Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সুখে কাটেনি নেত্রীর জীবন: মেয়র খোকন

সুখে কাটেনি নেত্রীর জীবন: মেয়র খোকন
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা | ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ২৩ জুন ৭০ বছরে পা রাখছে। দলটিকে ৩৮ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এই সময়ে চার বার সরকার গঠন করলেও শেখ হাসিনার জীবন সুখে কাটেনি বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

তিনি বলেছেন, বার বার তার (শেখ হাসিনা) জীবনের ওপর আঘাত এসেছে। বার বার তার প্রাণপ্রিয় সংগঠন আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘আর মাত্র কয়েকদিন পর ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হতে যাচ্ছে। উপমহাদেশে কংগ্রেসের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একমাত্র সংগঠন, যে সংগঠন তার ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছে। এই ৭০ বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্জন শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ থাকে নাই, সীমা ছাড়িয়ে তৃতীয় বিশ্বের নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/11/1560270453378.jpg
তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করলেও একটি পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়ন করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি আওয়ামী লীগের ৭০ বছরের ইতিহাসের ৩৮ বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন; অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে।’

‘এই ৩৮ বছর সুখে কাটেনি আমার নেত্রীর জীবন; এই ৩৮ বছর হাসিখুশিতে কাটেনি। বার বার তার জীবনের ওপর আঘাত এসেছে। বার বার তার প্রাণপ্রিয় সংগঠন আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে। ‘৮১ সনে তিনি দলের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন; সে সময় দলকে সংগঠিত করে স্বৈরচারবিরোধী আন্দোলন করেছেন; নেতৃত্ব দিয়েছেন।’

কলেজছাত্র থাকাকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরচারবিরোধী আন্দোলন গড়ে উঠতে দেখার স্মৃতিচারণ করে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে; এই ঢাকা শহরের অনেক সূর্যসন্তান রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে গেছে। ঢাকা শহরের সেই পিচঢালা রাস্তায় গণতন্ত্রের ইতিহাস আওয়ামী লীগের কর্মীদের রক্তে লেখা হয়েছে; এই হলো ইতিহাস। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা; কোনো স্বৈরচারকে কোনো সরকারকে ভয় পায়নি। রক্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছে গণতন্ত্র।’

তিনি বলেন, ‘ছিয়ানব্বইতে সরকার ক্ষমতায় এসে দেশ গড়তে নেতৃত্বে দিলে শুরু হয় বিদেশ ষড়যন্ত্র। তারপর ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের ওপর নেমে আসে সেই দুবির্ষহ দিন।’

খোকন বলেন, 'আমাদের নেত্রীর আজকের দিনে মুক্তি লাভ করেন; তৎকালীন সেনা সরকার নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে গণতন্ত্রকে হরণ করেছিল। জনগণের অধিকার হরণ করেছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশেষ করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচির মাধ্যমে নেত্রী মুক্তি পেয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

আপনার মতামত লিখুন :

ছাত্রদলের কাউন্সিলে পদ প্রার্থীদের যোগ্যতা

ছাত্রদলের কাউন্সিলে পদ প্রার্থীদের যোগ্যতা
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি'র সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আসন্ন কাউন্সিলে যারা প্রার্থী হতে পারবেন তাদের যোগ্যতার মানদণ্ড প্রকাশ করেছে দলটি।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে এই শর্ত গুলো জানান।

প্রার্থীদের যোগ্যতা: প্রত্যেক প্রার্থীকে ২০০০ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ হতে হবে। তবে রেজিস্ট্রেশন অবশ্যই ১৯৯৮ সালের হতে হবে। প্রমাণের জন্য এস এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পাশের সার্টিফিকেট ও রেজিস্ট্রেশন কপি দলের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে; প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে; ছাত্রত্ব আছে এমন প্রমাণ পত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে।

একই সঙ্গে প্রার্থীকে ন্যূনতম স্নাতক পাশ হতে হবে এবং পাশের সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। প্রমাণের জন্য সকল সার্টিফিকেটের মূলকপি সঙ্গে আনতে হবে; প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিট থেকে প্রাথমিক সদস্য সাবেক অথবা বর্তমান পদের প্রত্যায়ন পত্র দাখিল করতে হবে; যদি কোনো প্রার্থী কাস্টিং ভোট ১০ শতাংশের না পায় তাহলে পরবর্তী কমিটিতে কোনো ভাবেই অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না; প্রত্যেক প্রার্থীকে অবশ্যই সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ৫ কপি রঙ্গিন ছবি সত্যায়িতসহ দাখিল করতে হবে।

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ কমিটির ক্ষেত্রে ভোটার হতে পারবেন, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রথম সহ-সভাপতি, প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক, এই ৫ (পাঁচ) জন।

অপর দিকে আহ্বায়ক কমিটির ক্ষেত্রে ভোটার হতে পারবেন, কমিটির প্রথম ৩ জনসহ মোট ৫ জন।

উল্লেখ্য, ছাত্রদলের কাউন্সিল আগামী ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। গতকাল রোববার (২৩ জুন) এ ঘোষণা দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

নির্বাচনের তফসিলে বলা হয়েছে, '২৪ জুন ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৫ জুন তালিকার বিষয়ে আপত্তি গ্রহণ, ২৬ জুন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৭-২৮ জুন প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বিতরণ, ২৯-৩০ জুন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন গ্রহণ, ১-৩ জুলাই প্রার্থী যাচাই বাছাই, ৪ জুলাই প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ, ৫ ও ৬ জুলাই প্রার্থীদের প্রার্থীদের আপত্তি ও আপত্তি নিষ্পত্তি, ৭ জুলাই প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৫ জুলাই ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রার্থীরা ১৩ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবে। একই সঙ্গে ২০০০ সাল ও এরপর থেকে যারা এসএসসি পাশ করেছেন কেবলমাত্র তারাই প্রার্থী হতে পারবেন।'

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেবে ২০ জোট

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেবে ২০ জোট
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জুলাই মাসে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন মহানগরে কর্মসূচি পালন করবে ২০ দলীয় জোট। তবে কী ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হবে, তা আগামী বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে।

সোমবার (২৪ জুন) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় গুলশানে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখার হয়েছে। এর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২০ দলীয় জোট দেশে গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তির লক্ষ্যে আগামী জুলাই মাসে ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘২০ জোট শক্তিশালী। এ জোটে ঐক্য সুদৃঢ় আছে, এখানে কোনো সংকট নাই।’

২০ দলীয় জোটের বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রস্তাবিত বাজেট, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলেও তিনি জানান।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা অ্যাডভোকেট এম এ রকীব, এনডপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী লাহরি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের মাওলানা নুর হোসেইন কাশেমী, অপর অংশের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, এনডিপির আবু তাহের, ডেমক্রেটিক লিগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ন্যাপের সাওন সাদেকী প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র