Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

চমৎকার সম্পর্কের গাঁথুনিতে মা ও মেয়ে

চমৎকার সম্পর্কের গাঁথুনিতে মা ও মেয়ে
মা ও মেয়ের মাঝে বোঝাপড়া হোক বন্ধুর মতো, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মা-মেয়ের সম্পর্কটি একেবারেই অন্যরকম হয়।

অন্য সকল সম্পর্কের চাইতে একেবারেই ভিন্ন, আলাদা। দু’জনের মাঝে সম্পর্কটি কখনো দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ, মধুর। কখনো দূরত্বের, জটিল। কখনো একে-অপরকে বুঝে উঠতেই পার হয়ে যায় এক জীবন। আবার কখনো পরস্পরের সবচেয়ে কাছের মানুষটি হয়ে ওঠেন একে-অন্যের।

মায়ের সাথে মেয়ের সম্পর্কটি যেমনই হোক না কেন, মায়ের স্থানে মা চিরদিন অপরিবর্তনশীল। সন্দেহাতীতভাবে এটাও সত্য যে, প্রতিটি সম্পর্কের মাঝেই আসে চরাই-উৎরাই, আসে দোটানা। মা-মেয়ের সম্পর্কের মাঝেও একটা নির্দিষ্ট সময় পর তৈরি হয় কিছু ‘ইস্যু’। যা সম্পর্কের মাঝে সৃষ্টি করে ‘ব্যবধান’।

এক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত, ভুল বোঝাবুঝি, অহেতুক অভিমান, অতিরঞ্জিত প্রত্যাশা দায়ী অনেকাংশে। কারণ যেটাই হোক না কেন, মা-মেয়ের মাঝে সম্পর্কটি সবসময় সাবলীল থাকবে, এমনটা চান প্রতিটি মা ও মেয়ে। চমৎকার এ সম্পর্কের মাঝে যে কারণগুলো সমস্যা তৈরি করে থাকে তার কয়েকটি এখানে আলোচনা করা হল।

পরিবর্তনটা প্রয়োজন নিজের

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেটা দেখা যায়, উভয়েই ভাবেন সম্পর্কটি ভালো হতো যদি আমার মা বা মেয়ে পরিবর্তন হতো। এক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, দু’জনেই সম্পর্ন আলাদা মানুষ। তাদের নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ ও স্বকীয়তা রয়েছে। রয়েছে নিজস্বতা। কেউই অন্যের জন্য নিজেকে পরিবর্তন করতে বাধ্য নয়। তবে মনে রাখা প্রয়োজন সম্পর্ক থেকে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে অন্যের জন্য কিছুটা ছাড় দিয়েই। মা যদি মেয়ে বুঝতে চেষ্টা করেন, তার মতামতকে গুরুত্ব দেন, মেয়ে কি পছন্দ করে সেটা জানার চেষ্টা করেন তবে সম্পর্কে দূরত্ব অনেকটা কমে যায়। একইভাবে মায়ের সাথে বয়সের ব্যবধান থাকায় চলতি সময়ের সবকিছু তিনি বুঝতে পারবেন না। মায়ের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে, তার অপছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে নিজের মতামতকে উপস্থাপন করলে অনেক সমস্যাই সমাধান হয়ে যায়।

প্রত্যাশা হতে হবে বাস্তবসম্মত

মা ও মেয়ে উভয়েই একে-অন্যের প্রতি প্রতাশ্যা রাখেন আকাসসম। এটাই স্বাভাবিক। ছোটবেলা থেকেই মেয়েরা মায়ের কাছ থেকে সর্বোচ্চ যত্ন ও সুরক্ষার মাধ্যমে বড় হয়। ফল মায়ের প্রতি মেয়েদের প্রত্যাশার ধরণ থাকে অনেক বেশি। অন্যদিকে সর্বোচ্চটুকু দিয়ে গড়ে তোলা মেয়ের প্রতিও স্বাভাবিকভাবে মায়ের প্রত্যাশার পারদ আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সমস্যাটি হলো, কোনভাবে কোন প্রত্যাশা পূরণ না হলেই অনেক বেশি কষ্ট পেতে হয়। যা থেকে সম্পর্কের মাঝে দুরত্ব তৈরি হয়। তাই উভয়ের উভয়ের প্রতি প্রত্যাশা হতে হবে বাস্তবসম্মত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/04/1556949844271.jpg
মা ও মেয়ের মাঝে বোঝাপড়া হোক বন্ধুর মতো।

 

নিজেকে তার স্থানে চিন্তা করা

ইংলিশে খুব ভালো একটি প্রবাদ আছে, Put oneself in someone's shoes. যার অর্থ হলো নিজেকে অন্যের স্থানে ভাবা, তার পরিস্থিতিতে নিজেকে কল্পনা করা। এর মাধ্যমে খুব দারুণভাবেই অন্যের মানসিক অবস্থা, ভীতি, আশংকা, দুশ্চিন্তা ও কোন ঘটনা দেখার ভঙ্গী সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। মেয়ের সবকিছুটা মা কখনোই হ্যাঁ তে হ্যাঁ মিলাবেন না। তেমনিভাবে মায়ের সকল সিদ্ধান্ত মেয়ের মনঃপুত হবে না। উভয়ের পরিস্থিতি বোঝার জন্য তাই উভয়কেই উভয়ের স্থান থেকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

