Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব

ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব
পীরগঞ্জে বিএনপির কর্মীসভায় মির্জা ফখরুল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহসাচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলটির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে, অঙ্গ-সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ, আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব।

সোমবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক কর্মীসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মধ্যে যারা বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে তাদের আমার বুঝিয়ে দেব আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে কোন লাভ নেই। সকলেই মনে রাখবেন আমাদের এই লড়াই গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লড়াই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার লড়াই।

সরকার বিএনপিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে এমন অভিযোগ এনে ফখরুল বলেন, সবদিক দিয়ে চেষ্টা করছে— কী করে আমাদের দলকে দুর্বল করা যায়। মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে আমাদের নামে। গত ১০ বছরে আমাদের মতো কেউ এত অত্যাচার সহ্য করেনি। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বহু নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে।

ফখরুল আরো বলেন, আজকে এই সরকারের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে হলে, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে সংগঠনকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে এবং আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই।

কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.কে.এম মইনুল হোসেনসহ জেলা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন মহানগর বিএনপি নেতা

জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন মহানগর বিএনপি নেতা
জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েছেন বিএনপি নেতা সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন

বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে জি এম কাদেরের হাতে ফুল তুলে দিয়ে দলটিতে যোগ দেন তিনি।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের এমপি তাকে অভিনন্দন জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর (অব.) আশরাফ-উদ-দৌলা, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, কেন্দ্রীয় নেতা মাসুদুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব ও জাকির হোসেন খান প্রমুখ।

সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংলাপ জরুরি: ড. কামাল

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংলাপ জরুরি: ড. কামাল
বক্তব্য রাখছেন ড. কামাল হোসেন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘বন্যা কেন ও কীভাবে হয়, এর থেকে বাঁচার জন্য কী কী করার আছে, এসব নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সংলাপ অপরিহার্য। সরকারের একার পক্ষে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে 'বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ান' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজন করে গণফোরাম।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সবাই মিলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। দেশে কার্যকর গণতন্ত্র না থাকার কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ সফল হচ্ছে না। ঘাটতি রয়েছে।’

দেশের এ প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ বলেন, ‘এ রকম বন্যার সময় আমরা মনে করি, সবাইকে নিয়ে বসা দরকার। এটা কি হয়েছে? এলাকার লোক, দল মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে কি মতবিনিময় করা হয়েছে? সবার কাছে তথ্য যা আছে, সব কিছু নিয়ে মূল্যায়ন করা কি হয়েছে? একবিংশ শতাব্দীর দিকে আমরা যাচ্ছি, আমরা যেন গর্ব করে বলতে পারি, স্বাধীনতার একটা অর্জন যে বন্যা থেকে বাঁচার জন্য আমরা এসব কাজ করেছি। বন্যা নিয়ন্ত্রণে কী কী কাজ হচ্ছে সেটা জরিপ করা, এলাকায় গিয়ে দেখা উচিত, কাগজে কলমে যা বলা হচ্ছে, আসলে তা হচ্ছে কিনা। নদীতে ড্রেজিং হলে তো এ রকম ভরাট হওয়ার কথা না। এ ব্যাপারে যে ভয়াবহতা, এতে সত্যি ভয় পাওয়ার কথা। কেননা বন্যা তো আমরা নতুন দেখছি না, এটার যে শিকার হতে হচ্ছে তা তো আমাদের পূর্বপুরুষ থেকেই দেখে আসছি। স্বাধীনতার পর আমরা এটা চিহ্নিত করেছি যে এটা আমাদের একটা সমস্যা। এখন এ সমস্যার সমাধান না করে যদি একে অন্যকে দোষারোপ করা হয়, তাহলে সমস্যা থেকেই যাবে। সবাই মিলে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এটা সম্ভব না।’

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, ‘বিগত ১০০ বছরের মধ্যে যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি এমন ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যাতে ২৫টি জেলার প্রায় ১৫০ উপজেলাকে বন্যা গ্রাস করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার লাখ একর জমির ফসল, শস্য, চারা, বীজতলা সব কিছু তলিয়ে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য মতে, এরই মধ্যে প্রায় ২০ হাজার একর জমির শাক-সবজি, প্রায় ৫৫ হাজার ৫০০ একর জমির পাট, প্রায় ১৫ হাজার বীজতলা বিনষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে দুই হাজার ৫০০ একর উঠ‌তি আমন ধান, মরিচ, কলা, আখ সবকিছু নষ্ট হয়েছে। গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি ও ভেড়ার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’

‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পগুলো সরকারি আমলা, প্রকৌশলী, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ প্রভাবিত করে। ৯০ ভাগ জনগণ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ সম্পর্কে জানে না। এসব অভিযোগের সত্যতা মেলে ২০১৭ সালের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনার হাওর এলাকার ফ্লাস ফ্লা‌ডে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদার‌দের যোগসা‌জশে দুর্নীতির কারণে যথাযথভাবে যথা সময়ে বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হাজার হাজার কৃষকের ফসল ডুবে যায়। ১০ লাখ টন খাদ্য নষ্ট হয়। এ নিয়ে আন্দোলন হয়, জনগ‌ণের চাপে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয় এবং সেখানে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে,’ উল্লেখ করেন তিনি।

এ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, আমসা আমিন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য মহসিন রশিদ, মেসবা উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র