Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নাশতার জন্য ‘পারফেক্ট’ পাঁচ খাবার

নাশতার জন্য ‘পারফেক্ট’ পাঁচ খাবার
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নানাবিধ অস্বাস্থ্যকর খাবারের মাঝে নিজেকে সুস্থ রাখা বড় ধরণের চ্যালেঞ্জই বটে।

জাংক ফুড ও অস্বাস্থ্যকর কার্বযুক্ত খাবারে ওজন বেড়ে যায় অনেকখানি, দেখা দেয় ওবেসিটি। জাংক ফুডে থাকা উচ্চমাত্রার চিনি ও ক্ষতিকর ফ্যাট ওজন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি অসুস্থতাও তৈরি করে। মূলত এ কারণেই প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিদিন আঁশযুক্ত ও স্বাস্থ্যকর কার্বযুক্ত খাদ্য গ্রহণে ওজনকে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। সকালের নাশতায় আঁশযুক্ত উপকারী খাবার খেলে উপকারিতা পাওয়া যাবে সবচেয়ে বেশি। তাই জেনে রাখুন সকালে নাশতার টেবিলে কোন পাঁচটি খাবার আপনাকে সুস্থ রাখতে ও ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

আপেল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/27/1553687742427.jpeg

রঙ (লাল ও সবুজ আপেল) ও আকারের উপর নির্ভর করে প্রতিটি আপেলে থাকে ১৩-১৫ শতাংশ পর্যন্ত উপকারী কার্ব, ভিটামিন ও মিনারেল সমূহ। অন্যতম স্বাস্থ্যকর এই ফল থেকে আরও পাওয়া যাবে সুস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ভিটামিন-সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিনের নাশতায় একটি আপেল অবশ্যই রাখা প্রয়োজন।

মিষ্টি আলু

সবজির মাঝে মিষ্টি আলু দারুণ পুষ্টিকর। যেখানে সাধারণ আলু পরিমিত খাওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়া, সেখানে মিষ্টি আলু একেবারেই ভিন্ন। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং এতে থাকা আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-এ, ম্যাংগানিজ ও ভিটামিন-সি মিষ্টি আলুকে অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত করেছে। এছাড়া মজাদার এই সবজিতে থাকা পরিমিত মাত্রার কোলেস্টেরল, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, সোডিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সারাদিন সতেজ থাকতে সাহায্য করবে।

কলা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/27/1553687723485.jpg

সুমিষ্ট ও সুপরিচিত এই ফলটি থেকে পাওয়া যাবে স্বাস্থ্যকর ২৩ শতাংশ কার্ব। কাঁচা কলাতে মিষ্টিভাব তথা চিনির মাত্রা খুবই কম থাকে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে পাকা কলাতে মিষ্টিভাব বেশ ভালো থাকে। উচ্চমাত্রার ভিটামিন-বি৬, পটাশিয়াম ও ভিটামিন-সি এর উপস্থিতির জন্য সকালের নাশতায় ছোট একটি পাকা কলা প্রতিদিন রাখার চেষ্টা করতে হবে।

কুইনো

সম্পূর্ণ গ্লুটেনবিহীন কুইনোতে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যআঁশ। তবে এতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে রয়েছে অ্যান্টি-ভাইরাল ও প্রদাহ বিরোধী উপাদান। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ এই খাবারটি সকালের নাশতার প্রধান খাদ্য হিসেবে রাখলে স্বাস্থ্য ও ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগা লাগবে না একদম।

ওটস

ইতোমধ্যে সকালের নাশতার অন্যতম স্বাস্থ্যকর ও বহুল বিক্রিত খাদ্য উপাদান হিসেবে ওটস পরিচিতি পেয়েছে। অন্যতম স্বাস্থ্যকর দানাদার এই খাদ্য উপাদানটি মিনারেল, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের চমৎকার প্রাকৃতিক উৎস। ১০ শতাংশ খাদ্যআঁশ ও ৬০ শতাংশ স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে কাজ করে। সাথে অবশ্যই ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে উপকারী ওটস।

আরও পড়ুন: কতটা জানেন কুইনোর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে?

আরও পড়ুন: অনবদ্য খাদ্য উপাদান ওটস

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র