প্রথম পদক্ষেপটা নিজের নিতে হবে

মা-মেয়ের মাঝে মনোমালিন্য হতেই পারে। এমনকি ঝগড়া হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু বিরূপ সময়ের শেষে পরিস্থিতি যখন ঝিমিয়ে গেছে তখন যে আগে অন্যের কাছে গিয়ে কথা বলবে, মান ভাঙাবে সেটা নিয়েই শুরু হয় এক স্নায়ুযুদ্ধ। মা ভাবেন, ও তো আমার মেয়ে। ওরই তো আমার কাছে আগে আসার কথা। ওই তো আগে আমার সাথে কথা বলবে! ওদিকে মেয়ে ভাবে, আমি তো তার মেয়ে, মা নিশ্চয় সব জানে আমি কি চাই। মা-ই তো আমার কাছে আগে আসবে, আমাকে আদর করে দিবে, কথা বলবে!

খুবই অমূলক এই স্নায়ুযুদ্ধ। এমন ভাবনা উভয়পক্ষেরই বাদ দিতে হবে। মনোমালিন্য কিংবা তর্ক যাই হোক না কেন, সবশেষে নিজেকে আগে এগিয়ে নিতে হবে কথা বলার জন্য পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করার জন্য। মা কেন আগে আসলো না, মেয়ে কেন কথা বললও না- এমন ভাবনা শুধু দূরত্বই তৈরি করে।

অমূল্য এই সম্পর্কের মাঝে কোন সমস্যার দেখা দিক, এমনটা কেউই চান না। অযাচিত কোন কারণে চমৎকার এই সম্পর্কের গাঁথুনি যেন নষ্ট না হয়, তাইতো সেদিকে মা ও মেয়ে উভয়েরই খেয়াল রাখতে।

আরও পড়ুন: সন্তানকে বলুন আপনার ব্যর্থতার গল্পটি

আরও পড়ুন: সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ

আপনার মতামত লিখুন :

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?
ছবি: সংগৃহীত

নিজের আশেপাশের সবকিছু তথা ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র যতবেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে ততবেশি সুস্থ রাখা সম্ভব হবে। শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতার সাথে সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংযোগটা বহু পুরনো। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার উপায় নেই।

পরিধেয় পোশাক কিংবা অপরিষ্কার থালাবাসন যে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, সেটা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঘরে থাকা আয়না কতদিন পর পরিষ্কার করা প্রয়োজন সেটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে বাসার অবস্থান ও এলাকাভেদে জিনিসপত্রে ধুলাময়লা জমার ক্ষেত্রে রকমফের দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন আসবাবে ধুলা জমে থাকতে দেখলে দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে কিংবা ৩-৫ মাস অন্তর কোন জিনিসগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা বেশ অনেকটা সহজ হয়। যে কারণে আজকের ফিচারে খুব গুছিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা থেকে জানা যাবে কতদিন পর কোন জিনিসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123957938.jpg

১. বিছানা গুছিয়ে ঝাড়তে হবে।

২. নোংরা ও এঁটো থালাবাসন জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. খাবার টেবিল গুছিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাথরুমের মেঝে ঝাঁট দিতে হবে।

৫. রান্নাঘরের থাক ও মেঝে মুছতে হবে।

৬. রান্নাঘরের সিংক পরিষ্কার করতে হবে।

৭ নোংরা পোশাক ধুতে হবে।

৮. ঘর ও বারান্দার মেঝে ঝাড়ু দিতে হবে। মুছতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

প্রতি সপ্তাহে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123762608.jpg

১. বিছানা ও বালিশের কভার বদলাতে হবে।

২. রান্নাঘর ও রেফ্রিজারেটরে থাকা পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ফেলে দিতে হবে।

৩. ঘরের সকল আসবাবের আয়না মুছতে হবে।

৪. বুকশেফলে থাকা বইপত্র থেকে ধুলা ঝাড়তে হবে।

৫. শোকেসের জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে হবে।

৬. আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি সরাতে হালকা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছতে হবে।

৭. মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের ও বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে।

৮. গোসল করার লোফাহ বা স্পন্স পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতি মাসে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123841141.jpg

১. ঘরের কোন ও ছাদের অংশের ধুলাময়লা ঝাড়তে হবে।

২. লাইট ও বাল্বে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৩ সোফার কভার ও দরজা, জানালার পর্দা পরিষ্কার করতে হবে।

৪. ডিশওয়াশার ও ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করতে হবে।

৫. ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৬. টিভি থেকে ধুলাবালি সরাতে পরিষ্কার করতে হবে।

৭. দেয়াল ঘড়ি, ওয়ালম্যাট, বড় ছবির ফ্রেম নামিয়ে মুছে নিতে হবে।

৮. নিত্য ব্যবহারের ব্যাকপ্যাক ধুয়ে নিতে হবে।

৩-৫ মাস পরপর যা পরিষ্কার করতে হবে

১. আসবাবপত্রের নিচের অংশ থেকে ধুলাময়লা বের করতে হবে।

২. কার্পেট পরিষ্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশনে চাই রোদচশমা!

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র