Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রফেশনাল কিংবা শখের মেকআপ আর্টিস্ট থেকে শুরু করে সাজতে ভালোবাসেন- সবার কাছেই নানান ধরণের মেকআপ সামগ্রী থাকে।

এই সকল সামগ্রী যতটা না ব্যায়বহুল, তার চাইতেও বেশি প্রিয় হয়। এক একটি ব্র্যান্ডেড লিপস্টিক কিংবা আইশ্যাডো প্যালেট যেন সোনার হরিণ। প্রিয় এই জিনিসগুলোর সঠিক রক্ষনাবেক্ষন নেওয়া না হলে, খুব দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়।

ছোট একটি আইল্যাশ গ্লু থেকে শুরু করে ফাউন্ডেশন ও ফাউন্ডেশন ব্রাশও যত্নের সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। মেকআপের নানান ধরণের সামগ্রী গুছিয়ে রাখার জন্য অনেক সময় স্থান সংকুলান হয় না। কীভাবে সহজ নিয়মে বিভিন্ন মেকআপ সামগ্রী রাখা যাবে জেনে রাখুন।

প্লাস্টিকের বক্স

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/16/1542359142333.jpg

একটি বড় ড্রয়ারের ভেতর একসাথে সকল মেকআপ সামগ্রী রাখার ফলে বেশিরভাগ সময়ই ক্ষতিগ্রস্থ হয় অন্যান্য মেকআপ সামগ্রী। এই সমস্যাটি এড়াতে চাইলে একই আকৃতির বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের বক্স কিনে নিতে হবে। ড্রয়ারে পাশাপাশি বক্সগুলো সাজিয়ে প্রতিটি বক্সে ভিন্ন মেকআপ সামগ্রী রাখতে হবে। কোন একটি বিউটি ব্লেন্ডার, অন্যটিতে নেইলিপলিশ, তার পাশেরটিতে হাইলাইটার। এভাবে সাজিয়ে রাখলে স্বল্প স্থানের মাঝেই অনেক জিনিস রাখা সম্ভব  হবে।

কন্টেইনারে মেকআপ ব্রাশ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/16/1542359189602.jpg

বিভিন্ন আকৃতির ও মাপের মেকআপ ব্রাশ প্রয়োজন হয় পারফেক্ট সাজ তৈরি করার জন্য। শুধু চোখের সাজের জন্যেই ক্ষেত্র বিশেষে ৪-৭ ধরণের ব্রাশ প্রয়জন হয়। এই ব্রাশগুলো কোন ব্যাগ কিংবা বক্সে রাখলে প্রয়োজনীয় ব্রাশটি খুঁজে পেতে অনেকটা সময় নষ্ট হয়। তাই বিভিন্ন ধরণের সুন্দর প্লান্টিকে কন্টেইনারে ছোট বড় ব্রাশ গুছিয়ে রাখলে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।

বিউটি ব্লেন্ডার জার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/16/1542359207705.jpg

বিউটি ব্লেন্ডারে বাইরের ধুলাবালি পড়লে মহা সমস্যা। যে কারণে সবসময় চেষ্টা করতে হবে বিউটি ব্লেন্ডারকে বায়ুনিরোধক কোন স্থানে রাখার জন্য। খোলা স্থান তো বটেই, এমনই ড্রয়ারেও ধুলাবালি প্রবেশ করে সহজেই। তাই বিউটি ব্লেন্ডার রাখার জন্য বায়ুনিরোধক কাঁচের জার ব্যবহার করতে হবে। রাবার সম্বলিত মুখের ঢাকনার জন্য জারের ভেতর সহজে কোন ময়লা ঢুকতে পারবে না। এক্ষেত্রে দুইটি জার আলাদা করতে হবে। একটিতে ব্যবহৃত বিউটি ব্লেন্ডার এবং অন্যটিতে অব্যবহৃত অথবা পরিষ্কার বিউটি ব্লেন্ডার রাখতে হবে।

ডিআইওয়াই (DIY) মেকআপ হোল্ডার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/16/1542359224710.jpg

