Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘বাবল বয়’ রোগ সারাতে এইচআইভি!

‘বাবল বয়’ রোগ সারাতে এইচআইভি!
প্লাস্টিক চেম্বারে ডেভিড, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, আটজন নবজাতকের ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সি (Immunodeficiency) রোগ সারাতে এইচআইভি (HIV) ব্যবহার করা হয়েছে। ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সি সিন্ড্রোমে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।

এই রোগটির পোশাকি নাম হলো ‘বাবল বয়’ ডিজিজ। ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া ডেভিড ভেটরের শারীরিক অবস্থা থেকে রোগটির এমন নামকরণ করা হয়। জন্মের মাত্র ২০ সেকেন্ড পরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে প্লাস্টিক আইসোলেশন চেম্বারে স্থানান্তর করে দেয়। যেখানে ভেটরকে কাটাতে হয় টানা ছয় বছর।

পরবর্তীতে নাসা থেকে তাকে স্পেশাল স্পেস স্যুট দেওয়া হয়। বোন ম্যারো ট্রান্সফার অস্ত্রোপচার অসফল হওয়ায় ইমমিউনোডেফিসিয়েন্সিতে আক্রান্ত ভেটর মাত্র ১২ বছর বয়সে মারা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555642537317.jpg
বাবল বয় রোগে আক্রান্ত ডেভিড ভেটর।

 

বাবল বয় রোগ ভালো করতে এইচআইভি ব্যবহারের গবেষণার তথ্যাদি প্রকাশিত হয় মার্কিন যুক্তরাজ্যের জার্নাল অব মেডিসিনে এবং গবেষণাটি করা হয় টেনেসি হসপিটালে।

যে শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধের কোন ক্ষমতাই ছিল না, তারা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বেঁচে আছে এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি সচল।

বাবল বয় রোগে আক্রান্ত শিশুদের সম্পূর্ণরূপে জীবাণুমুক্ত স্থানে রাখতে হয়। এমন রোগে আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত নবজাতক অবস্থাতেই মারা যায়।

রোগটির চিকিৎসা জিন থেরাপিতে জন্মের পরপরই শিশুদের অস্থি মজ্জা সংগ্রহ করার মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে তাদের ডিএনএর ত্রুটি ঠিক করা হয়। ঠিক করা জিনটি এইচএইভির অল্টার্ড ভার্সনে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই এইচএইভি ভাইরাস থেকেই সৃষ্টি হয় মরণব্যাধি এইডসের।

গবেষকেরা জানান, বেশিরভাগ শিশুদের চিকিৎসা সেবা নেওয়ার এক মাসের মাঝেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গবেষণার প্রধান লেখক সেইন্ট জ্যুড হসপিটালের ডাঃ ইউলিনা মামকার্জ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের রোগীরা এখন একেবারেই শিশু। তাদের শরীর এই ভ্যাকসিনে খুব ভালোভাবা সাড়া দিয়েছে। সাধারণ জীবনযাপন ও দুনিয়া আবিষ্কারের জন্য তাদের ইনফেকশনের বিপক্ষে সুরক্ষার প্রয়োজন’।

বাবল বয় রোগের আক্রান্ত শিশুদের মেমফিজের সেইন্ট জ্যুড চিলড্রেনস রিসার্চ হসপিটাল এবং সান ফ্রান্সিসকোর ইউসিএসএফ বেনিওফ চিলড্রেনস হসপিটালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

এই চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি বোন ম্যারো ট্রান্সফারের চিকিৎসা পদ্ধতিও রয়েছে বাবল বয় রোগের জন্য। তবে এতে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চিকিৎসা অকার্যকর হয় নানাবিধ কারণে।

আরও পড়ুন: শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষও পরিচালনা করবে রোবট!

আরও পড়ুন: আবিষ্কৃত হলো চিকন থাকার ‘রহস্য’

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র