Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এরশাদের অবর্তমানে জাপার কী হবে, জানালেন জিএম কাদের

এরশাদের অবর্তমানে জাপার কী হবে, জানালেন জিএম কাদের
জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

‘বড় গাছের নিচে ছোট গাছ কত দিন বাঁচবে! হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির (জাপা) ভবিষ্যৎ কী হবে? পার্টির পদোন্নতি নিয়েও অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন। আমি আগেই আপনাদের সেসব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি।’

দলটির বিগত দু'দিনের সাংগঠনিক সভায় এমন প্রশ্ন উঠেছে। এসব প্রশ্ন যাতে আর না করতে হয় সেজন্য এসব কথা বলেন জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বুধবার (২৬ জুন) মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে জাপার সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, আপনাদের প্রথম প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে- আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে একমাত্র জাতীয় পার্টি স্বকীয় রাজনীতি করছে। অন্যদের তেমন অবস্থান নেই। এটা ঠিক যে, দেশে জোটের রাজনীতি চলছে। আমরাই কোনো সময়ে জোটের নেতৃত্ব দিতে পারব। আমাদের সামনে সেই সুদিন আসছে। জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে কেউ ক্ষমতায় যেতে পারবে না।

অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে, এরশাদের অবর্তমানে পার্টির কী হবে। এরশাদ পরিণত বয়সে উপনীত হয়েছেন, বুধবার (২৬ জুন) সকালে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন। খোদা না করুক, তার কিছু হয়ে গেলে কী হবে? আমি বলি এরশাদের নির্দেশিত পথে, নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিকভাবে জাতীয় পার্টি চলবে।

জাপা নেতা বলেন, আমি পারিবারিক পরিচয়ে দলের নেতৃত্ব দিতে চাই না। আপনারা না চাইলে আমি নেতৃত্ব দেব না। আমি চাই এই পার্টির মালিক হবেন আপনারা সকলে। আমি পার্টির সকল কার্যক্রমে আপনাদের সম্পৃক্ত করতে চাই। আমি ক্ষমতার লোভী নই, অর্থলোভী নই। দলকে কাউকে বিক্রি করতে দেওয়া যাবে না। কেউ করার চেষ্টা করলে প্রতিহত করা হবে।

japa

‘হ্যাঁ, এরশাদের অবর্তমানে কিছু সমস্যা হতে পারে। এখন তার নামে যা হচ্ছে, তখন সেটা হবে না, অর্জন করে নিতে হবে।’

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্নের বিষয়ে উত্তর হচ্ছে- কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া কোথাও এটা হচ্ছে না। স্থানীয় পর্যায়ে সব জায়গায় কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবেন। কেন্দ্রীয় কমিটি হচ্ছে পার্টির চেয়ারম্যানের টিম, তিনি যাকে ভালো মনে করবেন তাকে নেবেন। কাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করবেন, সেটা তার বিষয়। এভাবেই কাউন্সিলে তাকে ক্ষমতা দেওয়া হয়। যেমন প্রধানমন্ত্রী কাকে মন্ত্রিসভায় নেবেন, এটা তার বিষয়। কেউ বাদ গেলে তার জায়গায় কাকে নেবেন সেটাও তার বিষয়।

তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে পার্টির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে। আমার মনে হয় নির্বাচনকালীন সময় যারা ছিলেন তাদের কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল না পরিস্থিতির কারণে। মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছিল। কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে এই সুযোগ থাকবে না। আমরা সবাইকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব। সামনে বিভিন্ন দল থেকে লোকজন আসবে, তাদের জায়গা দিতে হবে। তবে ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হবে না। আপনারা মতামত দিলে এক নেতার একপদ নীতি ফলো করতে পারি।

সভায় সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা, মহানগর, উপজেলা, শহর কমিটির নেতারা অংশ নেন। এর আগে ২৪ ও ২৫ জুন যথাক্রমে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতারা মতামত দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশে অধিকার আদায়ের সব আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অবদান আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। শনিবার (২০ জুলাই) জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্বে যেই আসুক তাকে মেনে নিয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যার ছাত্রত্ব আছে জবি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তাকেই দেওয়া হবে।

সম্মেলনের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, লবিং তদবির করে নেতা হওয়া যাবে না। ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে যোগ্যতা দিয়েই নেতা হতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, প্রার্থীদের সবাই পদ পাবে না। তাই পদ না পেয়ে হারিয়ে যাওয়া যাবে না। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটনের সভাপত্বিতে ও যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নজিবুল্লাহ হীরু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

উল্লখ্য, সকালে সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আসতে দেরি হওয়ায় সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৩টায়।

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল
চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার উন্নয়নের নামে ঢোল পিটিয়ে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা হরিলুট করছে। দেশের ব্যাংকগুলো রুগ্ন হয়ে গেছে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঋণ নির্ভর হয়ে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়বে।’

শনিবার (২০জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নাসিম ভবনের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাজেট ঘোষণার পরই গ্যাস, জ্বালানিসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিজেরা ঢোল বাজিয়ে দেশে উন্নয়নের লহরী ভরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বাদ দিয়ে তারা লুটপাটকারীদের সুবিধার্থে কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনারের হজ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘সাংবিধানিক ব্যবস্থা এত লজ্জাজনক অবস্থায় গেছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনার একটি দলের তত্ত্বাবধায়কের সদস্য হয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। উপহার হিসেবে আপনাকে হজ করতে পাঠানো হলো। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মামলায় ভারাক্রান্ত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়ে রিকশা চালাচ্ছেন, হকারের কাজ করছেন। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করে রেখেছে। আইনজীবীদের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার নির্দেশ ছাড়া তাঁর মুক্তি মিলছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634869186.gif

এর আগে বক্তব্যের শুরুতে ফখরুল দেশের বন্যর্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকারের একঘেয়েমির কারণে পৃথিবীর কেউ আমাদের দেখতে পারে না। অবিলেম্বে রোহিঙ্গাদের তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচিত সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আউয়াল মিন্টু, আবদুল্লাহ আল নোমান, সুকুমার রায়, গিয়াস উদ্দিন কাদের, বরকত উল্লাহ বুলু, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এদিকে বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকলেও নেতাকর্মীদের আগমনে সমাবেশ ছড়িয়ে পড়ে কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন এলাকায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র