Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে: প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা

ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে: প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা
ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

অন্যতম কমন শারীরিক সমস্যার মাঝে ডায়বেটিস প্রথম দিকেই থাকবে।

মূলত ডায়বেটিস হলো ‘মেটাবলিক ডিসঅর্ডার’ যার ফলে রক্তে চিনির মাত্রা অনিয়ন্ত্রত হয়ে যায়। শরীরে ইনস্যুলিন ইনসেন্সেটিভ অথবা শরীরে ইনস্যুলিনের প্রোডাকশন কমে গেলেই ডায়বেটিসের সমস্যাটি দেখা দেয়। অনেকেই হয়তো জানেন না, ডায়বেটিস দুই প্রকারের হয়। প্রথমটি হলো টাইপ-১ ডায়বেটিস, যা নিরাময়যোগ্য নয়। দ্বিতীয়টি হলো টাইপ-২ ডায়বেটিস, যা নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাধ্যমে সহজেই নিরাময়যোগ্য।

পুরো পৃথিবী জুড়ে ডায়বেটিসের বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে ইন্টারন্যাশনাল ডায়বেটিস ফেডারেশন (IDF) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৯১ সালের ১৪ নভেম্বর ‘ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে’ গড়ে তোলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/14/1542177709997.jpg

ডায়বেটিস হবার কারণ কী?

জন্ম থেকেই শরীরে ডায়বেটিসের সমস্যা দেখা দিলে সেটাকে টাইপ-১ ডায়বেটিস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে টাইপ-২ ডায়বেটিস হবার নানাবিধ কারণ রয়েছে। তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ হলো-

১. বংশগত কারণ।

২. বয়স।

৩. ওবেসিটি বা বাড়তি ওজন।

৪. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস।

৫. শরীরচর্চার অভাব ও

৬. হরমোনের সমস্যা।

ডায়বেটিসের লক্ষণগুলো কী?

হুট করেই ডায়বেটিসের প্রভাব দেখা দিতে পারে শরীরে। শারীরিক এই সমস্যাটির লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন নন অনেকেই। ফলে দেরীতে ডায়বেটিস ধরা পড়ে। ডায়বেটিসের একেবারেই প্রথমিক কিছু লক্ষণ তুলে ধরা হলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/14/1542177757224.jpg

১. ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া।

২. ক্ষত ভালো হতে প্রয়োজনের চাইতে বেশি সময় লাগা।

৩. ইষ্ট ইনফেকশন হওয়া।

৪. ঘনঘন মাথা হালকাবোধ হওয়া।

৫. ঘনঘন মুড পরিবর্তিত হওয়া।

কীভাবে ডায়বেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব?

ডায়বেটিসকে ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ ও বলা হয়ে থাকে। কারণ সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থার মাধ্যমে খুব সহজেই এই রোগটিকে দূরে রাখা সম্ভব ও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ডায়বেটিস প্রতিরোধে যে নিয়মগুলো নিজের আয়ত্তে আনা প্রয়োজন সেগুলো জেনে রাখুন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/14/1542177662149.jpg

শরীরচর্চা

প্রতিদিনের নানাবিধা কাজের মাঝে তিরিশ মিনিট বরাদ্দ রাখুন শরিরচর্চা কিংবা হাঁটার জন্য। শরীরকে একটিভ রাখার মাধ্যমে রক্তে চিনির মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। এমনকি শরীরে ইনস্যুলিনের সেনসিটিভিটি বৃদ্ধি পায় শরীরচর্চার ফলে। এছাড়া শরীরচর্চার ফলে এন্ড্রোফিন হরমোনের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়, যা আনন্দে থাকতে সাহায্য করে ও ডিপ্রেশনকে দূরে রাখে।

দানাদার খাদ্য গ্রহণ

দানাদার কিংবা হোল গ্রেইন খাবারে থাকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, যা রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি করে খুব ধীরে। যেখানে সিম্পল কার্বোহাইড্রেট হুট করেই রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে রিফাইন্ড গ্রেইন (সাদা ভাত) গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/14/1542177846661.jpg

টাইপ-২ ডায়বেটিস এড়াতে চাইলে অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশযুক্ত খাবার রাখতে হবে। আঁশ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে না। এছাড়া আঁশযুক্ত খাবার পরিপাক হতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। ফলে পেট ভরা থাকে এবং ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

বাড়তি ওজন সবসময়ই ডায়বেটিসের আশঙ্কা বহন করে। শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও ডায়বেটিসমুক্ত থাকতে চাইলে অবশ্যই ওজনকে নিয়ন্ত্রণের মাপকাঠিতে আনতে হবে।

চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে যাওয়া

মাত্র ১২ আউন্স পরিমাণ বোতলজাত কোমল পানীয়তে থাকে ১০ চা চামচ চিনি। কোমলপানীয় পানের ফলে রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া ও হৃদরোগ পাওয়ার মতো সমস্যাগুলোও দেখা দেয়।

মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা

অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপের ফলে রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এইনেফ্রিন ও কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি করে এনার্জি বৃদ্ধির জন্য। যে কারণে যথাসম্ভব স্ট্রেস ফ্রি জীবনযাপন করার চেষ্টা করতে হবে।

