Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!

পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পছন্দের কফিশপে গড়ে দুই-তিন’শ টাকা খরচ করলেই মিলে যায় মনজুড়ানো গন্ধ ও স্বাদের লোভনীয় কফি।

উষ্ণ এই পানীয়ের আবেদন রয়েছে বিশ্বের সবখানেই। কফি পানের জন্য কফি বিনস যতটা ভালো মানের হবে, কফি ততটাই সুস্বাদু হবে।

সর্বোচ্চ দামের কফি হিসেবে অনেকেই কপি লুয়াককে চেনেন। আদতে কপি লুয়াকের চাইতেও আরও দামী কফি বিনস আছে, যেটা সম্পর্কে খুব একটা জানা নেই অনেকেরই। আজকের পোস্টে তাই তুলে ধরা হয়েছে পৃথিবীখ্যাত সর্বোচ্চ দামের পাঁচ কফি বিনসের বিশদ পরিচিতি।  

৫. হাসিয়েন্ডা এল রোবেল (Hacienda el Robel)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582316706.jpg

পুরো এক বছরে এই কফিটি পাওয়া যায় খুবই স্বল্প পরিমাণে, মাত্র ২২ কেজি। দক্ষিণ কলম্বিয়ার ফুলটাইম কৃষিবিদের তত্ত্বাবধানে পাওয়া যায় এই কফি বিনস। এই কফির গাছগুলো পরিচর্যায় ব্যবহৃত হয় মুরগীর বিষ্ঠার সার। গাছগুলো বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক পদ্ধতি রোদের আলো ও ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া। তবে দক্ষিণ কলম্বিয়ায় চড়া মূল্যের এই কফি গাছ বেড়ে উঠলেও কফি বিনস প্রস্তুত ও রোস্ট করার জন্য শুধু একটি স্থানই রয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। যেখানে কফি বিনস ও কফি সম্পর্কিত সকল তথ্য গোপন রাখা হয় খুব যত্ন সহকারে। এই কফি বিনস প্রতি পাউন্ডের দাম পড়বে ১০০ মার্কিন ডলার তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৪১২ টাকা।

৪. অসপিনা ডিনেস্ট্রি গ্র্যান ক্যাফে প্রিমিয়ার গ্র্যান্ড সিআরইয়ু (Ospina Dynasty Gran café Premier Grand cru)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582357662.jpg

অন্যতম পুরনো কফি বিনস হিসেবে সুপরিচিত অসপিনা ডিনেস্ট্রি কফি বিনস। ১৮৩৫ সালে জেল পালানো দুই ভাইয়ের হাত ধরেই সর্বপ্রথম এই কফির উৎপত্তি হয়। নামের মতোই বেশ খানদানি পরিবেশে বেড়ে ওঠে এই কফি গাছ। কলম্বিয়ার অ্যান্টিওকিয়া (Antioquia) প্রদেশে প্রায় ৭৫০০ ফিট উঁচু আগ্নেয়গিরির ভস্মযুক্ত স্থানে এই কফি গাছগুলো পাওয়া যায়। অমন পরিবেশ ও স্থানে বেড়ে ওঠার ফলে এই কফির স্বাদ ও গন্ধ যেকোন কফি থেকেই ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া কফি প্রস্তুত করার হলে ভেলভেটের মতো নমনীয় তবে প্রখর সুগন্ধের কফি তৈরি হয়। প্রতি পাউন্ড অসপিনা কফি কিনতে গুণতে হবে ১৫০ মার্কিন ডলার তথা ১২,৬১৮ টাকা।

৩. হাসিয়েন্ডা লা এসমেরাল্ডা (Hacienda la Esmeralda)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582384771.jpg

