Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কেন মানুষ আপনার উপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে?

কেন মানুষ আপনার উপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হলো ও বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো।

দুজনে খুব আনন্দ নিয়ে কথাবার্তা শুরু করলেন। প্রথম থেকে আগ্রহটা দু’পক্ষ থেকেই সমান। কিন্তু একটা সময় পর অবাক হয়ে খেয়াল করলেন, ওদিক থেকে আগের মতো সাড়া পাচ্ছেন না। কথা বলার, যোগাযোগ রাখার আগ্রহ ও স্পৃহা হারিয়ে ফেলেছে অপরপক্ষ। এমন ঘটনা শুধু আপনার সাথেই নয়, অহরহ ঘটে থাকে আরও হাজারো মানুষের সাথেও।

এমন আচরণকে কী বলা হয়?

এই ধরণের ঘটনার ক্ষেত্রে দুইটি টার্ম ব্যবহার করা হয়- ঘোস্টিং ও বেঞ্চিং। অর্থাৎ অপরপক্ষ আপনার উপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার ফলে হুট করেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। অথবা ধীরে ধীরে যোগাযোগের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে বন্ধ করেন। যে কারণে বলা হয় ঘোস্টিং, যার অর্থ ভূতের মতো আপনাকে অদৃশ্য করে ফেলা। বেঞ্চিং, অর্থাৎ আপনাকে এককোনে ঠেলে দেওয়া।

কেন হয় এমনটা?

এমন অদ্ভুত আচরণের জন্য অপরপক্ষকে দোষী ভাবলেও আদতে সমস্যার শুরু হয় নিজের দিক থেকেই। যা পরোক্ষভাবে অপরপক্ষকে দূরে সরে যেতে প্রণোদিত করে। নিজের দিকের সেই সমস্যাগুলো তুলে ধরা হলো এখানে।

আত্মবিশ্বাসের অভাব

একজন মানুষের মাঝে আত্মবিশ্বাসের অভাব খুব সহজেই চোখে পড়ে। কথোপকথনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা যেকোন ধরণের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই অপরপক্ষ থেকে একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষকেই খুঁজবে। ভরাট গলা কিংবা ভীষণ ফ্যাশনেবল নয়, ছোট-বড় যেকোন কিছুতে নিজের আত্মবিশ্বাসকে ফুটিয়ে তুলতে পারা জরুরী। কিন্তু পরিচয়ের পর থেকেই যদি নিজের ইনসিকিউরিটিগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে, স্বাভাবিকভাবেই অপরপক্ষ যোগাযোগ রাখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

অতিরিক্ত কেয়ার করা

কেয়ারিং মানুষকে সকলেই পছন্দ করে। কিন্তু এটাও নিশ্চয় জানা আছে, অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। স্বাভাবিক মাত্রার কুশলাদি সম্পর্ককে ভালো রাখতে ও মজবুত করতে সাহায্য করলেও, প্রয়োজনের অধিক আগ্রহী হয়ে ওঠা ও কেয়ার করা অপরপক্ষকে বিরক্ত করে তোলে। এই বিরক্তি থেকেই একটা সময় পড়ে দূরে সরে যায় বা যেতে বাধ্য হয় অপরপক্ষ।

ব্যাড টাইমিং

উপরের কোন পয়েন্ট যদি না মিলে থাকে, তবে এই পয়েন্টে এসে হোঁচট খাবেন অনেকেই। সম্পর্কের প্রতিটা ধাপে পা রাখার জন্য নির্দিষ্ট ও সঠিক সময়ের প্রয়োজন। সেই সময়ে গড়মিল দেখা দিলে অপরপক্ষ বিরক্ত, বিব্রত ও ক্ষেত্র বিশেষে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ফলাফল স্বরূপ দেখা দেয় যোগাযোগ ও সম্পর্কের দূরত্ব।

খুব বেশি তাড়াহুড়া করা

হয়তো অপরপক্ষের সাথে আপনার পরিচয় হয়েছে অনলাইনের জগতে। নিয়মিত কথাবার্তা চলছে, সময় দেওয়া হচ্ছে একে-অপরকে। হুট করেই আপনি খুব বেশি আগ্রহী হয়ে উঠলেন সামনাসামনি দেখা করার জন্য। কিন্তু অপরপক্ষ এখনও দেখা করতে ইচ্ছুক ও প্রস্তুত নয়। আপনার বারংবার অনুরোধের মুখে এক সময় দেখা করার জন্য রাজি হয়ে গেলেও, এমন তাড়াহুড়ার কারণে স্বভাবিকভাবেই আপনার প্রতি আগ্রহের স্থানটা নষ্ট হয়ে যাবে তার।

