Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বছর শেষে সঞ্চয় বাড়াবে যে নিয়মগুলো

বছর শেষে সঞ্চয় বাড়াবে যে নিয়মগুলো
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর শেষ হতে তিন মাসও বাকি নেই।

নতুন বছরের শুরুটা কীভাবে হবে বা কী করবেন নতুন বছরে, সেটার পরিকল্পনা হয়তো করা হয়নি কারোরই। কিন্তু এই পুরো একটা বছর জুড়ে নিজের জন্য ও আগত বছরের জন্য সঞ্চয় করে রাখা খুবই প্রয়োজন।

বছরের বেশিরভাগ সময় কেটে গেলেও, এখন থেকে সঞ্চয় করা শুরু করলেও হাতে জমে যাবে বেশ অনেকটা সঞ্চয়। তবে তার জন্য মানতে হবে ছোটখাটো বেশ কয়েকটি নিয়ম। নিজের প্রয়োজনেই জেনে রাখুন অপচয় কমিয়ে কীভাবে মাত্র আড়াই মাসের ভেতর সঞ্চয় বৃদ্ধি করতে পারবেন ও নতুন করে সঞ্চয় করতে পারবেন।

সুপার শপ এড়িয়ে যাওয়া

এক ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় সবকিছু পাওয়া গেলে কষ্ট করে কাঁচাবাজার ও মুদি দোকানে কি কেউ যেতে চায়! কিন্তু সাময়িক এই সুবিধার জন্য খরচ হয়ে যায় বেশ কিছু বাড়তি টাকা। যেকোন পণ্য মুদি দোকানের চেয়ে কয়েক টাকা বেশি দামে কিনতে হয় সুপার শপ থেকে। সাথে গুণতে হয় ভ্যাট। হিসেব করলে বেশ অনেকগুলো টাকা বাড়তি খরচ হয়ে যায় সুপার শপে কেনাকাটা করতে গেলে। যে কারণে সুপার শপে কেনাকাটা করার অভ্যাস থাকলেও, এই কয়দিন সাধারণ বাজার ও মুদি দোকান থেকেই কেনাকাটা করার অভ্যাসটা করে ফেলুন।  

প্যাকেটজাত সবজী ও ফল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/15/1539582580277.jpg

সুপার শপগুলোতে বিভিন্ন ধরণের ফল ও সবজী কেটেবেছে প্যাকেট করে রাখা হয়। সময় বাঁচানোর জন্য অনেকেই সেই সকল প্যাকেটজাত সবজী ও ফল কিনে থাকেন। এতে সময় কিছুটা বাঁচলেও, খরচ হয় অনেকটা বেশি। যে কারণে, কেজি হিসেবে ফল কিংবা সবজী কেনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হুটহাট কেনাকাটা করা

হাতে কিছু বাড়তি টাকা আসলে কিংবা মন ভালো না থাকলেই কেনাকাটা করার অভ্যাস কমবেশি সবার মাঝেই আছে। এমন ইম্পালসিভ শপিং বা হুটহাট কেনাকাটায় প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কখনোই কেনা হয় না। এমন হুটহাট কেনাকাটা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ও অহেতুক জিনিস কিনে টাকা নষ্ট করলে প্রয়োজনের সময় সমস্যায় পড়তে হবে।

ফুলচার্জড ইলেকট্রনিক পণ্যে চার্জ দেওয়া

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/15/1539582565745.jpg

মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, পাওয়ার ব্যাংক কিংবা অন্যান্য যেকোন ইলেকট্রনিক পণ্য ফুল চার্জ হবার পরেও চার্জে দিয়ে রাখার অভ্যাস নিশ্চয় আপনারও আছে! এই অভ্যাসের ফলেই কিন্তু আপনাকে গুণতে হচ্ছে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল! ইলেকট্রনিক পণ্য পুরোপুরি চার্জড হয়ে যাওয়ার পর অবশ্যই মনে করে চার্জার খুলে নিতে হবে। নইলে বিদ্যুতের মিটারে বিল যোগ হতেই থাকবে।

খাবার নষ্ট করা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/15/1539582549850.jfif

খেতে না পারলেও প্লেটে অতিরিক্ত খাবার নেওয়ার ফলে প্রতিবেলায় খাবার নষ্ট করার অভ্যাস থাকলে, আজকে থেকেই সংযত হতে হবে। খাবার নষ্ট করার অভ্যাসের ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার রান্না করা হয়। এতে খরচটাও হয় বেশি। মেপে খাবার রান্না করলে ও খাবার নষ্ট না করলে খাওয়ার খরচটা কমে যায় অনেকখানি।

বাইরে খাওয়া এড়িয়ে যাওয়া

সময় কম, বাইরের খাবার খেতে পছন্দ কিংবা ঝামেলা এড়ানোর জন্য বাইরে খেতে ভালবাসেন অনেকেই। এতে করে খাওয়ার খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি গুনতে হয়। ঘরেই তৈরি করার চেষ্টা করুন সহজ কোন খাবার। বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া সুস্বাস্থ্যের জন্য তো বটেই, সঞ্চয়ের জন্যে এড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র