Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রযুক্তি ব্যবহারের অপরিহার্য কিছু নিয়মনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারের অপরিহার্য কিছু নিয়মনীতি
ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিনের কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েই চলেছে।

অফিস থেকে বাসার কাজ- সবকিছুতেই আমরা এখন প্রযুক্তি নির্ভর। প্রযুক্তি ছাড়া আমাদের দৈনন্দিনের যোগাযোগ করাও সম্ভব নয়।

প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও নির্ভরতা আমাদের প্রযুক্তির প্রতি আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই আসক্তির কারণে অনেকাংশেই আমরা প্রযুক্তি ব্যবহারের আদব-কায়দা হারাতে বসেছি।

জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু নিয়ম, যা প্রতিদিনের প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত কাজের ক্ষেত্রে মেনে চলা প্রয়োজনীয়।

১. ই-মেইলে কিছু লিখলে তার শেষে ‘Thanks’ লিখতে হয়। অপরদিকের মেইল গ্রহীতা যদি মনে করেন, ব্যপারটি অনুসরণ করা প্রয়োজন। তবে তিনি আপনাকে জানিয়ে দিবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/02/1551505124959.jpg

২. ওয়েটিং রুম, চেক আউট লাইন, রেস্টুরেন্ট, ট্রেন বা বাথরুমের স্টলে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করাই শ্রেয়। যখন আপনাকে কেউ সাহায্য করতে চাইবে কিন্তু আপনি তাকে গুরুত্ব না দিয়ে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকবেন তখন ব্যাপারটি বেশ বিরক্তিকর। তাই কেউ আপনাকে কোন কাজে সাহায্য করতে চাইলে, মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে উক্ত ব্যক্তি বা কাজের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে।

৩. যখন কোন ব্যক্তির সাথে কথা বলবেন বা কোন কারো সাথে দেখা করবেন, তখন বারবার মোবাইল ফোন না দেখাই ভালো। যদি কেউ আপনার সাথে মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ করার চেষ্টা, তবে আপনি আপনার সময় সুযোগ মতো রেসপন্স করতে পারবেন। মোবাইলের নোটিফিকেশন থেকেই সব আপডেট পাওয়া যাবে।

৪. কারো সাথে ম্যাসেজের মাধ্যমে কথা বলার আগে জেনে নিন, তার হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে কিনা বা তিনি এই মুহূর্তে আপনার কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে কথা বলার মত মানসিকতায় আছেন কিনা। নতুবা আপনাদের কথোপকথনটি খুবই বোরিং ও অসফল হতে পারে।

৫. টুইটারে কারো সাথে কথোপকথন চালিয়ে যেতে Direct Message (DM) বা ই-মেইল ব্যবহার করুন। টুইটে বারবার ‘@’ চিহ্ন ব্যবহার করে কথোপকথন না চালানোই ভালো। এতে করে অন্য ব্যবহারকারীরা বিরক্ত বোধ করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/02/1551505234630.jpg

৬. যেকোন ওয়াইফাই ব্যবহারের আগে জেনে নিন সেটি নিরাপদ কিনা। নয়তো সামান্য ওয়াইফাই ব্যবহার করতে গিয়ে আপনি জড়িয়ে যেতে পারেন যেকোন বড় সমস্যায়।

৭. ই-মেইল পাঠানোর আগে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ই-মেইলে অযথা কোন রঙিন লেখা, ক্লিপ আর্ট, ইমোজি যোগ করা উচিত নয়। মেইলে বড় ফাইল যোগ করা এবং সঠিকভাবে মেইল ফরোয়ার্ড করার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

৮. ই-মেইলের মাধ্যমে কাউকে কোন উপলক্ষ্য তথা- বিয়ে, জন্মদিন বা কোন অনুষ্ঠানের দাওয়াত দিতে চাইলে মেইলের শেষে ‘Thank you Note’ দেওয়া যাবে। তবে সেক্ষেত্রে মেইল টি শুধু মাত্র একজনকেই পাঠাতে হবে। সিসি (CC) তে কাউকে রেখে মেইলটি পাঠানো যাবে না।

আরো পড়ুন: পেটের মেদ কমাতে উপকারী ৬ ব্যায়াম

আরো পড়ুন: ফল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি?

আপনার মতামত লিখুন :

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে
ছবি: সংগৃহীত

যে কাজটি সেই ছোটবেলা থেকেই করে আসছেন, সেটা সম্পর্কেও থেকে যেতে পারে সঠিক তথ্য ও নিয়ম জানার ভুল।

সঠিক নিয়ম ও তথ্য জানার জন্য বিশেষ ও নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তাই আজকের এই ফিচারটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন নিজেকে ও নিজের নখকে সুস্থ রাখা সঠিক পদ্ধতি।

নখ কাটার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো আগে একটা প্রশ্ন রাখা যাক। আপনি কী নখ খুব বেশি গভীর করে কাটেন, অর্থাৎ নখের নিচের নরম অংশ বা কিউটিকল পর্যন্ত বা সেটা ছাড়িয়ে? উত্তর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইতিবাচক হবে। কারণ ছোট থেকেই আমাদের শেখানো হয়, নখ কাটতে হয় একদম সম্পূর্ণ গোঁড়ার অংশ থেকে।

কিন্তু এভাবে নখ কাটা একেবারেই অনুচিত। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটলোজি জানাচ্ছে, কিউটিকল পর্যন্ত গভীর করে নখ কাটার ফলে নখ ও নখের পাশেপাশের নমনীয় স্থান খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এতে করে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

সঠিকভাবে নখ কাটার জন্য মূলত চারটি নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। দেখে নিন নিয়ম চারটি।