যেকোন সম্পর্ক ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোন একটা ছোট ভুল কিংবা সমস্যা থেকেই কিন্তু দুরত্বের সৃষ্টি হয়। চেষ্টা করতে হবে নিজের ভুলগুলোকে বোঝার ও শুধরে নেওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন :

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি

মিষ্টি আলুতে তৈরি গোলাপজাম মিষ্টি
মিষ্টি আলুর গোলাপজাম, ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন ধরনের রেসিপির কল্যানে বাড়িতে বসেই তৈরি করে নেওয়া যায় পছন্দসই মুখরোচক নানা পদের মিষ্টি।

রসমালাই থেকে শুরু করে রসগোল্লা, কোনটাই বাদ যায় না। সে তালিকায় গোলাপজামও রয়েছে বটে।

কিন্তু আজকের রেসিপিতে নয়নাভিরাম মিষ্টি গোলাপজাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে একেবারেই ভিন্ন একটি উপাদান। ভিন্নতা আনতে গোলাপজাম তৈরি করা হয়েছে মিষ্টি আলু দিয়ে। আলু যাদের ভীষণ প্রিয় তারা এই মিষ্টি থেকে নজর এড়াতেই পারবেন না।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563275983781.png

১. ২টি সেদ্ধ ও ভর্তা করা মিষ্টি আলু।

২. ৩/৪ কাপ ময়দা।

৩. ১ চা চামচ বেকিং সোডা।

৪. ২ টেবিল চামচ দুধ।

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

১. ২ কাপ চিনি।

২. ২ কাপ পানি।

৩. কয়েকটি লবঙ্গ।

৪. এক চিমটি জাফরান।

মিষ্টি আলুর গোলাপজাম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276023054.png

১. চিনির সিরা তৈরি করতে একটি সসপ্যানে পানি দিয়ে এতে চিনি, লবঙ্গ ও জাফরান মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট তাপ দিতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত সিরা ঘন ও আঠালো না হয়। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। 

২. একটি পাত্রে মিষ্টি আলুগুলো চটকে ভর্তা করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন কোনো দলা হয়ে না থাকে। এতে বেকিং সোডা ছিটিয়ে, ময়দা ও দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। হালকা ভাবে ময়দা মাখাতে হবে, যদি বেশি আঠালো হয় তাহলে কিছু বাড়তি ময়দা দিতে হবে এবং যদি বেশি শুকনো হয় তাহলে বাড়তি দুধ দিতে হবে। মাখানো ময়দা খুব কোমল বা নরম হতে হবে।  

৩. মিষ্টির গোলা বানাতে, হাতে অল্প একটু ঘি বা ভেজিটেবল অয়েল মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো ময়দা থেকে কিছুটা নিয়ে হাতে রেখে গোল করে ঘুরাতে হবে। খেয়াল করতে হবে এতে কোনো ফাটা অংশ যেন না থাকে। সাথে খেয়াল রাখতে হবে গোলা যেন বেশি বড় না হয়, কারণ বড় হলে চিনির সিরা শোষণ করে আরও বড় হয়ে যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563276040394.png

৪. গোলাপজাম ভাজার জন্য সসপ্যানে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে ঠিকমতো গরম করতে হবে। তেল যেন বেশি গরম না হয় আবার কম গরমও না হয় এবং ভাজার সময় যেন পুড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যখন গোলাগুলো তেলে দেয়া হবে, গোলাগুলো তেলের উপরে ভেসে উঠবে। সোনালি-খয়েরি রং না হওয়া পর্যন্ত মিষ্টির গোলাগুলো ভাজতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সসপ্যানে একসাথে অনেকগুলো মিষ্টি দেওয়া যাবে না। নয়তো ভালোভাবে ভাজা যাবে না।

৫. মিষ্টি ভাজা হয়ে গেলে উঠিয়ে সিরাতে মিষ্টিগুলো কয়েক ঘণ্টা  চুবিয়ে রেখে দিতে হবে।

ঠাণ্ডা হয়ে এলে এবং চিনির সিরা শোষণ করে মিষ্টি ফুলে উঠলে পরিবেশনের জন্য নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!

