Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বাস্তবসম্মত: বিএনপি

আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বাস্তবসম্মত: বিএনপি
কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ভারতীয় সরকার/ ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি মনে করে, আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমস্যার সমাধান করার যে প্রস্তাব জাতিসংঘ মহাসচিব দিয়েছেন, তা বাস্তবসম্মত।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণমাধ্যমে দলের পক্ষ থেকে বিবৃতি পাঠান।

বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, উপমহাদেশের অভিন্ন ইতিহাসের কারণে বাংলাদেশের জনগণ বরাবরই এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রত্যাশী। গণমাধ্যম সূত্রে অবহিত হয়ে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের বর্তমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সাথে নিবিড়ভাবে বিএনপি পর্যবেক্ষণ করছে।

'ইতোমধ্যে জাতিসংঘ সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের যে আহ্বান জানিয়েছে, তা সময়োচিত আহ্বান হিসেবে বিএনপিকে আশ্বস্ত করেছে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান তৈরি করার যে প্রস্তাব জাতিসংঘ মহাসচিব দিয়েছেন তাও বাস্তবসম্মত বলে বিএনপি মনে করে।'

বিবৃতিতে বলা হয়, 'যেকোনো সমস্যা সংশ্লিষ্ট পক্ষরাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারেন। ভারতের বর্তমান নির্বাচিত সরকার তার সংবিধানের অন্তর্নিহিত চেতনানুযায়ী সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করেই চলমান সমস্যার সমাধান করবে বলেও বিএনপি বিশ্বাস করে। কাশ্মীর সমস্যা সমাধান এ অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার প্রক্রিয়া তরান্বিত করবে বলে বিএনপি গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে সাড়া দেননি জাপার প্রার্থীরা

মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে সাড়া দেননি জাপার প্রার্থীরা
জাতীয় পার্টির পতাকা

এরশাদের মৃত্যূতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন বিক্রির প্রথম দিনে প্রার্থীরা সাড়া দেননি। একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীকে পার্টির বনানী কার্যালয়ে দেখা গেলেও বিকেল পর্যন্ত কেউই দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেননি।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিনে ফরম বিক্রি না হওয়ার বিষয় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ না করলেও রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এস এম ইয়াসির ও রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে। তারা সবাই পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। কিন্তু কেউই মনোনয়ন ফরম নেননি রোববার।

উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত না হলেও শনিবার (২৪ আগস্ট) হঠাৎ করেই, দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির ঘোষণা দেয় জাপা। একইসঙ্গে ৮ সদস্য বিশিষ্ট পার্লামেন্টারি বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। যদিও এ বোর্ডে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও তার অনুসারিদের কারোরই ঠাঁই হয়নি বোর্ডে। এরশাদ জীবিত থাকাকালে যারা বোর্ড সদস্য ছিলেন তাদের অনেকের জায়গা হয়নি বোর্ডে।

ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। ঠিক কয়দিন বিতরণ করা হবে তা চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হয়নি। জাপা মহাসচিব জানিয়েছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গঠিত পার্লামেন্টারি বোর্ড চূড়ান্ত করবে প্রার্থী।

এ আসনে হাফ ডজন প্রার্থী রয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী। এরশাদপুত্র সাদসহ পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

একজন তো মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন। পরিবার থেকে মনোনয়ন দৌড়ে থাকা প্রার্থীরা হলেন এরশাদ পুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ, ভাতিজা (ছোট ভাইয়ের ছেলে) সাবেক এমপি আসিফ শাহরিয়ার, ভাতিজা (মামাতো ভাইয়ের ছেলে) মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ভাগনি (মেরিনা রহমানের মেয়ে) মেহেজেবুন্নেছা রহমান টুম্পা।

পরিবারের বাইরে থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর-উজ-জামান ও রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারী এসএম ইয়াসির।

আসনটিতে মনোনয়ন পেলেই বিজয়ী হবেন এমনটা ধরে নিয়ে লবিং-তদবির বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রার্থীরা। অনেকেই পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।

মনোনয়ন দৌড়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন এরশাদপুত্র সাদ। তার জন্য লবিং করছেন তার মা সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ। বিগত নির্বাচনে কুড়িগ্রাম থেকে ছেলেকে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন রওশন।

‘বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়েনি’

‘বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়েনি’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি কখনও কোনো খুনের দায়ে পড়েনি। কিন্তু আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মীদের খুন করেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত আব্দুস সালাম তালুকদারের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, কয়েকদিন আগে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন যে, বিএনপি একটি খুনির দল। তিনি ভুলে গেছেন যে, তারা ১৯৭২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই খুন শুরু করেছিলেন। সেদিনও তারা রক্ষীবাহিনী তৈরি করে তাদের নেতা-কর্মীরা বিরোধী দল যারা করতেন তাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে খুন করেছে। সেদিন সিরাজ শিকদারকে খুন করা হয়েছিল, এরকম অসংখ্য নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ হত্যা করা হয়েছিল।

বিএনপি কিন্তু খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, বিএনপি কখনও খুনের দায়ে পড়ে নাই। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে খুন করেছে, গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, নিপীড়ন করেছে, গণতান্ত্রিক সমস্ত পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে, এখানে গণতান্ত্রিক স্পেস বলতে আর কিছু তারা রাখেনি।

সরকার সবদিকে ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নষ্ট করেছে। ডেঙ্গু কী আকার ধারণ করেছে! হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে।

তিনি বলেন, গত দুই বছর ধরে রোহিঙ্গারা এদেশে এসেছে। তখন খালেদা জিয়া সেই লন্ডন থেকে স্টেটমেন্ট দিয়ে বলেছিলেন, যারা বিতাড়িত হচ্ছে মিয়ানমারে তারা এখানে এসে আশ্রয় নেবে, তাদের আশ্রয় দিতে হবে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা যেন সম্মান নিয়ে, নাগরিকত্ব নিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারে সেই ব্যবস্থাও সরকারকে করতে হবে। এই দুই বছরে সরকার এতই ব্যর্থ হয়েছে যে, দিনক্ষণ ঠিক করেও সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে পারলো না।

সরকার সুপরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু গণতন্ত্র নয়, তারা রাজনীতিকে ধ্বংস করছে। ১/১১ তে যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বিরাজনীতিকরণের সেই ধারাই এখন চলছে। সব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে তাদের একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই দেশে বিচার ব্যবস্থা বলতে কিছু নেই, ন্যায়-নীতি বলতে কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে তারা। সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দিয়ে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার সমস্ত ব্যবস্থা তারা করেছে। এটা অঘোষিত বাকশাল।

স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র