকদই।

৩. এক টেবিল চামচ আদা বাটা।

৪. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৫. এক চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৮. এক চিমটি হিং।

৯. ৫-৬ টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. ৩-৪টি কাঁচামরিচ।

১১. এক চা চামচ ঘি।

১২. স্বাদমতো লবণ ও চিনি।

১৩. পরিমাণমতো পানি।

দই পটল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/16/1565947770145.jpg

১. পটলগুলো ধুয়ে ছিলে দুইপাশের মাথা কেটে নিতে হবে।

২. একটি ছোট কাঁচের পাত্রে সকল গুঁড়া মসলা, আদা বাটা ও পানি একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে রেখে দিতে হবে।

৩. কড়াইতে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে এতে পটল, অল্প লবণ ও এক চিমটি হলুদ গুঁড়া দিয়ে ৫-৬ মিনিট ভেজে ভিন্ন একটি পাত্রে উঠিয়ে রাখতে হবে।

৪. পটল ভাজা তেলেই মসলার মিশ্রণ দিয়ে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে হিং দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নেড়ে এতে দই দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে।

৫. ৫-৬ মিনিট পর দইয়ের মিশ্রণে বুদবুদ দেখা দিলে ভেজে রাখা পটল, এক কাপ পানি, স্বাদমতো লবণ ও এক চিমটি চিনি দিয়ে মিনিট দশেকের মতো ভালভাবে নেড়ে পানি শুকিয়ে আনতে হবে।

৬. ঝোল পটলের সাথে মাখামাখা হয়ে আসলে পটলের উপর ঘি ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: দইয়ের ড্রেসিংয়ে সবজি ও কুইনোর সালাদ

আরও পড়ুন: খাবারে রুচি ফেরাতে সরিষা বেগুন

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়

ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে অবশ্য করণীয়
ঘরে লুকানো মশা দূর করতে মশা নিরোধক স্প্রে ব্যবহার করতে হবে

ঈদের ছুটির আগে সবাই যেভাবে তোরজোড় করে ঢাকা ছেড়েছিল, ঠিক একই তোরজোড় নিয়ে ঢাকা ফিরে আসছে।

লম্বা ছুটির সময় প্রায় শেষের দিকে। আবারো শুরু হবে আগের কর্মব্যস্ততা। ফেরার পথে যেন জ্যামের ভোগান্তিতে না পড়তে হয়, তাই অনেকেই একদিন হাতে থাকতেই ফিরে আসছেন নগরে।

অন্যান্যবারের থেকে এবারের ঢাকা ফিরে আসার মধ্যে বেশ অনেকটা পার্থক্য রয়েছে। এবারে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা রয়েছে সাথে, ফলে খালি বাড়িতে ফিরে নির্দিষ্ট কিছু কাজ অবশ্যই করতে হবে সবার আগে। মনে রাখতে হবে, নিজের ও নিজের পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রাধান্য পাবে সবার আগে।

যেহেতু ঈদের লম্বা ছুটিতে সপরিবারে ছুটি কাটাতে যাওয়া হয়, এ সময়ে বাড়িঘরে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। জেনে রাখুন বাড়ি ফিরেই কোন কাজগুলো সবার আগে করবেন।

১. বাসায় ঢুকে প্রথমেই প্রতিটি ঘরের দরজা জানালা খুলে দিয়ে ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে দিন। এতে করে জমে থাকা ভ্যাপসা গন্ধ, ধুলা ও লুকায়িত পোকা-মশা অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

২. ঘরে ফ্যান চলাকালীন সময়ে বারান্দা ও রান্নাঘর পরীক্ষা করুন। বারান্দায় এবং রান্নাঘরে কোন পাত্রে বা টবে পানি জমে আছে কিনা ভালোভাবে দেখুন। যদি থাকে তবে তৎক্ষণাৎ ফেলে দিন।

৩. শৌচাগারে হাই কমোড থাকলে প্রতিটি শৌচাগারের হাই কমোড ফ্ল্যাশ করুন।

৪. সম্ভব হলে ঘরের আনাচেকানাচে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন। এতে করে একইসাথে ঘর পরিষ্কার হবে এবং ফ্রেশ লাগবে।

৫. এবারে ঘরের জানালা ও দরজা পুনরায় বন্ধ করে মশা নিরোধক স্প্রে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। অন্তত মিনিট পনের পর জানাল ও দরজা খুলে ফ্যান চালু করে দিন।

ধাপে ধাপে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে বাড়ি ফেরার পরে অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যাবে। বিশেষত বাড়ির সদস্য যদি বয়স্ক ও শিশু হয়, তবে চেষ্টা করতে হবে তাদের প্রবেশের আগেই কাজগুলো সম্পন্ন করে ফেলার।

আরও পড়ুন: মশা তাড়াবে যে গাছগুলো!

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র