আরো পড়ুন: ওয়ার্ল্ড অস্টিওপরোসিস ডে: হাড় থাকুক মজবুত

আরো পড়ুন: অ্যাসিডিটির সমস্যা: কারণ ও পরিত্রাণের উপায়

আপনার মতামত লিখুন :

দইয়ের ড্রেসিংয়ে সবজি ও কুইনোর সালাদ

দইয়ের ড্রেসিংয়ে সবজি ও কুইনোর সালাদ
সবজি ও কুইনোর সালাদ, ছবি: সংগৃহীত

গরমে খাবারে ভীষণ অরুচি দেখা দেয়।

পেটে ক্ষুধাভাব থাকলেও কিছু খেতে ইচ্ছা হয় না। প্রিয় মাছ-মাংসও খেতে রুচি হয় না একদম। গরমে উদর পূর্তিতে সবজি ও ফলের মিশেলে সালাদ হলে সবচেয়ে ভালো হয়। সাথে যদি থাকে কুইনো ও টকদই এর উপস্থিতি, তবে তো কথাই নেই।

গরমে রাতের খাবার হিসেবে পারফেক্ট এই সালাদটি স্বাস্থ্য সচেতনেরাও খেতে পারবেন পেট ভরে। স্বাদু ও স্বাস্থ্যকর সালাদের রেসিপিটিতে চোখ বুলিয়ে নিন।

সবজি ও কুইনোর সালাদ তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561368811677.JPG

১. তিনটি ছোট আকৃতির বিট।

২. পাঁচটি ছোট-মাঝারি আকৃতির গাজর।

৩. তিন চা চামচ তেল।

৪. ১/২ কাপ কুইনো।

৫. এক কাপ চিকেন ব্রথ (না থাকলে পানি)

৬. চারটি টমেটো টুকরো করে কাটা।

৭. ১২টি আঙ্গুর।

৮. ১/৪ কাপ আখরোট।

৯. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

১০. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

১১. ১/২ চা চামচ লবণ।

১২. কয়েক টুকরো পনির।

সালাদ ড্রেসিংয়ের জন্য যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561368831052.JPG

১. ১/২ কাপ টকদই।

২. দুই টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল।

৩. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৪. আধা চা চামচ লবণ।

৫. ১/৪ কাপ ফ্রেশ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

সবজি ও কুইনোর সালাদ যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561368844826.JPG

১. ওভেন ৪০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় প্রি-হিট করতে দিয়ে বিটগুলো অলিভ অয়েলে মাখিয়ে ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে ৪০ মিনিট চুলায় পুড়িয়ে নিতে হবে। পোড়ানো শেষে ওভেন থেকে বের করে ঠাণ্ডা করতে হবে এবং চার টুকরা করে বিটগুলো কেটে নিতে হবে।

২. গাজর ছোট টুকরো করে কেটে বেকিং শিটের উপরে বিটের সাথে ছড়িয়ে রাখতে হবে এবং তার উপরে দুই চা চামচ তেল, মশলার গুঁড়া ও লবণ ছিটিয়ে দিতে হবে। এবারে বিট ও গাজর প্রি-হিটেড ওভেনে ২৫ মিনিট বেক করে নিতে হবে।

৩. এর মাঝে কুইনো রেঁধে নিতে হবে। প্রথমে কুইনো ভালোভাবে পানিতে ধুয়ে, পানি ঝরিয়ে পরিমাণমতো ব্রথের পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। ব্রথে লবণ থাকলে আর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। না থাকলে আধা চা চামচ দিতে হবে। কুইনো হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হবে।

৪. এখন সালাদ ড্রেসিং তৈরি করতে হবে। ড্রেসিং তৈরির জন্য একটি পাত্রে দই, তেল, ধনিয়া পাতা, জিরা গুঁড়া ও লবণ একসাথে নিয়ে ভালভাবে হুইস্ক করতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন পেস্ট তৈরি হলেই সালাদ ড্রেসিং তৈরি হয়ে যাবে।

৫. সবজিগুলো বেক করা হয়ে গেলে ওভেন থেকে বের করে নিতে হবে। এবারে সালাদ পরিবেশনের বড় প্লেট বা ট্রের উপরে প্রথমে কুইনোর স্তর দিতে হবে। তার উপরে রোস্টেড বিট, গাজর ও গাজর, টমেটো টুকরা। তার উপরে পনির ও ড্রেসিং দিয়ে সবশেষে আখরোট ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে একেবারেই হালকা ধাঁচের এই সালাদটি।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সবজি সিঙ্গারা

আরও পড়ুন: মটরশুঁটিতে তৈরি ভিন্নমাত্রার মটর-পরোটা

শিশুদের আত্মার খোরাকে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও সংগীত!

