Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

সানস্ক্রিনের সাত-পাঁচ তথ্য

সানস্ক্রিনের সাত-পাঁচ তথ্য
ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

দিন গড়ানোর সাথে সাথে রোদের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।

এই গ্রীষ্মে সামনের দিনগুলোতে রোদ প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পাবে আরও অনেকটা। রোদের মধ্যে বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মনে করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তবেই বের হতে হবে। নতুবা ত্বকের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভবনা বেড়ে দেখা দিবে।

গরমের এই অনুষঙ্গটি কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানতে চান ক্রেতারা। সবার সুবিধার জন্য এই ফিচারে তেমন কয়েকটি প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরা হলো।

ব্রড স্পেকট্রাম

সানস্ক্রিন কেনার আগে প্রথমেই দেখে নিতে হবে যে সানস্ক্রিনটি কেনা হচ্ছে তার গায়ে ‘ব্রড স্পেকট্রাম' কথাটা লেখা আছে কিনা। লেখা থাকলে বুঝতে হবে সানস্ক্রিনটি ত্বককে দুইরকম রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারবে।

এসপিএফ

যে কোন সানস্ক্রিনের ক্ষেত্রে এসপিএফ (SPF) এর পরিমাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসপিএফ হল ইউভিবি রশ্মি প্রতিরোধের মাপ। আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালে রোদের তাপমাত্রা থাকে তুলনামূলক অনেক বেশি। এ সময়ে সানস্ক্রিন কেনার সময় অবশ্যই এসপিএফ এর মান ৫০ এর বেশি কি না দেখে নিতে হবে। বিশেষত যারা প্রতিদিন বাইরে যাতায়াত করেন তাদের ক্ষেত্রে ৫০ এসপিএফ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করতেই হবে।

দুই ঘন্টা পরপর সানস্ক্রিন ব্যবহার

ক্রিম কিংবা পাউডার সানস্ক্রিনগুলো ওয়াটারপ্রুফ হয় না। অতিরিক্ত ঘামে, পানির স্পর্শে খুব সহজেই এই সানস্ক্রিনগুলো ত্বক থেকে উঠে যায়। যার ফলে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পর বড়জোর দুই ঘন্টা এটি ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে পারে। যে কারণে প্রতি দু’ঘন্টা অন্তর ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557316055918.jpeg
সানস্ক্রিন

 

কতটা ব্যবহার করতে হবে

কতটা সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এটা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন। একজন প্রাপ্তবয়স্কর শরীরের যে সকল অংশে রোদের আলো প্রভাব ফেলতে পারে, সে সকল অংশে ৩০ গ্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেই উপকার পাওয়া যাবে। মুখের ত্বক, গলা, ঘাড়, হাত ও পায়ের পাতা সকল উন্মুক্ত স্থানেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

ত্বক বুঝে সানস্ক্রিন নির্বাচন

সানস্ক্রিন কেনার ক্ষেত্রে ত্বকের ধরণ বুঝে তবেই সানস্ক্রিন নির্বাচন করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে জেল বা পাউডার সানস্ক্রিন নিতে হবে। ত্বক যদি তৈলাক্ত বা শুষ্ক কোনওটাই না হয়ে সাধারণ ত্বক হয় তবে লোশন জাতীয় সানস্ক্রিন কিনতে হবে।

কতক্ষণ আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে

শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। শরীরের অন্যান্য ত্বকের থেকে মুখের ত্বক তুলনামূলক পাতলা হয়। তাই মুখের জন্য বেশি যত্ন প্রয়োজন। সানস্ক্রিন যেমনই হোক না কেন, রোদে বের হওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি ব্যবহারের অপরিহার্য কিছু নিয়মনীতি

আরও পড়ুন: মোবাইলের আয়ু কমছে যে সব কারণে

আপনার মতামত লিখুন :

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র