Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

‘বাবল বয়’ রোগ সারাতে এইচআইভি!

‘বাবল বয়’ রোগ সারাতে এইচআইভি!
প্লাস্টিক চেম্বারে ডেভিড, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, আটজন নবজাতকের ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সি (Immunodeficiency) রোগ সারাতে এইচআইভি (HIV) ব্যবহার করা হয়েছে। ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সি সিন্ড্রোমে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।

এই রোগটির পোশাকি নাম হলো ‘বাবল বয়’ ডিজিজ। ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া ডেভিড ভেটরের শারীরিক অবস্থা থেকে রোগটির এমন নামকরণ করা হয়। জন্মের মাত্র ২০ সেকেন্ড পরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে প্লাস্টিক আইসোলেশন চেম্বারে স্থানান্তর করে দেয়। যেখানে ভেটরকে কাটাতে হয় টানা ছয় বছর।

পরবর্তীতে নাসা থেকে তাকে স্পেশাল স্পেস স্যুট দেওয়া হয়। বোন ম্যারো ট্রান্সফার অস্ত্রোপচার অসফল হওয়ায় ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সিতে আক্রান্ত ভেটর মাত্র ১২ বছর বয়সে মারা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555642537317.jpg
বাবল বয় রোগে আক্রান্ত ডেভিড ভেটর।

 

বাবল বয় রোগ ভালো করতে এইচআইভি ব্যবহারের গবেষণার তথ্যাদি প্রকাশিত হয় মার্কিন যুক্তরাজ্যের জার্নাল অব মেডিসিনে এবং গবেষণাটি করা হয় টেনেসি হসপিটালে।

যে শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধের কোন ক্ষমতাই ছিল না, তারা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বেঁচে আছে এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি সচল।

বাবল বয় রোগে আক্রান্ত শিশুদের সম্পূর্ণরূপে জীবাণুমুক্ত স্থানে রাখতে হয়। এমন রোগে আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত নবজাতক অবস্থাতেই মারা যায়।

রোগটির চিকিৎসা জিন থেরাপিতে জন্মের পরপরই শিশুদের অস্থি মজ্জা সংগ্রহ করার মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে তাদের ডিএনএর ত্রুটি ঠিক করা হয়। ঠিক করা জিনটি এইচএইভির অল্টার্ড ভার্সনে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই এইচএইভি ভাইরাস থেকেই সৃষ্টি হয় মরণব্যাধি এইডসের।

গবেষকেরা জানান, বেশিরভাগ শিশুদের চিকিৎসা সেবা নেওয়ার এক মাসের মাঝেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গবেষণার প্রধান লেখক সেইন্ট জ্যুড হসপিটালের ডাঃ ইউলিনা মামকার্জ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের রোগীরা এখন একেবারেই শিশু। তাদের শরীর এই ভ্যাকসিনে খুব ভালোভাবা সাড়া দিয়েছে। সাধারণ জীবনযাপন ও দুনিয়া আবিষ্কারের জন্য তাদের ইনফেকশনের বিপক্ষে সুরক্ষার প্রয়োজন’।

বাবল বয় রোগের আক্রান্ত শিশুদের মেমফিজের সেইন্ট জ্যুড চিলড্রেনস রিসার্চ হসপিটাল এবং সান ফ্রান্সিসকোর ইউসিএসএফ বেনিওফ চিলড্রেনস হসপিটালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

এই চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি বোন ম্যারো ট্রান্সফারের চিকিৎসা পদ্ধতিও রয়েছে বাবল বয় রোগের জন্য। তবে এতে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চিকিৎসা অকার্যকর হয় নানাবিধ কারণে।

আরও পড়ুন: শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষও পরিচালনা করবে রোবট!

আরও পড়ুন: আবিষ্কৃত হলো চিকন থাকার ‘রহস্য’

আপনার মতামত লিখুন :

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস
মানসিক অস্থিরতা কমাতে ডুব দিন প্রিয় বইয়ের পাতায়, ছবি: সংগৃহীত

কেবলমাত্র অসুস্থ হলেই সুস্থ থাকার মর্ম হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভুগতে হয়, কষ্ট পোহাতে হয় কেবলমাত্র নিজেকেই। কিন্তু অসুস্থতা ভালো হয়ে গেলেই আবারো সব ভুলে পুরনো অভ্যাসে ফেরা হয়। অথচ খুব চমৎকার ও সাধারণ নিত্যদিনের কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শারীরিক সুস্থতা পাওয়া কঠিন কিছু নয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি নিজের মানসিক চাপ ও অশান্তিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নতুবা কোন উপকারই পাওয়া যাবে না নিয়ম মেনে। খুবই উপকারী যে দশটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন বয়স ও লিঙ্গ ভেদে সকলের, জেনে নিন সে বিষয়গুলো।

