Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

কতটুকু কফি পান নিরাপদ?

কতটুকু কফি পান নিরাপদ?
কফি, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিন সকালের শুরুতে এক কাপ কফি না হলে যেন চলেই না।

এরপর পুরো দিনভর চলে দফায় দফায় কফি পান। সকালের খাদ্যাভ্যাসের এই রুটিন মেনে চলেন অনেকেই। কফি পানের মাধ্যমে দিনের শুরু করার ফলে, সারাদিনের কর্মব্যস্ততার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা যায়। এছাড়া অভ্যাসবশত, শখের বশে কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় কফির পেয়ালায় চুমুক তো দেওয়া হয়ই।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, ঠিক কতটুকু পরিমাণ কফি পান করা কিংবা ক্যাফেইন গ্রহণ করা নিরাপদ? গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে জানা আছে কি আপনার? বিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সেই তথ্যটিই বের করেছে।

অবশ্যই কফি পানের বেশ অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য জানায়, প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ কফি পানে হৃদরোগের সম্ভবনা কমে যায়।

সেই সাথে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষণার তথ্য জানায়, টাইপ-২ ডায়বেটিস, পারকিনসন ডিজিজ, লিভার ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভবনাও হ্রাস পায়।

এদিকে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন তাদের গবেষণা থেকে জানায়, পরিমিত মাত্রার কফি গ্রহণে বেশ কয়েক ধরনের ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভবনা কমে যায় প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া কফিতে থাকা ক্যাফেইন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ডিএনএর ক্ষতি হওয়া থেকে প্রতিরোধ করে।

এ পর্যায়ে এসে বলতে হবে, এখানেও রয়েছে একটি ‘কিন্তু’। কফি পানের নানান উপকারিতা থাকলেও, অতিরিক্ত কফি পানে দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্যগত সমস্যা। একদিনে ছয় কাপ বা তার বেশি কফি পানে হৃদরোগের সম্ভবনা বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষক দল।

তারা জানাচ্ছেন, একদিকে পরিমিত কফি পান যেমন হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী, তেমনিভাবে অতিরিক্ত কফি পানের ফলে হৃদরোগের সম্ভবনা বেড়ে যায় প্রায় ২২ শতাংশ পর্যন্ত।

অতিরিক্ত কফি পানের ফলে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক। যা থেকেই হৃদরোগের প্রাদুর্ভাভ দেখা দেওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়।

অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার অফ প্রিসিশন হেলথ এর গবেষক প্রফেসর এলিনা হিপ্পনেন জানান, পুরো বিশ্ব জুড়ে কফি হলো সর্বাধিক পান করা পানীয়। যা ঘুম ভাব দূর করতে, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি তে ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করে। তবে ঠিক কতটুকু ক্যাফেইন আমাদের শরীর নিতে পারবে, সেটা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

আরও পড়ুন: কফির পরিবর্তে চা পানে যা ঘটতে পারে!

আরও পড়ুন: কতটা উপকারী প্রিয় পানীয় কফি?

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র