Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিচারহীনতার কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে

বিচারহীনতার কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: বিচারহীনতার কারণে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হলে, ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক থাকলে এবং শাজাহান খানরা অনিয়মকে প্রশ্রয় না দিলে এ অবস্থা দেখতে হতো না।

বুধবার(১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে নাগরিক ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শাজাহান খানরা শ্রমিকদের কন্ট্রোলের বাইরে নিয়ে গেছে। আমি যখন পরিবহন ব্যবস্থার দায়িত্বে ছিলাম শাজাহান খান তখন শ্রমিক নেতা। শাজাহান খান ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছে আমার অফিসের সামনে। চাঁদা বৃদ্ধির দাবিতে। আমি বলেছি কোন অনিয়ম প্রশ্রয় দেয়া হবে না। 

'শিশুদের জীবন বাঁচানোর আন্দোলনে সরকার আতঙ্কিত বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।'

তিনি বলেন, বিমানবন্দর সড়কে নিহত ২ শিক্ষার্থী হত্যার সাথে জড়িতদের এবং আন্দোলনকারী শিশুদের গায়ে যেসব পুলিশ সদস্যরা হাত তুলেছে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

'পুলিশ শিশুদের উপর হামলা করছে এমন ছবি ফেসবুকে দেখে নিচে কমেন্টসও করেছি যে, তোমাদের বাড়িতে শিশু ছেলে মেয়ে নেই? ভাইস্তি, ভাতিজা নেই?'

মির্জা আব্বাস বলেন, পাকিস্তান আমলের ইয়াহিয়া খানের মতো হাসি হাসলেন শাজাহান খান। ইয়াহিয়া খান ও টিক্কা খানের মত পৈশাচিক হাসি হাসছেন লীগের নেতারা। এই পৈশাচিক হাসি থেকে আমাদেরকে রক্ষা পেতে হবে।

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গায়ে যারা হাত তুলেছে তাদের বিচার করতে হবে। যারা ইন্ধন যুগিয়েছে তাদের বিচার করতে হবে। যেসব পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করছে, গুলি চালিয়েছে তারা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন নেন না? তারা তো চাকরি চায়নি তারা মেধার মূল্যায়ন চেয়েছে।

নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি তার সিদ্ধান্ত থেকে একচুলও নড়চড় হবে না জানিয়ে তিনি বলেন,

যা বলেছি সেখান থেকে এক চুলও নড়চড় হবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিতে হবে। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, ইউপি নির্বাচন এবং সবশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে আমরা দেখেছি কোথাও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালিত হয় নাই। তাহলে আমরা কেন নির্বাচনে যাব।

জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি ইউনুস মৃধা প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব: কাদের

দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব: কাদের
ওবায়দুল কাদের, পুরনো ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব। সরল বিশ্বাস বলতে তিনি (দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ) কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা আমাকে জানতে হবে। তবে দুর্নীতি দুর্নীতিই। এটা অন্যভাবে দেখার উপায় নেই।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে  ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরল বিশ্বাসে কোনো বড় ভুল করলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না’ দুদক চেয়ারম্যানের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সারা দুনিয়ায় দুর্নীতি হচ্ছে। তবে কোথাও বেশি কোথাও কম। কিছু পলিটিক্যালি মোটিভিটেড হচ্ছে। কোনো নেতাকে যদি কেউ দেখতে না পারে তার বিরুদ্ধে দুনীতির ছাপটা লাগিয়ে দেয়।

জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল, সংসদে তাদের অনেকগুলো আসন আছে। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছে। এরশাদের অবর্তমানে তাদের দলীয় রাজনীতি ও সাংগঠনিক রূপ কী হবে, এটা তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। রাজনীতিতে তারাই টিকে থাকবে, যারা সময়োপযোগী রাজনীতি চর্চা ও যুগোপযোগী রাজনীতি করবে।

বন্যা মোকাবিলায় দল ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার আন্তরিকভাবে বন্যা মোকাবিলায় কাজ করছে। আজকেও জামালপুর ও গাইবান্ধায় আমাদের প্রতিনিধি গিয়েছেন। আমাদের টিম বন্যাদুর্গত এলাকায় যাচ্ছে।

মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট করছে সরকার- বিএনপির এমন অভিযোগের  জবাবে কাদের বলেন, তারা তো কোনো দিন উন্নয়ন করেনি। উন্নয়নের রোল মডেলের কী বুঝবেন ফখরুল সাহেবরা? ওনারা তো কালো চশমা পরেন। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখেন না। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে যে ভিশন-২০৩০ ঘোষণা করেছিল, সেটা এখন ডিপ ফ্রিজে ঢুকে গেছে।

 

রাজপথ দখলের নেওয়ার সময় এসে গেছে: ফারুক

রাজপথ দখলের নেওয়ার সময় এসে গেছে: ফারুক
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন জয়নুল আবদিন ফারুক

রাজপথ দখলে নেওয়ার সময় এসে গেছে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে রাস্তায় নামি, রাজপথ প্রকম্পিত করি।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে নাটকীয়তার প্রতিবাদ’ শীর্ষক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ১৬ কোটি মানুষের প্রাণের নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন বেগবান করতে সহসাই কর্মসূচি নেওয়া হবে। গতকাল বরিশালের মহাসমাবেশে দেশবাসী লক্ষাধিক লোকের সমাগম দেখেছে। আগামীকাল চট্টগ্রামে হবে, ২৫ তারিখ হবে খুলনায়। সেগুলোতেও লাখো লোকের সমাগম ঘটবে। আশা করব সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যবস্থা করবে। তা না হলে সারাদেশে যে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠবে সেই আন্দোলনের তোড়ে অবৈধ সরকারের গদি নড়ে যাবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের অত্যাচার-নির্যাতন-গুম-খুনে জর্জরিত বিএনপি। খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, যিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী— সেই নেত্রী আজ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় কারাগারে। যতই অত্যাচার হোক, যতই নির্যাতন হোক, যতই মামলা-হামলা হোক বিএনপির ঐক্য আরও জোরদার হচ্ছে। বিএনপির ভিত আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

জয়নুল আবদিন ফারুক আরও বলেন, সরকার আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করছে, হত্যা-নির্যাতন করছে। ২৫ লাখের অধিক মামলা বহন করে আমাদের নেতাকর্মীরা জীবনযাপন করছেন।

আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি আলহাজ খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফরিদা মনি শহীদুল্লাহ, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম রফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র