১. প্রতিদন নিয়ম করে ঠিক একই সময়ে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার গ্রহণ করুন। সময়ের পরিবর্তনে শরীরে চাপের সৃষ্টি হয়, যা থেকে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে শরীরে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে।

২. খুব বেশি মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতায় আছেন? প্রিয় ও পছন্দের কোন বই পড়ুন। এতে করে মন অন্যদিকে কাজ করবে ও কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা কমে যাবে।

৩. চা পানের জন্য ফুটন্ত পানিতে টিব্যাগ ২-৩ মিনিটের বদলে ৫ মিনিট রাখুন। বিশেষত যদি গ্রিন টি পান করেন তবে অবশ্যই ৫ মিনিট রেখে এরপর সেই চা পান করবেন। এতে করে চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালোভাবে পানিতে মিশ্রিত হবে। গবেষক জানাচ্ছে, এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্ট অ্যাটাক, ক্যানসার, টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার হার কমাতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194079935.jpg

৪. অফিসে দীর্ঘসময়য়ের জন্য বসে থাকা হয় প্রায় প্রতিদিন। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন থেকে চেষ্টা করবেন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর বসা অবস্থা থেকে দাঁড়িয়ে যেতে ও বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকটা।

৫. খাদ্যাভ্যাসের মাঝে যদি কোন পরিবর্তন আনতে চান, তবে প্রথমেই মাংস গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলুন। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি ৪ টুকরো মাংস খান। এখন থেকে চেষ্টা করুন ২ টুকরো খাওয়ার। বাকি দুই টুকরোর স্থানে রাখুন সবজি ও ফল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194093891.jpg

৬. প্রতিদিন একটি আপেল, চিকিৎসককে দূরে রাখতে সাহায্য করবে- বহু পুরনো এই কথাটাই নতুনভাবে আবারো মনে করিয়ে দেওয়া হলো। ফলের মাঝে আপেলের বিকল্প নেই। এই ফলের স্বাদ সবার কাছে ভালো না লাগলেও, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অতুলনীয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194106249.jpg

৭. প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক চাপ, চারদিকের সবকিছু খুব বেশি অস্থির করে তুলছে? বই পড়তে, গান শুনতেও ইচ্ছা করছে না? বাম হাত শক্তভাবে মুঠি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। আবার খুলুন, আবার বন্ধ করুন। খুব সহজ এই পদ্ধতিতেই খেলোয়াড়রা নিজেদের শান্ত রাখেন ও মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194621626.jpg

৮. অফিসে কাজের পাহাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন, অস্থিরতায় কর্টিসলের মাত্রা বেড়েই চলেছে। চটজলদি ইউটিউবে ফানি ক্যাট ভিডিও দেখে ফেলুন। পনের-বিশ মিনিট সময় ব্যয় করুন এমন মজার ভিডিও দেখে। এরপর আবারও কাজের সমুদ্রে ঝাঁপ দিন। সাইকোলজি টুডে জানাচ্ছে, গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে বিড়ালের মজার ভিডিও মানসিক অস্থিরতা কমাতে কাজ করে ও আবারো কাজ করার উদ্যম ফিরিয়ে আনে।

৯. হুটহাট ছোটখাটো ক্ষুধাভাবকে তাড়াতে বেছে নিন বাদাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সমৃদ্ধ বাদাম খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ও প্রদাহ কমাতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194123306.jpg

১০. সানস্ক্রিনকে ভুলে গেলে একেবারেই চলবে না। খুবই প্রয়োজনীয় এই জিনিসটিকে প্রতিদিনের ব্যবহার্য অনুষঙ্গের মাঝে অবশ্যই রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: নিজের যত্নে অবহেলা নয়

আরও পড়ুন: যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি

দাঁতে নখ কাটার ৭ স্বাস্থ্য ঝুঁকি
বেশ কয়েক ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে এই অভ্যাস থেকে, ছবি: সংগৃহীত

সারাদিনে সব কাজ করা হয় হাত দিয়েই।

অনেক সময় খেয়াল থাকে না কী করা হয়েছে এবং সেই নোংরা হাতের নখ বেখেয়ালে কাটেন অনেকেই। এর ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস সহ ময়লাগুলো শরীরে প্রবেশ করে অবলীলায়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নখ কাটা হয় স্বভাববশত। আবার কোন সমস্যা যেমন- কিছু ভাবলে, চিন্তা করলে, অন্যমনস্ক হলে, কারো সাথে কথা বলার সময়, বকা শুনলে, কোন কারণে রাগান্বিত হলে ইত্যাদি কারণেও নখ কাটা হতে পারে।   

