Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আমরা ক‌মিশন খাওয়ার দেশ: মেনন

আমরা ক‌মিশন খাওয়ার দেশ: মেনন
স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন রাশেদ খান মেনন, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশ ক‌মিশন খাওয়ার দেশ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

শ‌নিবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লা‌বে উত্তর কো‌রিয়ার সা‌বেক প্রে‌সি‌ডেন্ট কিম ইল সাংয়ের স্মরণ সভায় তিনি এ মন্তব্য ক‌রেন। বাংলা‌দেশ কোরিয়া ফ্রেন্ড‌শিপ অ্যান্ড সো‌লিডা‌রি‌টি ক‌মি‌টি এ স্মরণ সভার আ‌য়োজ‌ন করে।

‌মেনন ব‌লেন, ‘উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থে‌কে দিনাজপু‌রের মধ্যপারায় পাথর উত্তোল‌নের জন্য একটা প্র‌জেক্ট ক‌রা হ‌য়েছি‌ল। সে সময় তারা অনেক সমস্যা ও জ‌টিলতায় প‌ড়ে‌ছি‌লে। আমি এ কথাগু‌লো বিএন‌পি সরকা‌রের সা‌বেক অর্থমন্ত্রী সাইফুল ইসলামকে ব‌লে‌ছিলাম। তি‌নি হে‌সে বলে‌ছি‌লেন, ওটা একটা ফ‌কি‌রের দেশ। এ আবার আমা‌দের এখা‌নে কি ক‌রে। সেই উত্তর কোরিয়া আমা‌দের দে‌শের মা‌টির গভীর থে‌কে পাথর উত্তোলন ক‌রে‌ছে। তারা সে পাথর থে‌কে উচ্চ মা‌নের পাথর নি‌য়ে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে পাথর‌কে ভালোভা‌বে প্র‌ক্রিয়াজাত কর‌লে আমরা বি‌দে‌শে রফতা‌নি কর‌তে পারতাম। কিন্তু আমরা‌তো সে দেশ নই। আমরা‌তো ক‌মিশন খাওয়ার দেশ। আমা‌দের না‌কি ওয়াটার বো‌টে ক‌রে বি‌দেশ থে‌কে পাথর আমদা‌নি কর‌তে হ‌বে। ইন্দোনে‌শিয়া থে‌কে, ভারত থে‌কে, না হয় অন্য কোনো দেশ থে‌কে পাথর আন‌তে হ‌বে। কারণ এই পাথর আনার মধ্যে তা‌দের ক‌মিশন থাক‌বে।’

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ব‌লেন, ‘আমরা ব‌লে‌ছিলাম, আমা‌দের দে‌শের পাথর দি‌য়ে বাধ নির্মাণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ অনেনক কা‌জে ব্যবহার করা যা‌বে। আমা‌দের দে‌শের পাথর ইউরো‌পে রফতা‌নি ক‌রেও প্রচুর বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা আন‌তে পারতাম। কিন্তু আমা‌দের দে‌শের পাথর স্তূপ হ‌য়ে প‌ড়ে থা‌কে। কেউ কে‌নে না। কিন‌তে গে‌লে তা‌দের ক‌মিশন চ‌লে যা‌বে।’

‌বাংলা‌দেশ কোরিয়া ফ্রেন্ড‌শিপ অ্যান্ড সো‌লিডা‌রি‌টি ক‌মি‌টির সভাপ‌তি হারুন অর র‌শিদের সভাপি‌‌ত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন- কো‌রিয়ার ডি‌পিআর রাষ্ট্রদূত পাক সং ইয়প, ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয় অধ্যপক মেসবাহ কামাল, অর্থনী‌তিবিদ ড. অশোক গুপ্ত প্রমুখ।াদেশ

ক‌মিশন খাওয়ার দেশ ব‌লে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

শ‌নিবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লা‌বে উত্তর কো‌রিয়ার সা‌বেক প্রে‌সি‌ডেন্ট কিম ইল সাংয়ের স্মরণ সভায় তিনি এ মন্তব্য ক‌রেন। বাংলা‌দেশ কোরিয়া ফ্রেন্ড‌শিপ অ্যান্ড সো‌লিডা‌রি‌টি ক‌মি‌টি এ স্মরণ সভার আ‌য়োজ‌ন করে।

