Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর কী করা প্রয়োজন?

ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর কী করা প্রয়োজন?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে বাইরে কোথাও বের হলে নানান ধরণের মুখরোচক ফাস্ট ফুড খাওয়া হয়েই থাকে।

বিশেষ করে ছুটির দিন যখন আসন্ন, তখন এমন পরিকল্পন না থাকলেও অফিসেই হয়তো সকল সহকর্মীদের সঙ্গে জম্পেশ ডিনার হয়।

বাইরের খাবার মানেই বাড়তি লবণ গ্রহণ, বাড়তি লবণ মানেই বাড়তি সোডিয়াম। শরীরে বাড়তি সোডিয়াম নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৩.০০০ মিলিগ্রাম পরিমাণ সোডিয়াম প্রয়োজন হয়। সেখানে এক পিস হট চিকেনেই ২.৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোডিয়াম থাকে। বাইরে খাওয়ার সময় কেউ নিশ্চয় শুধু এক পিস চিকেন খেয়েই সন্তুষ্ট থাকেন না। সঙ্গে থাকে ফ্রেন্স ফ্রাই, বার্গার, পাস্তা, পিৎজা কিংবা ফ্রাইড রাইস। এখন নিজেই একবার হিসেব করে দেখুন, এক বেলায় বাইরের ফাস্ট ফুড খাওয়া হলে কতটা বেশি সোডিয়াম গ্রহণ করা হয়!

নিয়ম নেমে খাওয়াদাওয়া করলেও, মাঝে মাঝে নিয়মের মাঝে থাকা ও খাওয়াদাওয়া করা সম্ভব হয় না। হুট করে বাইরে খাওয়া হলে শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়ামের প্রভাব দূর করতে তিনটি নিয়ম মানতে হবে।

প্রচুর পানি পান করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/08/1541664780008.jpg

ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি করতে হবে। যেন শরীর ও কিডনি থেকে বাড়তি সোডিয়াম সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যেতে পারে। নইলে মুখ, হাত-পায়ে পানি এসে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।

ঘাম ঝরাতে হবে

ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে লবণ তথা সোডিয়াম বের হয়ে যায়। তাই বাইরের লোভনীয় খাবার খেয়ে আসার কিছুক্ষণ পড়েই ট্রেডমিলে উঠে পড়ুন। ট্রেডমিল না থাকলেও সমস্যা নেই। ফ্রি-হ্যান্ড এক্সসারসাইজ শুরু করুন। মোটকথা শরীর থেকে ঘাম ঝরানোর মতো কোন শরীরচর্চা বা কাজ করুন। এতে করে ঘামের সঙ্গে বাড়তি সোডিয়াম বেরিয়ে যাবে।

খেতে হবে কলা

কলাতে থাকা পটাশিয়াম শরীরের বাড়তি সোডিয়ামের প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করবে। কলার পাশাপাশি সবুজ শাক, বাদাম অথবা আলু খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এই সকল উপাদান প্রাকৃতিকভাবেই শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা স্থিতিশীল করতে কাজ করে।  

আপনার মতামত লিখুন :

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম
ছবি: সংগৃহীত

সম্পূর্ণ শারীরিক সুস্বাস্থ্যে হাড়ের ভূমিকা অনেকখানি।

আমাদের শরীরের পুরো গঠন ও কাঠামো নির্ভর করে হাড়ের উপরে। ফলে হাড়ে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়, তার প্রভাব পরে সামগ্রিকভাবে। তরুণ বয়সে হাড় সবচেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ থাকে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা যায় ও যত্ন নেওয়া হয়। তবে বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে, হাড়ের শক্তি কমতে থাকে এবং হাড় ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ৪৫-৫০ বছর পর থেকেই হাড়জনিত নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু হয়। এ কারণেই হাড়ের প্রতি আলাদাভাবে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। জেনে নিন হাড়ের যত্নে কোন বিষয়গুলোর প্রতি নজর দিতে হবে।

পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা

স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ফ্যামিলি হিস্ট্রি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। যার বাবা-মা অথবা ভাই-বোনের অস্টিওপরোসিসের সমস্যা রয়েছে, তারও এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিবারের মানুষদের হাড়ের স্বাস্থ্য ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর করতে হবে এবং সেইভাবে নিজের হাড়ের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে হবে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566384501379.jpeg

হাড়ের বিষয়ে আলোচনা আসলে প্রথমেই যে শব্দটি মাথায় আসবে সেটা হলো ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক এই মিনারেলটির সাহায্যে হাড় ও দাঁত গড়ে ওঠে ও দৃঢ়তা পায়। তবে ক্যালসিয়ামই শেষ কথা নয়। শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য। নতুবা ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া হলেও, তার পুষ্টিগুণ শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হবে না এবং ক্যালসিয়ামের অভাব তৈরি হবে।

ভোলা যাবে না ভিটামিন-ডি কে

ক্যালসিয়ামের সাথে সরাসরিভাবে সংযুক্ত হলো ভিটামিন-ডি। একইসাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যাবে চিংড়ি, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম, টুনা মাছ প্রভৃতি থেকে। এছাড়া রোদের আলো ভিতামিন-ডি এর অন্যতম বড় একটি উৎস। বর্তমান সময়ে অনেকেই রোদের আলোর অপর্যাপ্ততায় ভিটামিন-ডি এর অভাবে ভুগছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট শরীরে রোদের আলো লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা

শুধু স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, শরীরচর্চার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে হাড়কে সুস্থ রাখতে চাইলে। শরীরচর্চার বিভিন্ন কলাকৌশল হাড়কে দৃঢ় করতে কাজ করে। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, দড়িলাফ কিংবা সিঁড়িতে ওঠানামার মতো হালকা ঘরানার শরীরচর্চাগুলোই হাড়কে ভালো রাখতে উপকারী।

সীমিত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ

ক্যাফেইনের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে বটে, তবে দুঃখজনকভাবে হাড়ের জন্য নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাদান করে। তাই প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ কফি পান নিরাপদ। এর বেশি হয়ে গেলে তা হাড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড অস্টিওপরোসিস ডে: হাড় থাকুক মজবুত

আরও পড়ুন: ভিটামিন ডি ঘাটতি: ঝুঁকি, উপসর্গ এবং বৃদ্ধির উপায়

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র