Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাগ থাকুক নিয়ন্ত্রণে

রাগ থাকুক নিয়ন্ত্রণে
রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে নিজের ভালোর জন্যেই। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মন ভালো-খারাপ থাকা, বিষণ্ণ হওয়া, আনন্দিত হওয়া কিংবা বিরক্তিবোধের মতোই অন্যতম একটি অনুভূতি হলো রাগ।

অন্য সকল অনুভূতির মতোই, রাগ ও রাগের বহিঃপ্রকাশ মানসিক সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। কে না জানে, অতিরিক্ত কোনকিছুই ভালো নয়। তেমনভাবে রাগের অনুভূতিও যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় তবে তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে একইসাথে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর।

শুধু স্বাস্থ্য নয়, নেতিবাচক প্রভাবের বিস্তার ঘটে নিজের জীবনের সকল ধরণের সম্পর্কের উপরেও। রাগের বশবর্তী হয়ে অনেকেই হয়ে যায় হিতাহিতজ্ঞান শূন্য। কী বলা অনুচিত ও কোন কথাটি অমূলক- তা একেবারেই ভুলে যান। নিজেকে ও নিজের সম্পর্কগুলোকে সুস্থ রাখতে রাগকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে সর্বাত্মকভাবে। কীভাবে রাগকে নিয়ন্ত্রণে আনবেন? জানতে পড়ে নিন আজকের ফিচারটি।

কিছু বলার আগে ভাবুন

স্বাভাবিকভাবে রাগের মুহূর্তে মানুষ পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে পারে না। রাগের অনুভূতির প্রাবল্য সঠিকভাবে চিন্তা করার শক্তিকে দমিয়ে রাখে। তাই রাগের মুহূর্তে যথাসম্ভব কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। বিশেষত রাগ যদি কোন ব্যক্তির উপরে হয় তবে নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করতে হবে। নিতান্তই যদি জরুরি কথা অথবা কথোপকথনের প্রয়োজন দেখা দেয় তবে ভেবেচিন্তে কথা বলার চেষ্টা করুন।

রাগ কমে যাওয়ার পর কথা বলুন

যেহেতু রাগের মাথায় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে, রাগ কমে যাওয়ার পরেই নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করুন। কারণ রাগের প্রচন্ডতা কমে যাওয়ার পর সঠিক, যুক্তিযুক্ত ও পরিষ্কারভাবে চিন্তা করা সম্ভব হয়। রাগ কমার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর সময় নিয়ে নিজের ক্ষোভের কারণ জানান। এতে একইসাথে নিজে হালকা হতে পারবেন এবং সুন্দরভাবে বোঝাতেও পারবেন নিজের রাগ ও ক্ষোভের কারণ।

ডায়েরিতে লিখুন রাগের কথা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/06/1536217133368.jpeg

লেখালেখি সবসময়ই উপকারি। নিজের অনুভূতিকে সম্পূর্ণরূপে ও দ্বিধাহীনভাবে প্রকাশের জন্য ডায়েরি লেখা সবচেয়ে কার্যকর। এতে নিজের মনের মতো করে রাগকে ব্যক্ত করা সম্ভব হয়, মাথা ঠাণ্ডা হয় ও পরিস্থিতিকে নিজের আয়ত্বে রাখা সম্ভব হয়। কোন পরিস্থিতি কিংবা ব্যক্তি বিশেষের উপর রাগ হলে ডায়েরিটা টেনে নিন। মুখের কথার চাইতে ডায়েরিতে লিখে রাখা কথা অনেক বেশি নিরাপদ।

শরীরচর্চা করুন

এই শরীরচর্চা বলতে রীতিমত নিয়ম মেনে ব্যায়াম বোঝানো হচ্ছে না। রাগের মুহূর্তে নিজেকে শারীরিকভাবে একটিভ রাখলে রাগ দ্রুত কমে যায়। যখনই প্রচন্ড রাগ উঠবে, কোন একটি স্থানে বসে না থেকে দ্রুত হাঁটুন, ছোট ছোট লাফ দিন। ঘরের মধ্যে পায়চারি করুন। এনডরফিনস (Endorphins) হরমোনের নিঃসরণ মনকে ঠাণ্ডা করতে সাহায্য করে।

