Alexa

যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

বয়স বাড়ুক ধীর গতিতে, ছবি: সংগৃহীত

বয়সকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে সময়ের কাঁটায় আটকে রাখতে পারলে নিশ্চয় খুব ভালো হতো।

দুঃখের বিষয় হলো, সময় ও বয়সকে কোনভাবেই একই স্থানে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তবে এখানে খুব সুক্ষভাবে একটি ‘কিন্তু’ আছে। বয়সকে নির্দিষ্ট সময়ে বেঁধে রাখতে না পারলেও, বয়স বৃদ্ধিকে ধীর গতির করতে পারবেন খুবই উপকারী কয়েকটি নিয়মকে আত্মস্থ করার মাধ্যমে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

খুব সহজভাবে বললে- আমরা তাই, যা আমরা খাই। অর্থাৎ আমরা প্রতিদিন যে সকল খাবার গ্রহণ করছি, শারীরিকভাবে আমরা নিজেরা সেটাই হয়ে উঠছি। অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে অসুস্থ, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে সুস্থ। আমরা নিজেরাই যদি ফাস্ট ফুড, জাংক ফুড, প্রসেসড ফুড ও উচ্চমাত্রার চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে ফেলি, তবে সুস্থতা পাওয়ার আশা সেখানে একেবারেই অমূলক। যত বেশি অসুস্থতা দেখা দেবে, তত বেশি শরীরের বয়স বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

শরীরচর্চা করুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/13/1557730365138.jpg
অল্প সময়ের জন্য হলেও দৌড়ানোর অভ্যাস করতে হবে 

 

শরীরচর্চা শুধুই শরীরকে ফিট রাখতে নয়, শারীরিক শক্তিকে বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ শরীরের পেশী ও হাড়কে মজবুত করে। এমনকি প্রতিদিন ১০-২০ মিনিটের শরীরচর্চা অথবা দৌড় আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

কাজে লাগান মস্তিষ্ককে

আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতোই মস্তিষ্ককে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা না যায়, তবে মস্তিষ্ক তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে অনেকখানি। যে কারণে মস্তিষ্কের ব্যবহার সম্বন্ধে বলা হয়ে থাকে, ‘এটার যথাযথ ব্যবহার করো অথবা এটাকে হারিয়ে ফেলো’। আমরা ভাবি বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা তথা চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটবে। কিন্তু সঠিক বিষয়টি হলো, যেকোন বয়সেই মস্তিষ্ককে যদি ভালোভাবে কাজ করানো যায়, তবে তা চমৎকার পারফর্ম্যান্স দেখাবে। মস্তিষ্ককে সচল রাখতে পাজল গেম, ম্যাথ সলভিং গেম, নতুন ভাষা শেখার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে।

ঘুমান পর্যাপ্ত

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/13/1557725924958.jpg
ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত

 

কাজের চাপ ও ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, ঘুমের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না মোটেও। ঘুম যত কম হবে, শরীরের ওপর তত বেশী চাপের সৃষ্টি হবে। এতে করে খুব স্বাভাবিকভাবেই শরীর বুড়িয়ে যেতে শুরু করবে সময়ের আগেই। প্রতিদিনের কর্মব্যস্তময় সময়ের মাঝে ঘুমের জন্য অবশ্যই ৭-৮ ঘন্টা সময় আলাদা করে রাখতেই হবে।

পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান

নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য অন্যান্য সকল কাজের মাঝে আরও যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে, সেটা হলো নিজেকে আনন্দিত রাখা, প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যে রাখা। শারীরিক সুস্থতা যেমন বয়সের উপরে প্রভাব ফেলে, ঠিক একইভাবে মানসিক সুস্থতাও বয়সের উপর প্রভাব বিস্তার করে। একাকীত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। তাই চেষ্টা করুন নিজেকে সবসময় আনন্দিত রাখার জন্য। পছন্দের মানুষের সাথে সময় কাটানোর ফলে মানসিক প্রশান্তি শারীরিকভাবেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

আরও পড়ুন: বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন?

আরও পড়ুন: জীবন হোক আনন্দ ও হাসিতে ভরপুর

আপনার মতামত লিখুন :