Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল
ক্যাস্টর অয়েল, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে ফাটা দাগ দেখা দিতে পারে নানান কারণেই।

গর্ভধারণজনিত কারণ ছাড়াও বয়ঃসন্ধিকালীন ও অতিরিক্ত ওজনের ফলে ত্বক ফেটে যায়। যা থেকে ত্বকে ফাটা দাগ দেখা দেয়।

ত্বকের ফাটা দাগ পুরোপুরি দূর না করা গেলেও, প্রাকৃতিক উপাদান ও ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহারে, এই সমস্যাটি অনেকখানি কমিয়ে আনা যায়। এই ফিচারে ক্যাস্টর অয়েলের তিন ভিন্ন ব্যবহার তুলে ধরা হলো, যা ত্বকের ফাটা দাগের প্রাদুর্ভাব কমাতে কাজ করবে।

আলুর রস ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574527138.jpg

এর জন্য প্রয়োজন হবে একটি আলুর রস ও দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল। দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে রেফ্রিজারেটরে কয়েক ঘন্টার জন্য রেখে দিতে হবে। ঠাণ্ডা তেলের মিশ্রণটি ত্বকের ফাটা দাগযুক্ত স্থানে তিরিশ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে আরও তিরিশ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে স্থানটি ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহারই যথেষ্ট।

কেন এটা কাজ করবে?

তেলের এই মিশ্রণটি ত্বকের ইলাস্টিসিটির মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের গভীর থেকে আর্দ্রতা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে ভালো হতে সাহায্য করে।

লবঙ্গ ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574494384.jpg

এই মিশ্রণ তৈরিতে প্রয়োজন হবে ৫-৬টি লবঙ্গ ও দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল। প্রথমে এই দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করতে হবে। তেলের রঙে পরিবর্তন আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। এই তেলটি ফাটা দাগযুক্ত স্থানে পনের মিনিট ম্যাসাজ করে আধা ঘন্টা পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। পরবর্তিতে কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে। এই তেলটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে।

কেন এটা কাজ করবে?

ত্বকের ফাটা দাগ দূর করার ক্ষেত্রে লবঙ্গ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। বিশেষত ক্যাস্টর অয়েলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহারের ফলে এর উপকারিতা বেড়ে যায় অনেকখানি।

হলুদ গুঁড়া, ক্যাস্টর অয়েল ও অলিভ অয়েল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574514876.jpg

এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ার সাথে এক চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল ও অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করতে হবে। প্রায় ঘন্টাখানিক মিশ্রণটি ত্বকে রেখে দেওয়ার পর কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

কেন এটা কাজ করবে?

ত্বকের যত্নে হলুদ গুঁড়া ও অলিভ অয়েলের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। এই উপাদানগুলোতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ও ত্বক উজ্জ্বল করতে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে ঘরে তৈরি দুই ময়েশ্চারাইজার

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র