Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার
বয়স বাড়ুক ধীর গতিতে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বয়সকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে সময়ের কাঁটায় আটকে রাখতে পারলে নিশ্চয় খুব ভালো হতো।

দুঃখের বিষয় হলো, সময় ও বয়সকে কোনভাবেই একই স্থানে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তবে এখানে খুব সুক্ষভাবে একটি ‘কিন্তু’ আছে। বয়সকে নির্দিষ্ট সময়ে বেঁধে রাখতে না পারলেও, বয়স বৃদ্ধিকে ধীর গতির করতে পারবেন খুবই উপকারী কয়েকটি নিয়মকে আত্মস্থ করার মাধ্যমে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

খুব সহজভাবে বললে- আমরা তাই, যা আমরা খাই। অর্থাৎ আমরা প্রতিদিন যে সকল খাবার গ্রহণ করছি, শারীরিকভাবে আমরা নিজেরা সেটাই হয়ে উঠছি। অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে অসুস্থ, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে সুস্থ। আমরা নিজেরাই যদি ফাস্ট ফুড, জাংক ফুড, প্রসেসড ফুড ও উচ্চমাত্রার চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে ফেলি, তবে সুস্থতা পাওয়ার আশা সেখানে একেবারেই অমূলক। যত বেশি অসুস্থতা দেখা দেবে, তত বেশি শরীরের বয়স বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

শরীরচর্চা করুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/13/1557730365138.jpg
অল্প সময়ের জন্য হলেও দৌড়ানোর অভ্যাস করতে হবে 

 

শরীরচর্চা শুধুই শরীরকে ফিট রাখতে নয়, শারীরিক শক্তিকে বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ শরীরের পেশী ও হাড়কে মজবুত করে। এমনকি প্রতিদিন ১০-২০ মিনিটের শরীরচর্চা অথবা দৌড় আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

কাজে লাগান মস্তিষ্ককে

আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতোই মস্তিষ্ককে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা না যায়, তবে মস্তিষ্ক তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে অনেকখানি। যে কারণে মস্তিষ্কের ব্যবহার সম্বন্ধে বলা হয়ে থাকে, ‘এটার যথাযথ ব্যবহার করো অথবা এটাকে হারিয়ে ফেলো’। আমরা ভাবি বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা তথা চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটবে। কিন্তু সঠিক বিষয়টি হলো, যেকোন বয়সেই মস্তিষ্ককে যদি ভালোভাবে কাজ করানো যায়, তবে তা চমৎকার পারফর্ম্যান্স দেখাবে। মস্তিষ্ককে সচল রাখতে পাজল গেম, ম্যাথ সলভিং গেম, নতুন ভাষা শেখার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে।

ঘুমান পর্যাপ্ত

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/13/1557725924958.jpg
ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত

 

কাজের চাপ ও ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, ঘুমের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না মোটেও। ঘুম যত কম হবে, শরীরের ওপর তত বেশী চাপের সৃষ্টি হবে। এতে করে খুব স্বাভাবিকভাবেই শরীর বুড়িয়ে যেতে শুরু করবে সময়ের আগেই। প্রতিদিনের কর্মব্যস্তময় সময়ের মাঝে ঘুমের জন্য অবশ্যই ৭-৮ ঘন্টা সময় আলাদা করে রাখতেই হবে।

পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান

নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য অন্যান্য সকল কাজের মাঝে আরও যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে, সেটা হলো নিজেকে আনন্দিত রাখা, প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যে রাখা। শারীরিক সুস্থতা যেমন বয়সের উপরে প্রভাব ফেলে, ঠিক একইভাবে মানসিক সুস্থতাও বয়সের উপর প্রভাব বিস্তার করে। একাকীত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। তাই চেষ্টা করুন নিজেকে সবসময় আনন্দিত রাখার জন্য। পছন্দের মানুষের সাথে সময় কাটানোর ফলে মানসিক প্রশান্তি শারীরিকভাবেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

আরও পড়ুন: বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন?

আরও পড়ুন: জীবন হোক আনন্দ ও হাসিতে ভরপুর

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র