Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আপনি কি ‘স্যাড’ সমস্যায় আক্রান্ত?

আপনি কি ‘স্যাড’ সমস্যায় আক্রান্ত?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

খুব বিষণ্ণ বোধ করছেন গত কিছুদিন যাবত?

কিছুই ভালো লাগছে না, অকারণে মন খারাপ হচ্ছে, বিরক্তিবোধ মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, কারণ ছাড়াই হয় কান্না পাচ্ছে অথবা রাগ হচ্ছে। হুট করেই যদি মানসিক অবস্থার এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, তবে বিচলিত হবার কিছু নেই। ‘স্যাড’ সমস্যয় আক্রান্ত হওয়ার ফলে মানসিক এই বিষণ্ণতা দেখা দিয়েছে।

কী এই ‘স্যাড’?

ইংলিশ শব্দ স্যাড (Sad) এর অর্থ মন খারাপ। তবে এখানে স্যাড একটি মানসিক সমস্যার সংক্ষিপ্ত রূপে প্রকাশ করা হয়েছে। সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার (Seasonal Affective Disorder – SAD) খুবই কমন একটি সমস্যা। যাকে উইন্টার ব্লুজও বলা হয়ে থাকে। আবহাওয়া বদলের সঙ্গে মনে ও মুডের পরিবর্তনের ফলে এই সমস্যাটি দেখা দেয়। বয়স ও লিঙ্গ ভেদে যে কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

স্যাড এর লক্ষণগুলো কী?

এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির মাঝে যে সকল লক্ষণ প্রকাশ পায় তা তুলে ধরা হলো-

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/19/1542611880283.jpg

১. প্রায় প্রতিদিন বিষণ্ণ বোধ করা।

২. প্রিয় কাজের প্রতিও আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।

৩. এনার্জি একেবারে কমে যাওয়া।

৪. ঘুমের সাইকেলে সমস্যা দেখা দেওয়া।

৫. ক্ষুধা ও ওজনে তারতম্য দেখা দেওয়া।

৬. মনোযোগ কমে যাওয়া।

৭. অকারণে নিজের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করা।

৮. প্রায়শ মরে যাওয়া ও আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় ঘোরা।

স্যাড দেখা দেবার কারণ কী?

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে দিনের সময়কাল কমে আসে। দিনের আলো কমে যাওয়ার ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ সাইকেলের স্বাভাবিক ক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। যা থেকে এই বিষণ্ণতা তৈরি হয়। অন্যদিকে রোদের আলো কম পাবার ফলে সেরোটোনিন হরমোন নিঃসরণের মাত্রাও কমে যায়। যা মুড পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

কীভাবে স্যাড সমস্যাকে কমানো যাবে?

সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার অ্যাসোসিয়েশন সাময়িক এই মানসিক সমস্যা কাটানোর জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী টিপস জানিয়েছে। যা স্যাড এর প্রভাবকে কমাতে বেশ কার্যকরি।

সবসময় একটিভ থাকতে হবে

নিজেকে সবসময় কাজের মাঝে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে। কাজ করতে ইচ্ছা না করলেও, জোর করে নিজেকে ব্যস্ত না রাখলে বিষণ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

বাইরে বের হতে হবে

সারাদিন ঘরের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকলে মন খারাপ হবার সম্ভবনা বেড়ে যাবে অনেকটা। ছোটখাটো কোন কাজে অথবা কিছুটা হাঁটার জন্য হলেও বাসা থেকে বের হতে হবে। বাইরের আলো-বাতাস ও প্রাণচাঞ্চল্যে মন খারাপ ভাব কেটে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/19/1542611943007.jpeg

নিজেকে উষ্ণ রাখতে হবে

যেহেতু শীতকালে এই সমস্যাটি দেখা দেয়, অবশ্যই নিজেকে গরম কাপড়ে উষ্ণ রাখতে হবে। উষ্ণতা উইন্টার ব্লুজ কাটাতে কার্যকরি। সঙ্গে গরম পানীয় ও খাবার খাওয়ার প্রতিও যত্নশীল হতে হবে।

আলো থাকুক চারপাশে

শীতকালে শুধু যে দিনের সময়কাল কমে যায় তাই নয়, সূর্যের দেখা পাওয়াও কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই চেষ্টা করতে হবে বাসা ও ঘর যতটা সম্ভব আলোকিত করে রাখার।

উইন্টার ব্লুজ বা স্যাড খুবই সাময়িক একটি মানসিক সমস্যা। আবহাওয়া পরিবর্তে এই সমস্যা দেখা দেয় ও সমস্যাটি কেটেও যায়। তবে যদি মানসিক বিষণ্ণতা দীর্ঘ সময় একইরকম থাকে ও আবহাওয়ার পরিবর্তনেও কোন পরিবর্তন না আসে, তবে অবশ্যই মানসিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

আরও পড়ুন: মানসিক সমস্যার কারণ যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম!

