Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পছন্দের চাকরিটি ছেড়ে দিচ্ছেন?

পছন্দের চাকরিটি ছেড়ে দিচ্ছেন?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নানান কারণেই পছন্দ ও ভালো লাগার চাকরিটি ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

সেটা হতে পারে আর্থিক কিংবা ব্যক্তিগত কারণ। অনেক সময় বাসস্থান থেকে চাকরিক্ষেত্র দূরে হওয়ার ফলেও পছন্দের চাকরিটি থেকে অব্যাহতি নিতে হয়।

পুরনো চাকরিক্ষেত্রকে বিদায় জানানো, নতুন চাকরিক্ষেত্রকে স্বাগত জানানো স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু সমস্যাটি দেখা দেয়, বর্তমান চাকরিটি ভীষণ প্রিয় ও পছন্দের হওয়া সত্ত্বেও ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে।

এমন সময়ে মাথায় নানান ধরণের চিন্তাভাবনা ঘোরাঘুরি করে। মনের মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করে, অস্বস্তি কাজ করে। এ সময়ে যে চিন্তাগুলো মাথায় কাজ করে, তার কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো।

আমি কি ভুল করছি?

বর্তমান কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাথে খুব দারুণ সম্পর্ক, বস আপনার কাজ খুব পছন্দ করেন, নিজের কাজের বিষয়ে আপনি দারুণ আত্মবিশ্বাসী- তবে কি চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ভুল! প্রতিটি মানুষ তার কম্ফোর্ট জোনের ভেতরে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং সেই গণ্ডির মাঝেই থাকতে চায়। কিন্তু এই পরিসীমার বাইরে নিজেকে নিয়ে যেতে পারলেই পরিণত করা সম্ভব হবে নিজেকে। নতুন পরিবেশ, নতুন দায়িত্ব, নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন কাজের ধরণ- এই সব কিছুই আপনাকে অভিজ্ঞ হতে সাহায্য করবে।

পছন্দের চাকরিটি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আবেগ কাজ করবেই। কিন্তু সেটাকে পাত্তা দেওয়া যাবে না খুব একটা।

প্রিয় সহকর্মীদের সঙ্গে আর কখনো কি দেখা হবে?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/12/1549949084786.jpeg

ব্যস্ততা সবাইকেই গ্রাস। নিজস্ব কাজে সকলেই দারুণ ব্যস্ত। অপ্রিয় কর্মক্ষেত্র ছাড়ার সময় সহকর্মীদের সঙ্গে পুনরায় দেখা করার বিষয়ে কোন মাথাব্যথা কিংবা খারাপ লাগা কাজ করে না। কিন্তু প্রিয় কর্মক্ষেত্রে প্রিয় সহকর্মীদের ছেড়ে আসার সময় দারুণ মনঃকষ্ট দেখা দেওয়া শুরু করে।

যদিও সকলেই ব্যস্ত থাকবে নিজস্ব কাজের সঙ্গে, কিন্তু পরিকল্পনা করে দেখা করা খুব একটা কঠিন কোন বিষয় নয় মোটেও। ছুটির দিনগুলোতে কিংবা অফিস শেষে বিকাল-সন্ধ্যায় সকলে মিলে গেটটুগেদারের আয়োজন করলেও চমৎকার সময় কাটানো যাবে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে যোগাযোগ রক্ষা করা এখন এমন কঠিন কিছুই নয়।

আমার কাজগুলো তারা সামলে নিতে পারবে তো?

চাকরি ছাড়ার ক্ষেত্রে এই চিন্তাটা মূলত সবার আগেই কাজ করে। কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বেশ আগে থেকেই একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সে সময়েই চাকরিক্ষেত্র থেকে নতুন কাউকে খোঁজ করা শুরু করা হয়। যিনি আপনার দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারবে এবং পালন করতে পারবে। একটি সম্পূর্ণ চাকরিক্ষেত্র কখনোই একজনের উপর নির্ভরশীল নয়।

এমন ভাবনাটা মূলত কাজ করে অপরাধবোধ থেকে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি প্রতিটি কর্মক্ষেত্রই অহরহ ঘটছে। এটা নিয়ে অহেতুক দুশ্চিন্তা করার কিছুই নেই।

আরও পড়ুন: ‘প্রমোশন’ হবে নতুন বছরে!