বর্ষা জুড়ে স্নিকার্স কনভার্স থাকবে ঝকঝকে!
সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে পারলে কনভার্স স্নিকার্স থাকবে ঝকঝকে, ছবি: সংগৃহীত

আসছে বর্ষা জুড়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেবে কনভার্স বা স্নিকার্স নিয়ে।

প্রিয় কনভার্সটাই সবার আগে নোংরা হবে বৃষ্টি-কাদায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে অনেকেই কেডসের বদলে সাদা কনভার্স পরতে পছন্দ করে। শুধু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে কর্মজীবীদের কাছেও কনভার্স পছন্দের তালিকায় থাকে।

সহজেই পরিধেয়, আরামদায়ক ও বর্ষাকালীন সময়ে কনভার্স পরার ফলে রাস্তার ময়লা-কাদা থেকে পা সুরক্ষিত থাকে বলে এদিকেই বেশি ঝুঁকে থাকেন সকলে। কিন্তু সমস্যাটা দেখা দেয় শখের কনভার্স যখন নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে সাদা কনভার্স ময়লা হয় খুব দ্রুততম সময়ে।

সাদা কিংবা রঙিন যেটাই হোক না কেন, কনভার্স পরিষ্কার করা বেশ কৌশলের বিষয়। আজকের ফিচার সেটাই জানানো হবে ধাপে ধাপে। যা আগত পুরো বর্ষা জুড়ে আপনার ও আপনার সন্তানের প্রিয় কনভার্স ও স্নিকার্সকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করবে।

কনভার্স ও স্নিকার্স কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?

কনভার্স বা স্নিকার্স যেটাই হোক না কেন, হাতের সাহায্যে যত্ন করে পরিষ্কার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। এতে করে প্রিয় জুতাটি নষ্ট হবে না। পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই ব্রাশের সাহায্যে জুতার উপরের অংশ ও আশেপাশের অংশসহ নিচের অংশের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে।

এবারে এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে এতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভেজা কাপড়ের সাহায্যে জুতার বাইরের অংশে ঘষতে হবে। দেখা যাবে যে কাপড়ে জুতার ময়লা উঠে আসছে। এভাবে দুইটি জুতাই পরিষ্কার হয়ে গেলে এতে জুতার ফিতা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রেখে উঠিয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563256592557.jpg

এবারে জুতা দুইটিকে সাদা পেপার টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য। এতে করে জুতার বাড়তি পানি পেপার শোষণ করে নেবে। এরপর জুতাগুলো ঘরোয়া তাপমাত্রায় ও বাতাসে রাখতে হবে শুকানোর জন্য। রোদে কিংবা চুলার নিচে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জুতার ফিতা ভালোভাবে নিংড়ে শুকানোর জন্য নেড়ে দিতে হবে। জুতা ও ফিতা শুকিয়ে গেলে দেখা যাবে একদম নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে।

কনভার্স ও স্নিকার্স থেকে কীভাবে দাগ ওঠাতে হবে?

সাধারণ ময়লা হওয়ার বাইরেও স্নিকার্স ও কনভার্সে জেদি দাগ লেগে যায়। যা উপরোক্ত নিয়মে পরিষ্কার করলেও পুরোপুরি উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে কনভার্সের তন্তুর উপর বিবেচনা করে দুই ধরনের উপাদান ব্যবহার করতে হবে। কনভার্স বা স্নিকার্স যদি ক্যানভাস কাপড়ের হয় তবে হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ব্রাশ চুবিয়ে যে ব্রাশ দিয়ে জুতায় দাগযুক্ত স্থানে ঘষতে হবে। এবং চামড়ার হলে ভেজা ব্রাশে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা জুতার দাগযুক্ত স্থানে খুব আলতোভাবে ঘষতে হবে। এভাবে করলে খুব সহজেই দাগ উঠে যাবে স্নিকার্স বা কনভার্স থেকে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট টিভি পরিষ্কারের স্মার্ট উপায়!

আরও পড়ুন: কীভাবে পরিষ্কার করবেন মেকআপ ব্রাশ?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র