নখ ভিজিয়ে রাখা

নখ কাটার পূর্বে অবশ্যই মিনিট পাঁচেকের জন্য কুসুম গরম পানিতে নখ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পায়ের নখ হাতের নখের চাইতে তুলনামূলক বেশি মোটা হওয়ায় দশ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে নখ নরম যাবে এবং নখ কাটতে সুবিধা হবে।

নিয়মিত ট্রিম করা

নখের দুই পাশের অংশ হালকা কেটে অনেকেই নখ লম্বা করতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে ডার্মাটলোজিস্ট শারি লিপনার জানান, লম্বা নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সঠিক আকৃতিতে নখ ছোট রাখাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এতে করে নখ ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

নখ পরিষ্কার থাকা চাই

শুধু নখ কেটে সঠিক আকৃতিতে রাখাই যথেষ্ট নয়, নখের ভেতরের ও চারপাশের অংশ পরিষ্কার থাকা চাই। নখের ভেতর জমে থাকা ময়লা থেকেই নখে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও ইনফেকশন হতে পারে।

ফাইলিং করা জরুরী

আমাদের দেশে সাধারণত নিয়মিত নখ কাটা হলেও নখ ফাইলিং করা হয় না একেবারেই। কিন্তু নখকে মসৃণ ও দৃঢ় রাখতে চাইলে নখ কাটার পর ফাইলিং করার কোন বিকল্প নেই। এতে করে নখ দেখতেও সুন্দর লাগে।

আরও পড়ুন: ডিম ভাঙার সঠিক নিয়মটি জানেন তো?

আরও পড়ুন: বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে
ছবি: সংগৃহীত

রাতে ঘুমাতে যাওয়া থেকে শুরু করে সকালে ক্লাসে কিংবা অফিসে যাওয়ার পথেও কানে বাজতে থাকে পছন্দের গান।

কাজের ফাঁকে, মন খারাপ কাটাতে কিংবা একা সময়ে এই গানই যেন সবচেয়ে ভালো সঙ্গী। গান শোনায় কোন সমস্যা নেই, নেই কোন বাধাও। সমস্যাটা অন্যখানে। সেটা হলো গান শোনার মাধ্যম। সাধারণত হেডফোন কিংবা ইয়ারফোনের সাহায্যেই গান শোনা হয়ে থাকে এখনকার সময়ে। অথচ এই যন্ত্রটি ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেটা কি আমরা জানি!

ইয়ারফোন বা হেডফোনে অতিরিক্ত শব্দে গান শোনা বর্তমান সময়ের তরুণদের এক ধরনের নিত্যদিনের অভ্যাসের মতো সাধারণ বিষয়। এতে করে মন যতই শান্ত হোক না কেন, অপূরণীয় ক্ষতি হয় কানের। সবচেয়ে ভয়ানক বিষয়টি হলো, কানের ক্ষতি হলে সহসাই বিষয়টি বোঝা সম্ভব হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত চূড়ান্ত সমস্যা দেখা দেয়। জেনে অবাক হবেন, পুরো বিশ্বে ১.১ বিলিয়নের অধিক ১২-৩৫ বছর বয়সী মানুষ ইয়ারফোন ব্যবহারের ফলে শ্রবণশক্তি সংক্রান্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।

হেডফোনের ব্যবহারে কীভাবে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

ইয়ারফোন কিংবা হেডফোনের উচ্চশব্দে গানের বাজনা থেকে নয়েজ ইনডিউসড হিয়ারিং লস (NIHL), যা থেকে কানের অপরিবর্তনীয় (Irreversible) ক্ষতি হয় এবং চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে শ্রবণশক্তি হারিয়ে যায় বা বধির হয়ে যেতে হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566289831945.jpg

কানের ক্ষতি হলে কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পাবে?

নিয়মিত উচ্চ শব্দে ইয়ারফোনে গান শোনা হলে তার নেতিবাচক প্রভাবের দরুন বেশ কিছু লক্ষণ অবধারিতভাবে দেখা দেবে। এখানে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো।

১. হুট করে অকারণে কানের ভেতর রিং বাজতে থাকার মতো শব্দ হতে থাকা এবং কিছুক্ষণ পর নিজ থেকেই ঠিক হয়ে যাওয়া।

২. টিভি দেখার সময় বারবার শব্দ বাড়িয়ে দেওয়া। টিভি থেকে কিছুটা দূরে বসে আসলে শব্দ শুনতে সমস্যা হওয়া।

৩. তিন ফিট দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কথা শুনতে সমস্যা হওয়া।

কীভাবে এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে?

কানের ক্ষতিকে দূরে রাখার বিষয়টি খুব জটিল কিছু নয়। ইয়ারফোন বা হেডফোনে গান শোনার সময় শব্দের মাত্রা কমিয়ে রাখতে হবে। উচ্চমাত্রার শব্দ কানের ভেতরের স্পর্শকাতর হেয়ার সেলস (Hair cells) এ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই গান শুনতে হলেও শব্দ অর্ধেক কমিয়ে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে '60:60' রুলস মেনে চলতে হবে অবশ্য। শব্দের মাত্রা ৬০ শতাংশের বেশি ও সময় ৬০ মিনিটের বেশি একদম নয়।

এছাড়া ইয়ারফোন বা হেডফোন যেটাই ব্যবহার করা হোক না কেন, সবসময় মানসম্মত পণ্য ব্যবহার করতে হবে। কমদামী পণ্যে বাড়তি শব্দ তৈরি হয়। যা কানের জন্য ক্ষতিকর।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি যেভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে!

আরও পড়ুন: চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র