Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে এখনো নিষ্ক্রিয় ৮ পদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে এখনো নিষ্ক্রিয় ৮ পদ
বিএনপির পতাকা
শিহাবুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি নেতারা সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে দলকে শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও কাউন্সিল ও নতুন কমিটি ঘোষণা শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে দুই নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু এখনো স্থায়ী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় পদ রয়েছে ৮টি। সক্রিয় হলো ১১ পদ।

২০১৬ সালে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে মোট ১৯ পদের জন্য ১৭ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। ফাঁকা পদে গত বুধবার (১৯ জুন) সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে এখনো স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে আটটি পদ নিষ্ক্রিয়। তারা হলেন— খালেদা জিয়া (পদাধিকার বলে) দুর্নীতির দায়ে বর্তমানে কারাগারে, তারেক রহমান (পদাধিকার বলে) প্রায় এক যুগ ধরে বিদেশে থাকার কারণে কাগজ-কলমে সক্রিয় নন। তবে সকল সিদ্ধান্তই শীর্ষ এই দুই নেতার মাধ্যমে হয়। বাকিদের মধ্যে মারা গেছেন তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার। এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ভারতে অনুপ্রবেশ জটিলতায় দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থ, আর খালেদা জিয়া কারান্তরীণ হওয়ার পর থেকেই লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান নিষ্ক্রিয়।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে সক্রিয় রয়েছেন— দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (পদাধিকার বলে), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নবনিযুক্ত সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সব মিলিয়ে স্থায়ী কমিটিতে সক্রিয় সদস্য পদের সংখ্যা ১১।

সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দুজনই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের পদোন্নতি দিয়েছেন।

দুজনকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করার পরেও বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ এবং এম কে আনোয়ার মারা যাওয়ায় এখনো পদ খালি রয়েছে তিনটি। পদগুলোতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিনিয়র নেতাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারেন। তবে কবে নাগাদ ফাঁকা পদগুলো পূরণ করা হবে তা কেবল জানেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার বার্তা২৪.কমকে বলেন, বাকি পদগুলো কতদিনে পূরণ হবে এটা জানি না। নতুন দুই জন পদ পেলেন, তাদের অভিনন্দন জানাই। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থায়ী কমিটিতে পদ দিতে পারেন আমাদের চেয়ারপারসন। কিন্তু তিনি না থাকায় আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পদোন্নতি দিয়েছেন। কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব বিষয়েই আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়। আমাদের গঠনতন্ত্রে কিছু সিদ্ধান্ত আছে যেগুলোর ক্ষেত্রে স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় না।

আপনার মতামত লিখুন :

গুজব প্রতিরোধে সভা সমাবেশ করবে আ'লীগ

গুজব প্রতিরোধে সভা সমাবেশ করবে আ'লীগ
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে গুজব প্রতিরোধে সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতারা সভা সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (২৪ জুলাই) বেলা ১২টায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, 'সারাদেশে গুজব থেকে অনেক দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে। আহত-নিহত হওয়ার মতোও ঘটনা ঘটেছে। গুজব রটিয়ে গণপিটুনির মতো ঘটনায় সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আসবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইজিপির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।'

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা দলীয়ভাবেও নির্দেশ দিয়েছি, দলের নেতারা যেন সতর্কতামূলক সভা সমাবেশ করে। গুজব থেকে গণপিটুনির মতো দুঃখজনক ঘটনা না ঘটতে পারে সেজন্য দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এমপিরাও যার যার এলাকায় গিয়ে সভা সমাবেশ করবেন। চিফ হুইপের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যারা গুজব সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন হাতে নেওয়ার অধিকার কারো নেই। এটি অপরাধ-অপকর্ম।

তিনি আরও বলেন, জড়িদের অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। আমি সবার প্রতি অনুরোধ জানাই কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না, গুজব ছড়াবেন না এবং অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না।

দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কতগুলো ঘটনা ঘটছে, সেখানে যোগসূত্র আছে কিনা সেটি দেখা হচ্ছে। সবগুলো ঘটনার যোগসূত্র মিলিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র কিনা তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি। যেসব অপরাধী আটক হচ্ছে, রাতারাতি তো তাদের ফাঁসি দেওয়া যাবে না। আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক প্রত্যেককে আইনের আওতায় আসতে হবে। 

এরিকের সুরা পাঠে এরশাদের দোয়া মাহফিল

এরিকের সুরা পাঠে এরশাদের দোয়া মাহফিল
বাবার জন্য দোয়া করছে এরিক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বারিধারার বাসায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সুরা পাঠ করলেন ছেলে এরিক এরশাদ।

তার দোয়া পাঠের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বাদ আছর প্রেসিডেন্ট পার্কে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিল শুরু হয়।

দোয়ার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, ‘ওনার (এরশাদ) চারটি জানাজায় যে লোক সমাগম হয়েছে, তা অভূতপূর্ব। যেখানে যে জানাজা হয়েছে, সেখানকার লোক সেটাকে রেকর্ড বলেছেন। এটা ওনার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিঠি দিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। মোদি লিখেছেন, এরশাদ আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের জন্য যা করে গেছেন, দেশের মানুষ ওনাকে চিরকাল স্মরণ রাখবে। আরো অনেক দেশ থেকে প্রশংসাসূচক চিঠি এসেছে।’

শুধু দেশে নয়, বিদেশেও সম্মান পেয়েছেন তিনি। শুধু গরিব নয়, বিত্তশালীরাও ওনার জন্য চোখের জল ফেলেছেন বলে মন্তব্য করেন জিএম কাদের।

দোয়া মাহফিলে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা ছাড়াও তার প্রতিবেশীরা অংশ নেন। মোনাজাতের প্রায় পুরোটা সময় ধরে চোখের জল ফেলেন এরিক।

সিনিয়র নেতাদের মধ্যে এ মাহফিলে অংশ নেন মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, আব্দুস সাত্তার, শেখ সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, সালমা ইসলাম এমপি, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর সৈয়দ দিদার বখত, রেজাউল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র