Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নৌকার বিপক্ষে অবস্থানকারীদের আর মনোনয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

নৌকার বিপক্ষে অবস্থানকারীদের আর মনোনয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদ ভবনে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: সংগৃহীত
শাহজাহান মোল্লা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেসব সংসদ সদস্য নৌকার বিপক্ষে অপস্থান নিয়েছেন তাদের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমপিদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছে তারা এখন নিজ নিজ এলাকায় নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, এটা তো আমাদের দেখতেই হবে। আগামীতে তাদের আর মনোনয়ন দেওয়া হবে না। এছাড়া দল ও সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এমপিদের কঠোর বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, এ কে এম শামীম ওসমান, ফজলে নূর তাপস, আতিউর রহমান আতিক, মমতাজ বেগম ও মুন্নুজান সুফিয়ান বক্তব্য রাখেন।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। বৈঠকে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, এমপিদের শৃঙ্খলা রক্ষার নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ এলাকার প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

দলের মধ্যে যেসব এমপি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে এমপি হয়ে এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেই নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের বিষয়টা তো আমাদের দেখতেই হয়। আগামী নির্বাচনে তাদের আর মনোনয়ন দেওয়া হবে না। নৌকা মার্কা নিয়ে বিজয়ী হয়ে এলাকায় নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা এবং সংসদে পরিপূর্ণ শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি তাগিদ দিয়ে বলেন, যার যার এলাকায় যান, দলীয় কর্মকাণ্ডে মনোযোগী হন, নেতা-কর্মীসহ জনগণের পাশে থাকুন, তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করুন। তিনি প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় দলের নিজস্ব কার্যালয় স্থাপনের তাগাদা দিয়ে বলেন, যেসব জেলা বা উপজেলায় নিজস্ব দলীয় কার্যালয় নেই, দ্রুত সেখানে কার্যালয় নির্মাণ করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি পরিপূর্ণ রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562867260518.jpg

এছাড়া যেসব মন্ত্রী এখনও ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট ছাড়েননি তাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, ন্যাম ভবনের প্রতি এতই যদি দরদ থাকে তাহলে মন্ত্রিপাড়ার বাসা ছেড়ে ন্যাম ভবনে ওঠেন। এখানে গাড়ী চালক, পিয়নদের জন্য না। ন্যাম ভবন ছেড়ে অন্যদের থাকার সুযোগ করে দেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে দলের মধ্যে কোনো ধরণের কোন্দল-দ্বন্দ্বে জড়িত না হওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, কোনোভাবেই কোন্দল বা দ্বন্দ্বে জড়িত হবেন না। এ সময় সাবেক এক মন্ত্রীর নাম উল্লেখ না করে তাকে তীব্র ভৎর্সনা করে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিরোধীতা করেছেন। বিরোধীতা করতে গিয়ে সংঘর্ষে একজন কর্মীর প্রাণ গেছে। এসব কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। যে যত বড় নেতাই হোন না কেন, দলের বিরোধীতা কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকেই ছাড়া হবে না। অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার সংসদে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট দেওয়া হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তাই নিজ নিজ এলাকায় যেয়ে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যেন দ্রুত সম্পন্ন হয় সেদিকে নজর রাখবেন। উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করুন। মনে রাখবেন, দেশের জনগণ আমাদের ওপর পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়েছে। জনগণের সেই ভোটের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করতে হবে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলের ফাণ্ডে বার্ষিক চাঁদা বাকি থাকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত যেসব সংসদ সদস্যদের দলের বার্ষিক চাঁদা বাকি রয়েছে তা দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জিএম কাদের জাপা’র চেয়ারম্যান নন: রওশন

জিএম কাদের জাপা’র চেয়ারম্যান নন: রওশন
জিএম কাদের, ছবি: সংগৃহীত

জিএম কাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান নন বলে বিবৃতি দিয়েছেন রওশন এরশাদ সহ দলের কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য। সোমবার (২২ জুলাই) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এই দাবি করেন তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বেশিরভাগ প্রেসিডিয়াম সদস্যের মতামত না নিয়ে তাকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত না করা পর্যন্ত তিনি এই পদে থেকেই দায়িত্ব পালন করবেন।  