আরও পড়ুন: ২০১৯ হোক ক্যারিয়ারের বছর

আপনার মতামত লিখুন :

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি
মিষ্টি আলুর গোলাপজাম, ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন ধরনের রেসিপির কল্যানে বাড়িতে বসেই তৈরি করে নেওয়া যায় পছন্দসই মুখরোচক নানা পদের মিষ্টি।

রসমালাই থেকে শুরু করে রসগোল্লা, কোনটাই বাদ যায় না। সে তালিকায় গোলাপজামও রয়েছে বটে।

কিন্তু আজকের রেসিপিতে নয়নাভিরাম মিষ্টি গোলাপজাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে একেবারেই ভিন্ন একটি উপাদান। ভিন্নতা আনতে গোলাপজাম তৈরি করা হয়েছে মিষ্টি আলু দিয়ে। আলু যাদের ভীষণ প্রিয় তারা এই মিষ্টি থেকে নজর এড়াতেই পারবেন না।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563275983781.png

১. ২টি সেদ্ধ ও ভর্তা করা মিষ্টি আলু।

২. ৩/৪ কাপ ময়দা।

৩. ১ চা চামচ বেকিং সোডা।

৪. ২ টেবিল চামচ দুধ।

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

১. ২ কাপ চিনি।

২. ২ কাপ পানি।

৩. কয়েকটি লবঙ্গ।

৪. এক চিমটি জাফরান।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276023054.png

১. চিনির সিরা তৈরি করতে একটি সসপ্যানে পানি দিয়ে এতে চিনি, লবঙ্গ ও জাফরান মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট তাপ দিতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত সিরা ঘন ও আঠালো না হয়। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। 

২. একটি পাত্রে মিষ্টি আলুগুলো চটকে ভর্তা করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন কোনো দলা হয়ে না থাকে। এতে বেকিং সোডা ছিটিয়ে, ময়দা ও দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। হালকা ভাবে ময়দা মাখাতে হবে, যদি বেশি আঠালো হয় তাহলে কিছু বাড়তি ময়দা দিতে হবে এবং যদি বেশি শুকনো হয় তাহলে বাড়তি দুধ দিতে হবে। মাখানো ময়দা খুব কোমল বা নরম হতে হবে।  

৩. মিষ্টির গোলা বানাতে, হাতে অল্প একটু ঘি বা ভেজিটেবল অয়েল মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো ময়দা থেকে কিছুটা নিয়ে হাতে রেখে গোল করে ঘুরাতে হবে। খেয়াল করতে হবে এতে কোনো ফাটা অংশ যেন না থাকে। সাথে খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন বেশি বড় না হয়, কারণ বড় হলে চিনির সিরা শোষণ করে আরও বড় হয়ে যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276040394.png

৪. গোলাপজাম ভাজার জন্য সসপ্যানে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে ঠিকমতো গরম করতে হবে। তেল যেন বেশি গরম না হয় আবার কম গরমও না হয় এবং ভাজার সময় যেন পুড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যখন গোলাগুলো তেলে দেয়া হবে, গোলাগুলো তেলের উপরে ভেসে উঠবে। সোনালি-খয়েরি রং না হওয়া পর্যন্ত মিষ্টির গোলাগুলো ভাজতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সসপ্যানে একসাথে অনেকগুলো মিষ্টি দেওয়া যাবে না। নয়তো ভালোভাবে ভাজা যাবে না।

৫. মিষ্টি ভাজা হয়ে গেলে উঠিয়ে সিরাতে মিষ্টিগুলো কয়েক ঘণ্টা  চুবিয়ে রেখে দিতে হবে।