এই কফিটি গেইশা (Geisha) কফি বিনস হিসেবেও পরিচিত, যার আদি উৎপত্তিস্থল হলো ইথিওপিয়া। তবে পরবর্তীতে পানামাতে এসে জনপ্রিয় ও মূল্যবান কফি বিনস হিসেবে পরিচিত লাভ করে গেইশা। এই কফিটির ব্যতিক্রমী স্বাদ ও গন্ধের প্রধান কারণ কফি বিনস বেড়ে ওঠে ভিন্ন মাত্রার উচ্চতায়। মাটি থেকে প্রায় ১৫০০-১৯০০ মিটার উপরে জন্ম নেওয়া এই কফি বিনসের স্বাদ ও গন্ধ একেবারেই ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া এই কফি তৈরিতে শারীরিক পরিশ্রম ও যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। যে কারণে দামটাও গুণতে হয় বেশি। প্রতি পাউন্ড হাসিয়েন্ডা লা এসমেরাল্ডা কফি বিনস পাওয়া যাবে ১০০-৩৫০ মার্কিন ডলার তথা ৮৪১২-২৯,৪৪৩ টাকায়।

২. কপি লুয়াক (Kopi Luwak)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582501710.jpg

বিশ্বজোড়া অন্যতম জনপ্রিয় ও বিখ্যাত (নাকি কুখ্যাত!) কফি হলো এই কপি লুয়াক। মূলত এই কফি বিনস তৈরির মূল প্রক্রিয়াটির জন্যেই কপি লুয়াককে এতো বেশি মানুষ চেনে। পাম সিভেট (Palm Civet) নামক প্রাণী যাকে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় নামে টডি ক্যাট নামেই ডাকা হয়ে থাকে, এই প্রাণীর মল থেকে পাওয়া যায় চড়া মূল্যের এই কফি বিনস।

বড় চোখের প্রাণী পাম সিভেট দারুণ বাছবিচার করে তবেই কফি চেরি খায়। সবচেয়ে ফ্রেশ, মিষ্টি ও সুন্দর কফি চেরিগুলো বেছে নেয় তারা খাওয়ার জন্য। কফি চেরিগুলো খাওয়ার পর সেগুলো সিভেটের পেটে ভালোভাবে পরিপাক হয়। এটাই মূলত কফি চেরিগুলোর সবচেয়ে ভালো ও প্রাকৃতিক ফার্মেনটেশন প্রক্রিয়া। পরিপাককৃত কফি চেরিগুলো মলের সাহায্যে বের হয়ে যাওয়ার পর সেগুলো বেছে কয়েক ধাপে পরিষ্কার করে, রোস্ট করে তবেই কফির জন্য জ্বাল দেওয়া হয়। এই কপি লুয়াক কেনা যায় প্রতি পাউন্ড ৬০০ মার্কিন ডলার তথা ৫০,৪৭৫ টাকায়। তবে দুঃখজনক হলো, বেশ কিছু সুযোগ সন্ধানী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সিভেটকে খাঁচায় আটকে রেখে কপি লুয়াক কফি বিনস প্রস্তুতের চেষ্টা করছে অর্থলোভে। এতে করে সিভেটের উপরে প্রভাব পড়ার পাশপাশি, রিয়েল কপি লুয়াকের মানও কমে যাচ্ছে।

১. ব্ল্যাক আইভরি (Black Ivory)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582543558.jpg

বিখ্যাত কপি লুয়াকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণের বেশি দামী ব্ল্যাক আইভরি দখল করে নিয়েছে এক নাম্বার স্থানটি। নামের মতোই বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ ও রহস্যময় মনে হতে পারে এই কফিকে। কিন্তু এই কফিটির সাথে কপি লুয়াকের খুব দারুণ একটি মিল রয়েছে। ব্ল্যাক আইভরিও তৈরি করা হয় হাতির মল থেকেই!

