Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাঁচ উপকারি মশলার পঞ্চকথা

পাঁচ উপকারি মশলার পঞ্চকথা
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আয়ুর্বেদ হলো এমন একটি চিকিৎসার ধরণ যা প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপকারি উপাদানের যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

হাজার বছরের পুরনো এই চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত বেশিরভাগ উপাদানই আমাদের রান্নাঘরেই থাকে। সঠিক তথ্যের অভাবে যা ঠিকভাবে ব্যবহারে করা হয় না।

সময়ের পরিক্রমায় খাদ্যাভাস পরিবর্তিত হয়। ফলে উপকারি বেশ কিছু প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান বাদ পড়ে যায় অথবা তাদের ব্যবহার কমে যায় নিত্য দিনের খাদ্যাভাস থেকে। তাই আজকের ফিচারে এমন উপকারি পাঁচটি প্রাকৃতিক উপাদানের মশলার বর্ণনা তুলে ধরা হলো, আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে যার উপকারিতা ও ব্যবহার বেশ প্রচলিত।

হলুদ

ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন ধরণের রান্নায় সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও ব্যবহৃত মশলা হলো হলুদ। রান্নায় স্বাদ বর্ধনের জন্য হলুদ প্রয়োজন হলেও, স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য আলাদাভাবেই দেখা হয়। নিয়মিত হলুদ খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পায়। এছাড়া অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান হলুদ কাঁটাছেড়া ও ত্বকের বিচিন্ন সমস্যায় প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

জিরা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/20/1545285197158.jpg

বহু পরীক্ষিত একটি উদ্ভিজ মশলা হলো জিরা, যা খাদ্য পরিপাকের জন্য খুবই উপকারি উপাদান হিসেবে কাজ করে। পাকস্থলীর সমস্যা ও পরিপাকজনিত জটিলতা দূর করতে জিরা চমৎকার কার্যকরি। এমনকি বমিভাব ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যাগুলোকেও কমিয়ে আনে জিরা। এছাড়া এতে থাকা বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে ও পেটের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে জিরা রাখার চেষ্টা করতে হবে।

জাওন

ঘনঘন পেটে গ্যাসের সমস্যা ও পেটফোলা ভাব দেখা দেওয়ার সমস্যা থাকলে জাওন হতে পারে সবচেয়ে ভালো সমাধান। এক কাপ পানিতে এক চা চামচ জাওন সিদ্ধ করে ছেঁকে, ঠাণ্ডা করে পানিটা পান করতে হবে। এতে করে দ্রুততম সময়ের মাঝে পেটের সমস্যা, গ্যাস, পেটফোলাভাব ও খাদ্য পরিপাকজনিত সমস্যা কমে যাবে।

কালো গোলমরিচ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/20/1545285236286.jpg

কালো গোলমরিচের ঝাঁজ তার স্বাস্থ্য উপকারিতার মতোই তীব্র। এতে থাকা উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অ্যাক্সিডেন্টের উপকারিতা বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। খাদ্য পরিপাকের সহায়তা থেকে শুরু করে, বাড়তি ওজনকে নিয়ন্ত্রনে আনার মতো উপকারিতা পাওয়া যাবে এই একটি উপাদান থেকেই। তবে আয়ুর্বেদিক ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা ও কাশির সমস্যায় কালো গোলমরিচ ব্যবহার করা হতো সবচেয়ে বেশি।

মেথি

শুধু চুলের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য উপকারিতাও পাওয়া যায় মেথি থেকে। মেথির সবচেয়ে বড় গুণ হলো, এই উদ্ভিজ উপাদানটি ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে। এমনকি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত ২৫-১০০ গ্রাম মেথি খাওয়ার ফলে ডায়বেটিক রোগীদের হাইপারগ্লাসেমিয়ার সমস্যা কমে যায় অনেকটা। ডায়বেটিস বাদে গলা ব্যাথাও কমায় মেথি।

আরো পড়ুন: সুঘ্রাণে সুস্বাস্থ্যে মেথি

আরো পড়ুন: সময় এখন কমলালেবুর!

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র