অনেকেই ভাবেন দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস কেনো কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, এটি জটিল কোন ব্যাপার তো নয়। Onychophagia একটি অনিয়ন্ত্রিত মৌখিক স্বাস্থ্যজনিত রোগ বা দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস। অনেকেই এই সমস্যায় ভুক্তভোগী।

কিন্তু জেনে রাখা প্রয়োজন দাঁতে নখ কাটার ফলে দেখা দিতে পারে, কোন ৭ ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। সেক্ষেত্রে নিজের এই বদঅভ্যাসটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

ত্বকের ইনফেকশন

নিউ ইয়র্ক শহরের ত্বক-বিশেষজ্ঞ দেব্রা জলিমান এমডি স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানান, দাঁতে নখ কাটার ফলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমন একটি জীবাণু হলো, প্যারোনিচিয়া। যার ফলে ত্বক লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে এবং নখের ভেতরে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

আঙ্গুলের বিকলাঙ্গতা

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেনশন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ডেভিড কাটজ জানান, প্যারোনিচিয়া বা ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশন যদি অতিমাত্রায় হয়ে যায় তাহলে তা হাতের হাড়ের বন্ধনীগুলোতেও ইনফেকশন ছড়িয়ে দিতে পারে। এটি সেপ্টিক আর্থথ্রিটিস নামক একটি অবস্থার ফলে হতে পারে, যা নিরাময় করা কঠিন এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563189891612.jpg

নখের আকৃতির বিকৃতি

চিকিৎসক জলিমান ব্যাখ্যা করেছেন, দীর্ঘদিন যাবৎ দাঁতে নখ কাটালে নখের নিচে থাকা টিস্যু নষ্ট হয়ে যেতে পারে ও এর ফলে নখের আকৃতির বিকৃতি দেখা দিতে পারে। এছাড়াও নখের শিরার সমস্যা হলে নখ বড় হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

হার্পিস ভাইরাস

ঠাণ্ডা-জ্বরের মাঝে দাঁতে নখ কাটলে মুখ ও ঠোঁটের মাধ্যমে হার্পিস নামক ভাইরাস নখে ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ঠোঁট ও নখে ঠোসা জাতীয় ইনফেকশন হতে পারে।

দাঁতের সৌন্দর্য নষ্ট

একাডেমি অব জেনারেল ডেন্টিস্ট্রি সহ মেরিল্যান্ড-ভিত্তিক দন্তচিকিৎসক গিগি জানান, রোগীদের দাঁতে নখ কাটার ভফলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় তাদের চিকন ও ভঙ্গুর দাঁতে। দাঁতে নখ কাটার ফলে জীবাণুগুলো দাঁতকে কালো, নষ্ট করে ফেলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563189876237.jpg

দাঁতের স্থান পরিবর্তন

যারা সাধারণত দাঁতে নখ কাটেন, তারা নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট দাঁতেই নখ কেটে থাকেন। এর ফলে দাঁতে বারংবার চাপ অরথোডন্টিক প্রয়োগের মতো কাজ করে। এতে দাঁতের স্থান সরে যেতে পারে।

মাড়ির সমস্যা

চিকিৎসক মাইনকে সতর্ক করেছেন, মাঝে মাঝে দাঁতে নখ কাটার ফলে নখের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র টুকরোগুলো মাড়িতে গিয়ে আটকিয়ে যায়। এতে সৃষ্টি হয় মাড়ি ফোলা, রক্ত বের হওয়া, ব্যথা করা সহ নানান ইনফেকশন।

কিভাবে নখ কামড়ানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করা যাবে?

১. নখ কেটে ছোট করে রাখতে হবে। নখ কাটটে হবে নখের মাংসের একটু নিচে, যাতে দাঁতের স্পর্শে না আসে। 

২. নারীরা নখে দামি নেইলপলিশ ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে তা নষ্ট করতে না চাইলে নখ কামড়ানো থেকে বিরত থাকতে পারবেন।

৩. হাতে স্ট্রেস বল বা রাবার জাতীয় কিছু নিয়ে রাখতে পারেন।

সাথে নিজেও খুঁজে নিতে পারেন এমন কোন পদ্ধতি, যেটি আপনাকে দাঁতে নখ কাটা থেকে দূরে রাখবে।

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

আরও পড়ুন: সুস্থতার জন্যে বিশ্রাম ও ঘুম কতটা জরুরি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র