উত্তর থাইল্যান্ডের হাতিদের অ্যারাবিকা কফি বিনস খাওয়ার মধ্য দিয়ে এই ব্ল্যাক আইভরি তৈরির প্রস্তুত প্রণালি শুরু হয়। হাতি এক বিশেষ ধরণের এনজাইম তৈরি করে, যার ফলে কফি বিনস সম্পূর্ণভাবে পরিপাক হতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। পরবর্তীতে হাতির মল থেকে কফি বিনস আলাদা করা হয়।

এই কফির অবিশ্বাস্য উচ্চমূল্যের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। হাতি যে পরিমাণ কফি বিনস খায়, যে পরিমাণ পরিপাককৃত কফি বিনস পাওয়া যায় না। কারণ হাতি বেশিরভাগ কফি বিনস সম্পূর্ণ চিবিয়ে ফেলে। এছাড়া হাতির মল থেকে আস্ত কফি বিনস খুঁজে বের করাও বেশ কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ বিষয়। সর্বোচ্চ দামের ব্ল্যাক আইভরি কফি পান করতে চাইলে প্রতি পাউন্ড কফি বিনস কিনতে হবে ১৫০০ মার্কিন ডলার তথা ১,২৬,১৮৮ টাকায়।

আরও পড়ুন: কতটা উপকারী প্রিয় পানীয় কফি?

আরও পড়ুন: কোল্ড কফি ও হট কফি: কোনটা বেশি উপকারী?

আপনার মতামত লিখুন :

খালি পেটে কফি পান নয়

খালি পেটে কফি পান নয়
ছবি: সংগৃহীত

বহুমুখী স্বাস্থ্য উপকারিতা তো আছেই, কফির সুঘ্রাণ ও সুস্বাদের সাথে দিনের শুরু হওয়া অনেকের জন্যেই বাধ্যতামূলক যেন।

অনেকেই ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে, কোন খাবার না খেয়েই কফির পেয়ালায় চুমুক বসান। কিন্তু একদম খালি পেটে কফি পান করা কতটা উপকারী? খালি পেটে কফি পানে কি তার উপকারিতাগুলো শরীর পরিপূর্ণভাবে পায়?

উত্তরে বলতে হবে, না। একদম খালি পেটে নয়, কফি পান করতে হবে হালকা কোন খাবার খাওয়ার পরেই। একদম খালি পেটে কফি পানের ফলে শরীরে কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। কর্টিসল শরীরের মেটাবলিজম, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মানসিক চাপের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563462138926.jpg

এখন প্রশ্ন হলো, কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কি সমস্যা হবে? এখানে উত্তরে বলতে হবে, হ্যাঁ। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, খালি পেটে কফি পানের ফলে কর্টিসলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা মানসিক চাপ তৈরি করে ও বাড়িয়ে দেয়।

এতে করে খুব দ্রুত মুড বদলে যায় এবং এর ফলে স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। এছাড়া কফি পাকস্থলিস্থ অ্যাসিড নিঃসরণের মাত্রাও বৃদ্ধি করে। যা অ্যাসিডিক প্রভাব তৈরি করে। ফলে বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

নিজেকে চাঙা রাখতে, সারাদিনের কর্মব্যস্ততার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে ও কফির উপকারিতাগুলো পেতে চাইলে সকালে নাশতা সেরে অথবা হালকা কিছু খেয়ে তবেই কফি পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ব্ল্যাক কফি পানে ওজন কমে?

আরও পড়ুন: কতটুকু কফি পান নিরাপদ?

আরও পড়ুন: কফি পানের সঠিক সময় কোনটি?

ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সচেতনতার সাথে প্রয়োজন সঠিক পদক্ষেপ

ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সচেতনতার সাথে প্রয়োজন সঠিক পদক্ষেপ
পানি জমলেই জন্ম নেবে মশা, ছবি: সংগৃহীত

মায়ের শীতল হাতের ছোঁয়া আর মমতামাখা ভালোবাসার চাদর জড়িয়েও কমানো যাচ্ছে না তিন বছর বয়সী ঐশীর জ্বর। হাসপাতালের বারান্দায় স্থান হয়েছে ঐশীর, অথচ মা কখনো তাকে খালি পায়ে মেঝেতে নামতে দিত না। ধীরে ধীরে ফ্যাকাসে হয়ে আসছে ঐশীর চেহারা, মাঝে মাঝে বমি করছে। অস্থির মা বারবার ছুটে যাচ্ছে ডাক্তারের কাছে। মেয়ের পাশে অসহায় পিতা নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, বেদনায় পাণ্ডুর মুখ কিন্তু কাঁদতে পারছে না মেয়ের কষ্ট দেখে।