শিশুদের আত্মার খোরাকে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও সংগীত!
গল্পের বইয়ের কল্পিত রাজ্যে শিশুরা খুঁজে পাবে অনাবিল আনন্দ, ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে শিশুদের স্কুল ব্যাগের ওজন বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে।

পাঠ্যবইয়ের ভিড়ে, পড়ালেখার চাপে নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হয় হয় একদম ছেলেবেলা থেকেই। স্কুল, কোচিং, হোম টিউটর, হোমওয়ার্ক, পড়ালেখার ব্যস্ততার ভিড়ে নিজের জন্য শিশুদের আলাদা সময় কই!

এভাবেই বেড়ে উঠছে এখনকার সময়ের বেশিরভাগ শিশুরা। গল্প ও কবিতার বই পড়া, গান শোনা, সাহিত্য সম্পর্কে জানা, চিত্রকর্মের সাথে পরিচিত হওয়ার সময় নেই একদম। সময় স্বল্পতা ও সন্তানদের পড়ালেখার বাড়তি চাপের দরুন অভিভাবকেরাও যেন নিরুপায়। পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ের সাথে তাদের পরিচিতি ঘটানোর বিষয়গুলোতে হয়তো তারাও তাই গুরুত্ব দিতে পারেন না।

অথচ একটি শিশুর পরিপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে বিশুদ্ধ বাতাস, স্বাস্থ্যকর খাবার ও খেলাধুলা যতখানি প্রয়োজন, ঠিক ততখানি প্রয়োজন গল্প ও কবিতার বই, গান, সাহিত্য ও শিল্পকর্ম। এই বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করে অস্ট্রিড লিন্ডগ্রেন মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত ইংলিশ উপন্যাসিক স্যার ফিলিপ পালম্যান জানিয়েছেন, শিশুদের বিকাশের জন্য এই বিষয়গুলোও সমানভাবেই প্রভাব রাখে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561357170717.jpg

খুব সহজ ও চমৎকার উদাহরণের সাহায্যে তিনি এই বিষয়টি বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। পালম্যান বলছেন, ‘আপনি যদি আপনার সন্তানকে খাবার ঠিকমতো না দেন, তবে তার প্রভাব খুব দ্রুত দেখা দেবে। যা হবে দৃশ্যমান। এদিকে আপনি যদি তাকে বিশুদ্ধ বাতাস ও উন্মুক্ত স্থানে খেলতে না দেন, তার ক্ষতিটাও হবে দৃশ্যমান। তবে সেটা চট করে ধরা যাবে না। ঠিক একইভাবে শিশুদের যদি ভালোবাসা ও স্নেহ না দেওয়া হয়, তার প্রভাব কয়েক বছরের মধ্যে দেখা না দিলেও, একটা সময়ে ঠিকই দেখা দেবে। যা একেবারে স্থায়ী।’

‘কিন্তু শিশুদের যদি সংগীত, সাহিত্য, শিল্পকর্মের সাথে পরিচিত না করানো হয়, তার ক্ষতিটা সহজে বোঝা যাবে না। কিন্তু খুব গভীরে সে ক্ষতিটা রয়ে যাবে। এই সকল বিষয়ের সাথে পরিচিত না হওয়া শিশুরাও সুস্থ শরীরে বেড়ে উঠবে, ঘুমাবে, দৌড়ঝাঁপ করবে, দুষ্টামি করবে আর দশটি সাধারণ শিশুর মতোই। কিন্তু খুব গভীরে সেই শিশুটির মাঝে কিছু একটার অভাব থেকেই যাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561357191115.jpg

এই কিছু একটার অভাব হলো নিজ সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কের অভাব, তার সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠার অভাব, তাকে আপন করে নেওয়ার জন্য ভালোবাসার অভাব।

নিজ সংস্কৃতির চাইতে ভালোবাসার ও প্রিয় আর কিছু হতেই পারে না। সেই সংস্কৃতির সাথে ছেলেবেলা থেকে পরিচিতি না ঘটলে তার অভাবতি সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়।

বড় হওয়ার পর বা প্রাপ্তবয়স্ক হলে সংস্কৃতির নানান শাখার সাথে নিজ থেকে পরিচিতি ঘটবে। কিন্তু হুট করে এমন বিস্তৃত একটি বিষয়ের সাথে পরিচিত হওয়া ও ছোট থেকে সেটা জেনে ও বুঝে বড় হওয়ার মাঝে তফাৎ থেকেই যায়।

সংগীত, সাহিত্য, শিল্পকর্ম শুধুই সংস্কৃতির সাথে পরিচয় ঘটায় না, আত্মাকেও শুদ্ধ করে, আত্মার খোরাক যোগায়।

প্রতিটি বাবা-মা চান তার সন্তানকে পরিপূর্ণভাবে বড় করে তুলতে, জ্ঞানে ও বিদ্যায়। সেক্ষেত্রে শুধু পাঠ্যবইয়ের মাঝে শিশুদের আবদ্ধ না রেখে তার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে বর্ণীল এই জগতের। যেখানে ভালোলাগা ও জ্ঞানের চর্চা থাকে সমান্তরালে।

আরও পড়ুন: শিশুদের জন্য খেলাধুলা কেন প্রয়োজন?

আরও পড়ুন: বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়াতে পারে সন্তানের ওজন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র