Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাণী

জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাণী
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে এই বাণীটি পাঠানো হয়।

বাণীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, 'বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাবিধুর দিন ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। আজ অপরিমেয় শোকাহত চিত্তে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শাহাদাৎ বরণকারী তার পরিবার-পরিজনকে। এই দিনে আমি পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে জাতির জনক এবং ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।'

তিনি বলেন, '১৯৭৫ সালের এই কালো দিনে কুখ্যাত ঘাতক চক্রের হাতে ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে আমাদের দেশের অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সপরিবারে শহিদ হন। এই নৃশংসতা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। যিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীনতার রূপকার এবং সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের শ্রেষ্ঠতম কারিগর। তার মতো মহীরুহের হত্যাকাণ্ডের শোক গোটা জাতিকে অনন্তকাল ধরে বইতে হবে। এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন একটি সোনার দেশ গড়ার লক্ষ্যে যদি আমরা দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যেতে পারি তাহলেই হয়তো তার বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।'

তিনি আরও বলেন, 'জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো দলীয় বৃত্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। তার পরিধি গোটা দেশময়। এ দেশের মাটি আর মানুষের মধ্যেই তার ব্যাপ্তি। তিনি গোটা জাতির জনক। তার ত্যাগ ও তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের আদর্শ ধারণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র ও দুর্নীতিমুক্ত এবং সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এই হোক এবারের জাতীয় শোক দিবসের অঙ্গীকার।'

আপনার মতামত লিখুন :

২১ আগস্ট হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত: কাদের

২১ আগস্ট হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত: কাদের
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ ছবি: শাহরিয়ার তামিম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত মাস্টারমাইন্ডদের বিচার হওয়া উচিত, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি এসব কথা বলেন।

মাস্টারমাইন্ডদের বিচারে কোন রাজনৈতিক বাঁধা আছে কি-না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক বাধা অতিক্রম করতে হবে। চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করেই এগিয়ে যেতে হবে। আইনের শাসনের জন্যই তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা দরকার।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566617023076.gif

আইভী রহমানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আইভী রহমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের মধ্যে আধুনিক ব্যক্তি। তিনি সব সময় শ্রোতাদের কাতারে বসতেন। ২১ আগস্টেও তিনি মঞ্চের সামনে বসেছিলেন।’

আইভী রহমান যদি সময় মতো চিকিৎসা পেতেন তাহলে হয়তো বেঁচে যেতে পারতেন বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এর আগে আইভী রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইনাম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566617038133.gif

ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে প্রয়াত আইভী রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এরপর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রয়াত আইভী রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৭টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের এই সভাপতি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

শুক্রবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত শোকবার্তা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও শোক প্রকাশ করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় বলেন, মোজাফফর আহমদ স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অনন্য প্রধান সংগঠক ও প্রতিথযশা রাজনীতিক। বর্তমানের দেশের এই দুঃসময়ে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মতো একজন গুণী রাজনীতিবিদের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়াতে দেশে গভীর রাজনৈতিক শুন্যতার সৃষ্টি হলো। এ দেশের সামাজিক অগ্রগতি এবং মানুষের মুক্তির রাজনীতিতে তার অবদান ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক অবিচ্ছেদ্য নাম অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। তার রাজনীতি ও সংগ্রাম এ দেশের মানুষের কাছে এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক আপোষহীন সিপাহ্সালার। তার মৃত্যুতে দেশবাসী একজন প্রাজ্ঞ অভিভাবককে হারালো।

এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, কিছুদিন আগে অসুস্থ থাকা অবস্থায় মোজাফফর আহমদকে দেখে এসেছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই সময় তিনি তার স্বাস্থ্য ও পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম ব্যথিত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র