ঠাণ্ডা হয়ে এলে এবং চিনির সিরা শোষণ করে মিষ্টি ফুলে উঠলে পরিবেশনের জন্য নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!
সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে পারলে কনভার্স স্নিকার্স থাকবে ঝকঝকে, ছবি: সংগৃহীত

আসছে বর্ষা জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেবে কনভার্স বা স্নিকার্স নিয়ে।

প্রিয় কনভার্সটাই সবার আগে নোংরা হবে বৃষ্টি-কাদায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে অনেকেই কেডসের বদলে সাদা কনভার্স পরতে পছন্দ করে। শুধু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের কাছেও কনভার্স পছন্দের তালিকায় থাকে।

সহজেই পরিধেয়, আরামদায়ক ও বর্ষাকালীন সময়ে কনভার্স পরার ফলে রাস্তার ময়লা-কাদা থেকে পা সুরক্ষিত থাকে বলে এদিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন সকলে। কিন্তু সমস্যাটা দেখা দেয় শখের কনভার্স যখন নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে সাদা কনভার্স ময়লা হয় খুব দ্রুততম সময়ে।

সাদা কিংবা রঙিন যেটাই হোক না কেন, কনভার্স পরিষ্কার করা বেশ কৌশলের বিষয়। আজকের ফিচার সেটাই জানানো হবে ধাপে ধাপে। যা আগত পুরো বর্ষা জুড়ে আপনার ও আপনার সন্তানের প্রিয় কনভার্স ও স্নিকার্সকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করবে।

কনভার্স ও স্নিকার্স কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?

কনভার্স বা স্নিকার্স যেটাই হোক না কেন, হাতের সাহায্যে যত্ন করে পরিষ্কার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। এতে করে প্রিয় জুতাটি নষ্ট হবে না। পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই ব্রাশের সাহায্যে জুতার উপরের অংশ ও আশেপাশের অংশসহ নিচের অংশের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে।

এবারে এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে এতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভেজা কাপড়ের সাহায্যে জুতার বাইরের অংশে ঘষতে হবে। দেখা যাবে যে কাপড়ে জুতার ময়লা উঠে আসছে। এভাবে দুইটি জুতাই পরিষ্কার হয়ে গেলে এতে জুতার ফিতা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রেখে উঠিয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563256592557.jpg

এবারে জুতা দুইটিকে সাদা পেপার টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। এতে করে জুতার বাড়তি পানি পেপার শোষণ করে নেবে। এরপর জুতাগুলো ঘরোয়া তাপমাত্রায় ও বাতাসে রাখতে হবে শুকানোর জন্য। রোদে কিংবা চুলার নিচে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জুতার ফিতা ভালোভাবে নিংড়ে শুকানোর জন্য নেড়ে দিতে হবে। জুতা ও ফিতা শুকিয়ে গেলে দেখা যাবে একদম নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।

কনভার্স ও স্নিকার্স থেকে কীভাবে দাগ ওঠাতে হবে?

সাধারণ ময়লা হওয়ার বাইরেও স্নিকার্স ও কনভার্সে জেদি দাগ লেগে যায়। যা উপরোক্ত নিয়মে পরিষ্কার করলেও পুরোপুরি উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে কনভার্সের তন্তুর উপর বিবেচনা করে দুই ধরনের উপাদান ব্যবহার করতে হবে। কনভার্স বা স্নিকার্স যদি ক্যানভাস কাপড়ের হয় তবে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ব্রাশ চুবিয়ে যে ব্রাশ দিয়ে জুতায় দাগযুক্ত স্থানে ঘষতে হবে। এবং চামড়ার হলে ভেজা ব্রাশে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা জুতার দাগযুক্ত স্থানে খুব আলতোভাবে ঘষতে হবে। এভাবে করলে খুব সহজেই দাগ উঠে যাবে স্নিকার্স বা কনভার্স থেকে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট টিভি পরিষ্কারের স্মার্ট উপায়!

আরও পড়ুন: কীভাবে পরিষ্কার করবেন মেকআপ ব্রাশ?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র