বিবৃতির বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম।

বিবৃতিতে রওশন এরশাদ সহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেন, জিএম কাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছেন। তিনি দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু হুট করে আলাপ-আলোচনা ছাড়া তাকে নতুন চেয়ারম্যান ঘোষণা হঠকারিতা। কারণ, তাকে জাপার চেয়ারম্যান করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় জিএম কাদের জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। তাকে নতুন চেয়ারম্যানের ঘোষণা থেকে বিরত থাকার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি রওশনপন্থি নেতারা আহ্বান জানান।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান ঘোষণার পর থেকেই বনানীতে অবস্থিত জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এরশাদের নির্ধারিত কক্ষে বসতে দেখা গেছে জিএম কাদেরকে। তিনি সে সময় উপস্থিত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো। গত ১৬ জানুয়ারি জিএম কাদেরকে নিজের অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এরশাদ। পরবর্তীতে ২২ মার্চ আরেক সাংগঠনিক নির্দেশনায় ১৬ জানুয়ারির নির্দেশনা বাতিল করেন তিনি নিজেই।

JAPA

এরপর কাদেরকে বহালে আন্দোলনে নামেন রংপুরের নেতারা। অনেকটা বাধ্য হয়ে ২২ মার্চের নির্দেশনা বাতিল করে কাদেরকে পুনর্বহাল করেন এরশাদ। নতুন নির্দেশনার পর থেকে এরশাদের অবর্তমানে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব জিএম কাদের পালন করে আসছিলেন।

জিএম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্ত বাতিলের চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২২ মার্চ যে সাংগঠনিক নির্দেশ দিয়েছিলাম সোমবারের চিঠির মাধ্যমে আগের আদেশটি বাতিল ঘোষণা করছি।

জিএম কাদেরকে ব্যর্থ উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরদিন ২৩ মার্চ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতার পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। বিরোধী দলীয় উপনেতা ঘোষণা করা হয় রওশন এরশাদকে।

গঠনতন্ত্রে পদ না থাকলেও ২০১৬ সালে জিএম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছিলেন এরশাদ। এরপর রওশনপন্থিদের চাপে রওশন এরশাদকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান করেছিলেন তিনি।

ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র
প্রতীকী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মত দেশব্যাপী আবারও নতুন কোন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সরকার বিরোধীরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

দলের একাধিক শীর্ষ নেতা বার্তাটোয়ন্টিফোর.কমকে বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে বিএনপি-জামায়াত জোটের কাছে বর্তমানে বড় কোন ইস্যু নেই। তাই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের মেগা প্রকল্প জড়িয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

নির্মাণাধীন পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পকে ঘিরে গুজব ছড়ানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব রটিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে ছেলেধরা গুজব যারা ছড়াচ্ছে তাদের সংশ্লিষ্টতা আছে বলেও অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, পদ্মাসেতুতে মাথা লাগবে বলে ফেসবুকে যারা গুজব ছড়িয়েছে তারা কোন সাধারণ নাগরিক নয়। এদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মতো বিএনপি-জামায়াত চক্র সরকারি মেগা প্রকল্পগুলো ঘিরে গুজব ছড়াতে শুরু করেছে। এই চক্রটি আবার ছেলেধরা আতঙ্ক ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে দিয়ে গণপিটুনির নামে নিরীহ মানুষকে খুন করাচ্ছে।

যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, দেশের চলমান ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং সরকারকে বিপাকে ফেলতে বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী চক্র নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ষড়যন্ত্রের নতুন জাল বিস্তার শুরু করেছে। এরা আবারও দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চায়।

এই পর্যন্ত গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তার প্রত্যেকটির তদন্ত হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এদের ইন্ধনদাতা বা সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা রাষ্ট্রদোহের শামিল। তাছাড়া গণপিটুনির নামে কাউকে হত্যা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। যারা এসব গুজব ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ রক্ষা পাবে না।

সন্দেহের তালিকায় কারা আছে, এ প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গোয়ন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্ত করছেন সময়মত সব জানানো হবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার (২২ জুলাই) নেত্রকোনায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, দেশজুড়ে ছেলেধরা গুজবে মানুষকে যেভাবে পেটানো হচ্ছে তা আইনের মধ্যে পড়ে না। আপনারা জানেন যে, পদ্মা সেতুতে মাথা চাই—এমন গুজব ছড়ানো হয়েছিল। আর এ গুজবের ওপর ভিত্তি করেই এসব ঘটনা ঘটছে।

আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কাউকে সন্দেহ হলে পুলিশের হাতে তুলে দেবেন। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে বলে সম্প্রতি ফেসবুকে গুজব রটানো হয়। এর পরই নেত্রকোনা শহরে এক যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে এক শিশুর মাথা পাওয়ার পর তাকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলা হয়।

এর পরই ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ছেলেধরা আতঙ্ক ও গণপিটুনি। এই গুজবে গত চারদিনে প্রাণ গেছে অন্তত পাঁচজনের এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতোমধ্যেই পুলিশের সব ইউনিটকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র