বাইরে বেড়িয়ে পড়ুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/06/1536217447025.jpeg

অনেকদিনের জমানো রাগ কোনভাবেই কমছে না? মাথা থেকে কোনভাবেই ঝেড়ে ফেলতে পারছেন না রাগ? একা একাই বেড়িয়ে পড়ুন। নিজের পছন্দের কোন জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। পছন্দের কোন খাবার খান। কফি শপে নিজের পছন্দের কফিটি অর্ডার দিন। নিজের সাথে নিজের একান্ত কিছু সময় কাটান। দেখবেন মন অনেকটা শান্ত হবে, রাগ কমবে।

সম্ভাব্য সমাধান খুঁজুন

অগোছালো ঘর, কাজের চাপ, শিশুদের যন্ত্রনার জন্যেও হুট করে রাগ উঠে যায়। রাগের ধরণ যদি এমনটা হয় তবে অহেতুক রাগারাগি না করে চুপচাপ থেকে কিছুটা সময় নিয়ে সমাধান নিয়ে ভাবুন। একটা সমস্যাকে কীভাবে সমাধান করা যায়- সেটা নিয়ে ভাবলে একইসাথে রাগ কমে আসবে ও সমাধানও পাওয়া যাবে।

রাগ ব্যক্ত করুন ‘নিজেকে’ উপস্থাপন করে

প্রথমেই বলা হয়েছে রাগের মুহূর্তে কথা বলা থেকে বিরত থাকার জন্য। যদি নিতান্তই নিজের অনুভুতিকে প্রকাশ করতেই চান, তবে নিজের অবস্থানকে তুলে ধরে রাগ ব্যক্ত করুন। যেমন: ‘তোমার এই কথাটা বলা একদম ঠিক হয়নি’ এই কথার পরিবর্তে বলুন, ‘তোমার এই কথাটাতে আমি কষ্ট পেয়েছি’। এতে নিজের অনুভূতিকেও ব্যক্ত করা সম্ভব হবে ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।

বুঝতে চেষ্টা করুন কখন সাহায্য প্রয়োজন

রাগের বশবর্তী হয়ে অনেকেই নিজেকে বা অন্যকে আহত করে বসেন, জিনিসপত্র ছোড়াছুড়ি করেন। যা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। বরং এমন অতিরিক্ত রাগের অনুভূতির লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি

ঠোঁটের সৌন্দর্যে দারুচিনি
ছবি: সংগৃহীত

ত্বকের পরিচর্যা ও যত্নের পাশপাশি ঠোঁটের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সঠিক যত্ন যেমন  ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, ঠিক তেমনভাবে অযত্নে ঠোঁটে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। তবে আজকের ফিচারটি মূলত ঠোঁটের যত্ন নিয়ে নয়, প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারে কীভাবে ঠোঁটকে আকর্ষণীয় দেখানো যাবে সেটাই জানানো হয়েছে।

প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে দারুচিনি ঠোঁটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। প্রাকৃতিক এই উপাদানে থাকে ক্যাসিয়া অয়েল (Cassia Oil), যা একধরণের প্রশান্তিদায়ক এবং ত্বকের জন্য নিরাপদ উপাদান। তবে এটা ব্যবহারে ঠোঁটের রক্ত চলাচলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে ঠোঁট উজ্জ্বল, লালচে ও ফোলা দেখায়।

তাই দারুচিনিকে সবচেয়ে নিরাপদ, সহজলভ্য, সস্তা ও প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে ধরা হয় ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান হিসেবে। জেনে নিন দারুচিনি ব্যবহারে ঠোঁটের সৌন্দর্যবর্ধনে তিনটি ভিন্ন লিপ স্ক্রাব তৈরির প্রক্রিয়া।

দারুচিনি ও চিনির লিপ স্ক্রাব

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক টেবিল চামচ দারুচিনি পাউডার, এক টেবিল চামচ চিনি, এক টেবিলচামচ অলিভ অয়েল অথবা নারিকেল তেল। এই উপাদানগুলো মিশিয়ে নিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে চিনি যেন সম্পূর্ণ গলে না যায়। হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে এই স্ক্রাব ঠোঁটে ম্যাসাজ করে পাঁচ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর পানিতে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