অথচ মায়ের সচেতনতার কমতি ছিলো না কিছুতেই। জুন মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হলে তিনিও সচেতন হয়ে উঠেন। সকাল সন্ধ্যা স্প্রে এবং সন্তান ঘুমালে কয়েল জ্বালিয়ে দেওয়া তার আহার্যের মত নিত্যনৈমেত্তিক কাজ। কিন্তু সাধের বারান্দাতে বাহারি ফুল গাছের সম্ভার তৈরি করেছিলেন। সেখানেই জন্ম নেয় ঘাতক এডিস মশা।

সেক্ষেত্রে সচেতন হয়ে অ্যারোসল স্প্রে বা মশার কয়েলের পাশাপাশি ব্যবহার করতে হবে মশারি। দুপুরের ভাতঘুমে আলসেমি করে মশারি ব্যবহার করে না অনেকেই। এই প্রথার বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে। সাথে সন্ধ্যায় হতেই বন্ধ করে দিতে হবে জানাল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563457264592.jpg

শুধুমাত্র সামাজিক সচেতনতা নয়, সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ রক্ষা করতে পারে ডেঙ্গুর মহামারি। নিজের ঘর ও উঠান থেকে শুরু করতে হবে পরিচ্ছন্নতা। কোন স্থানে কিছুতেই জমতে দেওয়া যাবে না পানি। জলাবদ্ধতা নিরসন করা গেলে আঁতুড় ঘরেই নিধন হবে মহামারি ডেঙ্গু। সাধারণত ফুলের টব, পরিত্যাক্ত ড্রাম, ফেলে দেওয়া বোতল, ভাঙ্গা বালতি ইত্যাদিতে এক বা দুই দিনের জমে যাওয়া পানিতে জন্ম নেয় মশার লার্ভা। আর এক সপ্তাহের ভেতর হয়ে উঠে ঘাতক।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এডিস মশাবাহী ভয়াবহ ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয় ২০০০ সালে। ৯৩ জন মারা যায় সেবার। সকলে সচেতন হয়ে উঠলে ধীরে ধীরে কমতে থাকে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা।

কিন্তু গত বছর থেকে আবার যেন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে ডেঙ্গু জ্বর। সরকারি হিসাবমতে গত বছর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত প্রায় ১০ হাজার রোগীর মাঝে মারা যায় ২৬ জন।

এবারের ডেঙ্গু জ্বর একটু ভিন্ন। শক্তিশালী স্টেইনের ডেঙ্গু ভাইরাস মূলত তৃতীয় প্রজাতির এডিস মশা ছড়াচ্ছে। জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই ৫ মাসে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। ইতোমধ্য সরকারি হিসাবে প্রায় সাড়ে চার সহাস্রাধিক ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। মারা গিয়েছে তিন জন। বেসরকারি হিসাবে কয়েকগুন বেশি বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

বিগতবার থেকে এবার ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ যেমন বেশি তেমনি রয়েছে ভিন্নতা। আগে ডেঙ্গু জ্বর হলে মাথা ব্যথা, চোখের পেছন অংশে ব্যথা হত। কিন্তু এবারের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ভিন্ন, ধরতেও সময় প্রয়োজন হচ্ছে।

তাই সামান্য জ্বর হলেও অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, ডায়বেটিস, লিভার, কিডনী ও রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু জ্বর হলে বিশেষ নজর দিতে হবে।

এ বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও দুই-তিন দিনের মধ্য রক্তে প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। বেশি করে পানি ও তরলজাত খাবার দিতে হবে রোগীকে।

এছাড়া এসপেরিন বা এন্টিবায়োটিক ঔষুধ কোনোভাবেই সেবন করা যাবে না। জ্বর নিরাময়ের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেতে হবে। পান করতে হবে ডাবের পানি ও স্যালাইন।

সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণে ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করা খুব কঠিন কিছু নয় মোটেও।

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র