‌মেনন ব‌লেন, ‘উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থে‌কে দিনাজপু‌রের মধ্যপারায় পাথর উত্তোল‌নের জন্য একটা প্র‌জেক্ট ক‌রা হ‌য়েছি‌ল। সে সময় তারা অনেক সমস্যা ও জ‌টিলতায় প‌ড়ে‌ছি‌ল। আমি এ কথাগু‌লো বিএন‌পি সরকা‌রের সা‌বেক অর্থমন্ত্রী সাইফুল ইসলামকে ব‌লে‌ছিলাম। তি‌নি হে‌সে বলে‌ছি‌লেন, ওটা একটা ফ‌কি‌রের দেশ। এ আবার আমা‌দের এখা‌নে কি ক‌রে। সেই উত্তর কোরিয়া আমা‌দের দে‌শের মা‌টির গভীর থে‌কে পাথর উত্তোলন ক‌রে‌ছে। তারা সে পাথর থে‌কে উচ্চ মা‌নের পাথর নি‌য়ে এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে পাথর‌কে ভালোভা‌বে প্র‌ক্রিয়াজাত কর‌লে আমরা বি‌দে‌শে রফতা‌নি কর‌তে পারতাম। কিন্তু আমরা‌তো সে দেশ নই, ক‌মিশন খাওয়ার দেশ। আমা‌দের না‌কি ওয়াটার বো‌টে ক‌রে বি‌দেশ থে‌কে পাথর আমদা‌নি কর‌তে হ‌বে। ইন্দোনে‌শিয়া থে‌কে, ভারত থে‌কে, না হয় অন্য কোনো দেশ থে‌কে পাথর আন‌তে হ‌বে। কারণ এই পাথর আনার মধ্যে তা‌দের ক‌মিশন থাক‌বে।’

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ব‌লেন, ‘আমরা ব‌লে‌ছিলাম, আমা‌দের দে‌শের পাথর দি‌য়ে বাধ নির্মাণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ অনেনক কা‌জে ব্যবহার করা যা‌বে। আমা‌দের দে‌শের পাথর ইউরো‌পে রফতা‌নি ক‌রেও প্রচুর বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা আন‌তে পারতাম। কিন্তু আমা‌দের দে‌শের পাথর স্তূপ হ‌য়ে প‌ড়ে থা‌কে। কেউ কে‌নে না। কিন‌তে গে‌লে তা‌দের ক‌মিশন চ‌লে যা‌বে।’

‌বাংলা‌দেশ কোরিয়া ফ্রেন্ড‌শিপ অ্যান্ড সো‌লিডা‌রি‌টি ক‌মি‌টির সভাপ‌তি হারুন অর র‌শিদের সভাপি‌‌ত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন- কো‌রিয়ার ডি‌পিআর রাষ্ট্রদূত পাক সং ইয়প, ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয় অধ্যপক মেসবাহ কামাল, অর্থনী‌তিবিদ ড. অশোক গুপ্ত প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

জিএম কাদের জাপা’র চেয়ারম্যান নন: রওশন

জিএম কাদের জাপা’র চেয়ারম্যান নন: রওশন
জিএম কাদের, ছবি: সংগৃহীত

জিএম কাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান নন বলে বিবৃতি দিয়েছেন রওশন এরশাদ সহ দলের কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য। সোমবার (২২ জুলাই) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এই দাবি করেন তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বেশিরভাগ প্রেসিডিয়াম সদস্যের মতামত না নিয়ে তাকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত না করা পর্যন্ত তিনি এই পদে থেকেই দায়িত্ব পালন করবেন।  

বিবৃতির বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম।

বিবৃতিতে রওশন এরশাদ সহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেন, জিএম কাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছেন। তিনি দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু হুট করে আলাপ-আলোচনা ছাড়া তাকে নতুন চেয়ারম্যান ঘোষণা হঠকারিতা। কারণ, তাকে জাপার চেয়ারম্যান করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় জিএম কাদের জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। তাকে নতুন চেয়ারম্যানের ঘোষণা থেকে বিরত থাকার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি রওশনপন্থি নেতারা আহ্বান জানান।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান ঘোষণার পর থেকেই বনানীতে অবস্থিত জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এরশাদের নির্ধারিত কক্ষে বসতে দেখা গেছে জিএম কাদেরকে। তিনি সে সময় উপস্থিত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো। গত ১৬ জানুয়ারি জিএম কাদেরকে নিজের অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এরশাদ। পরবর্তীতে ২২ মার্চ আরেক সাংগঠনিক নির্দেশনায় ১৬ জানুয়ারির নির্দেশনা বাতিল করেন তিনি নিজেই।