দারুচিনি ও আদার লিপ স্ক্রাব

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566463547394.JPG

এই লিপ স্ক্রাবটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক-তৃতীয়াংশ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, এক-তৃতীয়াংশ আদা গুঁড়া, এক ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল, এক চা চামচ আমন্ড অয়েল। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই পেস্ট ঠোঁটে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করে মিনিটখানেক রেখে দিয়ে এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে।

দারুচিনি ও মধুর লিপ স্ক্রাব

এতে প্রয়োজন হবে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, আধা চা চামচ মধু ও আধা চা চামচ অলিভ অয়েল। উপাদান তিনটি একসাথে মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করে দশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে ঠোঁট ধুয়ে লিপবাম ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: যেমন হওয়া প্রয়োজন স্পর্শকাতর ত্বকের যত্ন

আরও পড়ুন: ত্বকের তিন যত্নে টমেটোর রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস

পাঁচ কারণে পান করুন আঙুরের রস
আঙুরের রস

মৌসুমি ফলগুলো বছরের শুধু নির্দিষ্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়।

সেদিক থেকে আঙুর প্রাধান্য পাবে অনেক বেশি। পুরো বছর জুড়ে সহজলভ্য এই ফলটি শুধু খেতেই সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নয়, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্যেও চমৎকার উপকারিতা বহন করে।

গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে জানা যায়, আঙুর থেকে পাওয়া যাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও। সেদিক থেকে আঙুরের রসকে বলা যেতে পারে আধুনিক সময়ের ডিটক্স ড্রিংক।

প্রায় ৬০০০ বছর আগে থেকেই আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হয় মিশরিয়দের। তারাই প্রথম আঙুর, আঙুরের রস, আঙুরের মদ ও তার গুণাগুণের সাথে পরিচিত করায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455706012.jpg

আঙুরের রসের উপকারিতাগুলো কী?

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ আঙুরের রস হাইপারটেনশন ও চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্লথ করে দেয়। এমনতর আরও বহু উপকারিতা রয়েছে এই ফলের রসে, যার মাঝে প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

দূরে রাখে হৃদরোগ

শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, আঙুরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এছাড়া রয়েছে কোয়েরসেটিন, প্রোসায়ানাইডস, ট্যানিন ও স্যাপনিনসের মতো ফাইটোকেমিক্যালস। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে থেরাপিউটিক প্রক্রায়ার মতো কাজ করে বলে জানাচ্ছে বেশ কিছু গবেষণা।

বিশেষ করে লাল আঙুর রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এর মাত্রা বৃদ্ধিতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এর মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। এতে করে খুব সহজেই হৃদযন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি হারানোর প্রক্রিয়া স্লথ করে

আঙুরের রসের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান নিউরনাল সিগন্যালে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে কাজ করে। নিয়মিত আঙুরের রস পানে ডিমেনশিয়ার সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। রেসভারট্রল এর মতো অ্যাকতিভ পলিফেনল মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নতুন তথ্য শেখা, মুড ভালো করা ও স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করায় সাহায্য করে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। পরিমিত মাত্রায় আঙুরের রস পানে ইনস্যুলিন রেসিস্ট্যান্সের মাত্রা হ্রাস করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভনোলস, রেসভেরাট্রল ও ফেনলিক অ্যাসিড হলো প্রধান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566455724535.JPG

এতে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান

লাল আঙুরের রস ডিএনএর ক্ষতির মাত্রা কমাতে কাজ করে, যা থেকে ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোরিয়াতে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত লাল আঙুরের রস মানে ডিএনএর অক্সিডেটিভ ড্যামেজের মাত্রা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শুধু তাই নয়,  আঙুরের ফাইটোকেমিক্যালস কোলন ক্যানসারের কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কেমোথেরাপি চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ আঙুরের রস কেমোর সাইড ইফেক্ট তথা- বমিভাব, মাথাঘোরানো কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ রাখে পাকস্থলী

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে আঙুরের রস যোগ করার ফলে পাকস্থলীর মাইক্রোবিয়াল পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। আঙুরের রসের পলিফেলনস প্যাথোযেনস, অক্সিডেন্টিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ খাদ্য পরিপাকে সহায়ক।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: আট উপকারিতার আতা ফল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র