আরও পড়ুন: মানসিক সুস্বাস্থ্যে প্রয়োজন ‘পরিমিত’ শরীরচর্চা

আপনার মতামত লিখুন :

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

ডেঙ্গুতে উপকারী ড্রাগন ফ্রুট

ডেঙ্গুতে উপকারী ড্রাগন ফ্রুট
ড্রাগন ফ্রুট, ছবি: সংগৃহীত

বেশ অদ্ভুত চেহারার লালচে রঙের ফল পাওয়া যাচ্ছে ছোট-বড় প্রায় সব ফলের বাজারেই।

অপরিচিত ফল দেখে দেখে আগ্রহী ক্রেতারা এগিয়ে এসে জানতে চাইছেন ফলের নাম। সে ফলের নাম ড্রাগন ফ্রুট। নাম যেমন দশাসই, দামটাও তেমন। ফলের আকারের উপর নির্ভর করে এক কেজি ড্রাগন ফ্রুটের দাম হাঁকা হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত। দাম চড়া হলেও, ভিন্ন কিছুর স্বাদ পরখ করতে অনেকেই কিনে নিচ্ছেন ভিনদেশি এই ফল।

কী এই ড্রাগন ফ্রুট?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601159269.jpg

ফলটি ভিনদেশি হলেও, আমাদের দেশে দারুণ ফলন হয়েছে ফলটির। বড় বড় এলাকার বাগানে তো বটেই, ছাদে কিংবা বড় বারান্দাতেও ক্যাকটাস প্রজাতির গাছ থেকে চমৎকার ফল পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণেই বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে এর সহজলভ্যতা।

হালকা মিষ্টি, লাল ও সাদা বর্ণের এ ফলটির আদি নিবাস হলো দক্ষিণ আমেরিকা, মেক্সিকোতে। পরবর্তীতে ক্যাম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরে ড্রাগন ফ্রুট।

ড্রাগন ফ্রুটের স্বাস্থ্য উপকারিতা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601209659.jpg

বেশ কয়েক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ১০০ গ্রাম ওজনের ৬০ ক্যালোরি সমৃদ্ধ বড় একটি ড্রাগ্রন ফ্রুট থেকে পাওয়া যাবে প্রোটিন, আয়রন, কার্যোহাইড্রেট, দ্রবণীয় আঁশ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন-সি ও চিনি। উপকারী পুষ্টি গুণাগুণ সমৃদ্ধ এই ফলটি তাই সুস্বাস্থ্যের জন্যে নানাভাবে অবদান রাখে। কয়েকটি আজকের ফিচারে তুলে ধরা হলো।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

ফলে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, লাল ও সাদা উভয় ড্রাগন ফ্রুটেই রয়েছে পলিফেনল ও ফ্ল্যাভনয়েড, যা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য উপকারী

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ড্রাগন ফ্রুট রক্তে হিমোগ্লোবিন ও প্লেটলেটের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে এবং ফলের ভিটামিন-সি জ্বরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে। পাশাপাশি এতে থাকা আয়রন, ফসফরাস, লাইকোপেন, ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601227181.jpg

খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে

ফুড ক্যামিস্ট্রিতে প্রকাশিত একটি গবেষণার তথ্য সুপারিশ করছে, ড্রাগন ফ্রুটে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ Oligosaccharides, যা পাকস্থলিস্থ উপকারী ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলি (Lactobacilli) ও বাইফিডোব্যাকটেরিয়া (Bifidobacteria) জন্মাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই ফলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ বাওয়েল মুভমেন্টকে নির্বিঘ্ন রাখতে এবং খাদ্য ভালোভাবে পরিপাক হতে কাজ করে।

নিয়ন্ত্রণে রাখে ডায়বেটিস

নিয়মিত পরিমিত পরিমাণ ড্রাগন ফ্রুট গ্রহণে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এতে করে টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও কমে যাবে। ২০১৭ সালের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, যারা ড্রাগন ফ্রুট নিয়মিত গ্রহণ করেছেন তাদের রক্তে প্রি-ডায়বেটিক লক্ষণসমূহ তুলনামূলক কম দেখা গেছে যারা গ্রহণ করেননি তাদের চেয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563601240569.jpg

সুস্থ রাখে চোখ

ড্রাগন ফ্রুট সাইটোক্রোম (Cytochrome P450) নামক প্রোটিন তৈরি করে মানবশরীরে। যা আমাদের যকৃততে পাওয়া যায়। এই প্রোটিনের সাথে কঞ্জেনিটাল গ্লুকোমার সম্পর্ক রয়েছে। ফুড ক্যাম্রিস্ট্রি জার্নালে প্রকাশিত তথ্য জানাচ্ছে, এতে থাকা বেটা-ক্যারোটিন চোখকে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যাল থেকে রক্ষার্থেও কাজ করে।

হাড় ও দাঁত শক্ত করে

অন্যান্য যেকোন ফলের চাইতে ড্রাগন ফ্রুটে অনেক বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। যে কারণে নিয়মিত ড্রাগন ফ্রুট গ্রহণে হাড় ও দাঁত শক্ত ও সুস্থ থাকে।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র