JAPA

এরপর কাদেরকে বহালে আন্দোলনে নামেন রংপুরের নেতারা। অনেকটা বাধ্য হয়ে ২২ মার্চের নির্দেশনা বাতিল করে কাদেরকে পুনর্বহাল করেন এরশাদ। নতুন নির্দেশনার পর থেকে এরশাদের অবর্তমানে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব জিএম কাদের পালন করে আসছিলেন।

জিএম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্ত বাতিলের চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২২ মার্চ যে সাংগঠনিক নির্দেশ দিয়েছিলাম সোমবারের চিঠির মাধ্যমে আগের আদেশটি বাতিল ঘোষণা করছি।

জিএম কাদেরকে ব্যর্থ উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরদিন ২৩ মার্চ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতার পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। বিরোধী দলীয় উপনেতা ঘোষণা করা হয় রওশন এরশাদকে।

গঠনতন্ত্রে পদ না থাকলেও ২০১৬ সালে জিএম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছিলেন এরশাদ। এরপর রওশনপন্থিদের চাপে রওশন এরশাদকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান করেছিলেন তিনি।

ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র
প্রতীকী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মত দেশব্যাপী আবারও নতুন কোন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সরকার বিরোধীরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

দলের একাধিক শীর্ষ নেতা বার্তাটোয়ন্টিফোর.কমকে বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে বিএনপি-জামায়াত জোটের কাছে বর্তমানে বড় কোন ইস্যু নেই। তাই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের মেগা প্রকল্প জড়িয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

নির্মাণাধীন পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পকে ঘিরে গুজব ছড়ানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব রটিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে ছেলেধরা গুজব যারা ছড়াচ্ছে তাদের সংশ্লিষ্টতা আছে বলেও অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, পদ্মাসেতুতে মাথা লাগবে বলে ফেসবুকে যারা গুজব ছড়িয়েছে তারা কোন সাধারণ নাগরিক নয়। এদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মতো বিএনপি-জামায়াত চক্র সরকারি মেগা প্রকল্পগুলো ঘিরে গুজব ছড়াতে শুরু করেছে। এই চক্রটি আবার ছেলেধরা আতঙ্ক ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে দিয়ে গণপিটুনির নামে নিরীহ মানুষকে খুন করাচ্ছে।

যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, দেশের চলমান ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং সরকারকে বিপাকে ফেলতে বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী চক্র নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ষড়যন্ত্রের নতুন জাল বিস্তার শুরু করেছে। এরা আবারও দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চায়।

এই পর্যন্ত গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তার প্রত্যেকটির তদন্ত হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এদের ইন্ধনদাতা বা সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা রাষ্ট্রদোহের শামিল। তাছাড়া গণপিটুনির নামে কাউকে হত্যা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। যারা এসব গুজব ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ রক্ষা পাবে না।

সন্দেহের তালিকায় কারা আছে, এ প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গোয়ন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্ত করছেন সময়মত সব জানানো হবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার (২২ জুলাই) নেত্রকোনায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, দেশজুড়ে ছেলেধরা গুজবে মানুষকে যেভাবে পেটানো হচ্ছে তা আইনের মধ্যে পড়ে না। আপনারা জানেন যে, পদ্মা সেতুতে মাথা চাই—এমন গুজব ছড়ানো হয়েছিল। আর এ গুজবের ওপর ভিত্তি করেই এসব ঘটনা ঘটছে।

আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কাউকে সন্দেহ হলে পুলিশের হাতে তুলে দেবেন। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে বলে সম্প্রতি ফেসবুকে গুজব রটানো হয়। এর পরই নেত্রকোনা শহরে এক যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে এক শিশুর মাথা পাওয়ার পর তাকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলা হয়।

এর পরই ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ছেলেধরা আতঙ্ক ও গণপিটুনি। এই গুজবে গত চারদিনে প্রাণ গেছে অন্তত পাঁচজনের এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতোমধ্যেই পুলিশের সব ইউনিটকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র