ব্যাগে কিংবা বক্সে সকল মেকআপ সামগ্রী তুলে রাখলে নিত্য ব্যবহারের সময় বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য কিছু মেকআপ সামগ্রী হাতের কাছে রাখা প্রয়োজন। সকল ধরণের মেকআপ সামগ্রী স্বল্প স্থানের মাঝে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে চাইলে শক্ত কাগজ, রঙিন কাগজ ইত্যাদি দিয়ে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন মেকআপ হোল্ডার। এতে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় মেকআপ সামগ্রী সহজেই হাতের নাগালে থাকবে।

আরও পড়ুন: ১ মিনিটে পরিস্কার বিউটি ব্লেন্ডার

আরও পড়ুন: হাইলাইটারের অজানা চার ব্যবহার

আপনার মতামত লিখুন :

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?
ছবি: সংগৃহীত

নিজের আশেপাশের সবকিছু তথা ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র যতবেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে ততবেশি সুস্থ রাখা সম্ভব হবে। শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতার সাথে সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংযোগটা বহু পুরনো। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার উপায় নেই।

পরিধেয় পোশাক কিংবা অপরিষ্কার থালাবাসন যে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, সেটা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঘরে থাকা আয়না কতদিন পর পরিষ্কার করা প্রয়োজন সেটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে বাসার অবস্থান ও এলাকাভেদে জিনিসপত্রে ধুলাময়লা জমার ক্ষেত্রে রকমফের দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন আসবাবে ধুলা জমে থাকতে দেখলে দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে কিংবা ৩-৫ মাস অন্তর কোন জিনিসগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা বেশ অনেকটা সহজ হয়। যে কারণে আজকের ফিচারে খুব গুছিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা থেকে জানা যাবে কতদিন পর কোন জিনিসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123957938.jpg

১. বিছানা গুছিয়ে ঝাড়তে হবে।

২. নোংরা ও এঁটো থালাবাসন জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. খাবার টেবিল গুছিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাথরুমের মেঝে ঝাঁট দিতে হবে।

৫. রান্নাঘরের থাক ও মেঝে মুছতে হবে।

৬. রান্নাঘরের সিংক পরিষ্কার করতে হবে।

৭ নোংরা পোশাক ধুতে হবে।

৮. ঘর ও বারান্দার মেঝে ঝাড়ু দিতে হবে। মুছতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

প্রতি সপ্তাহে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123762608.jpg

১. বিছানা ও বালিশের কভার বদলাতে হবে।

২. রান্নাঘর ও রেফ্রিজারেটরে থাকা পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ফেলে দিতে হবে।

৩. ঘরের সকল আসবাবের আয়না মুছতে হবে।

৪. বুকশেফলে থাকা বইপত্র থেকে ধুলা ঝাড়তে হবে।

৫. শোকেসের জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে হবে।

৬. আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি সরাতে হালকা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছতে হবে।

৭. মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের ও বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে।

৮. গোসল করার লোফাহ বা স্পন্স পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতি মাসে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123841141.jpg

১. ঘরের কোন ও ছাদের অংশের ধুলাময়লা ঝাড়তে হবে।

২. লাইট ও বাল্বে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৩ সোফার কভার ও দরজা, জানালার পর্দা পরিষ্কার করতে হবে।

৪. ডিশওয়াশার ও ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করতে হবে।

৫. ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৬. টিভি থেকে ধুলাবালি সরাতে পরিষ্কার করতে হবে।

৭. দেয়াল ঘড়ি, ওয়ালম্যাট, বড় ছবির ফ্রেম নামিয়ে মুছে নিতে হবে।

৮. নিত্য ব্যবহারের ব্যাকপ্যাক ধুয়ে নিতে হবে।

৩-৫ মাস পরপর যা পরিষ্কার করতে হবে

১. আসবাবপত্রের নিচের অংশ থেকে ধুলাময়লা বের করতে হবে।

২. কার্পেট পরিষ্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশনে চাই রোদচশমা!

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র