Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছয় দফা স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট: কাদের

ছয় দফা স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট: কাদের
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান অওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস অর্থাৎ ৭ জুনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘৭ জুন স্বাধীনতা ও আমাদের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক। ৭ জুন ছিল স্বাধীনতার মন্ত্র।’

শুক্রবার (৭ জুন) ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘এই ছয় দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয় দফার ভিত্তিতে পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালে বিক্ষুব্ধ বাংলার গণ বিস্ফোরণ ১১ দফা আন্দোলন। সেই ১১ দফা ছিল ছয় দফা ভিত্তিক ১১টি দাবি। এরপর নির্বাচনের পরে ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষণা। এরপর ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বিজয়।’

৭ জুন ছয় দফা আন্দোলনে শহীদ মনু মিয়াসহ যে শহীদরা আত্মবলিদান দিয়েছেন তাদের স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ৭ জুনের পথ ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আজ মুক্তির সংগ্রামের কাণ্ডারি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি। স্বাধীন বাংলাদেশকে মুক্তির সংগ্রামকে সফল করার জন্য আমরা শোষণমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। 

ছয় দফাকে অস্বীকারকারীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কতটা বিশ্বাস করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘আজকে অন্য দলকে কটাক্ষ করে কিছু বলতে চাই না। ৭ জুন যে স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, এটা অনেক রাজনৈতিক দল স্বীকার করতে চায় না। এই দিবসটিকে অস্বীকার করে তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা কতটা বিশ্বাস করে সেটাই আজ প্রশ্ন।’

এর আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মুকুল বোস, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য  বেগম  মতিয়া চৌধুরী,  কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুর নাহার লাইলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন কার্যনির্বাহী সদস্য আখতারুজ্জামান, আমিরুল আলম মিলন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

খুঁড়িয়ে চলা ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যত কী?

খুঁড়িয়ে চলা ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যত কী?
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন গঠন করেছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শুরুতে জোট গঠন নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ঠিক মতো চলতে না পারা সরকারবিরোধী এই জোটের ভবিষ্যত কী?

একাদশ জতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জোট নেতাদের বড় বড় কথার ঝুলি প্রতিধ্বনিত হয়েই ফিরে এসেছে, কার্যত কিছুই করতে পারেনি ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশ ছিল বেশ আশাজাগানিয়া। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের ফল প্রকাশিত হওয়ার পর জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। এমনকি সরকারের বিরুদ্ধে ‘ভোট ডাকাতি ও কারচুপি’র অভিযোগ আনলেও এর প্রতিবাদে সামান্য আন্দোলনও করেনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনী ট্রাব্যুনালে মামলা করার ঘোষণা দেওয়া হয়, কিছু আসন থেকে মামলাও করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় সংলাপ এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জনমত গঠনে ও দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সফর করবেন বলে ঘোষণা আসে। কিন্তু তাও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে দেখা যায়নি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563379198299.jpgরাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন আছে, তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ড. কামাল হোসেনকে কৌশলে ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মাদ নাসিম তো বলেই দিলেন, ড. কামাল হোসেন সংসদ নির্বাচনে তাদের পক্ষে কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির বন্ধুরা বারবার ভুল করেছে, ২০১৪ সালে একবার গোস্যা করে নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালে নির্বাচনে এলো লোক ভাড়া করে। কাকে ভাড়া করল? আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত, অত্যন্ত শিক্ষিত ও বিদগ্ধ নেতা ড. কামাল হোসেনকে ভাড়া করে সামনে দাঁড় করাল। তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে মাঠ খালি করে দিলেন। আর আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। এই হচ্ছে তাদের (বিএনপির) ভাড়াটের মুরোদ। ওরা কামাল হোসেনকে ভাড়া করল ওদের জন্য, আর কাজ করল আমাদের জন্য।’

তবে নাসিমের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে গণফোরাম।

ভোট প্রত্যাখ্যান করলেও সংসদ সদস্য হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা শপথ নেন। নির্বাচনী ট্রাইবুন্যালে মামলা করার পর তার কোনো খোঁজ নেই। নির্বাচনের পর নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে একটি কর্মসূচি ডেকেও পরে তা বাতিল করা হয়। জনস্বার্থেও নেই কোন কর্মসূচি সরকারবিরোধী এ জোটের।

সম্প্রতি ঐক্যফ্রন্ট থেকে বের হয়ে গেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। অপর দিকে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঐক্যফ্রন্টের সর্বশেষ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে অংশ নেননি। জোটের প্রতি বিএনপি নেতাদেরও আগ্রহ কমছে।

রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামান টাওয়ারের চতুর্থ তলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে এই ভবনে জোটটির কিছু কার্যক্রম থাকলেও নির্বাচনের পর সংবাদ সম্মেলন, সভা বা কোন অনুষ্ঠানই হয়নি।

এ অবস্থায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ঐক্যফ্রন্টের কোন ভবিষ্যত দেখছেন না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের কোন ভবিষ্যত আমি দেখতে পাচ্ছি না। তারা কিচ্ছু করতে পারবে না, মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, বিএনপিকেও। সংসদে বলা হয়েছে ড. কামাল হোসেন আওয়ামী লীগের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করেছেন। তার কার্যকলাপ দেখে সেটা বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু সেটা বিশ্বাস করতে চাই না। তিনি নির্বাচনের আগে হুঙ্কার দিলেন কিন্তু নির্বাচনের পর বিড়ালের মতো বসে রইলেন। নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট যে ভূমিকা রেখেছে সে জন্য তাদের ওপর জনগণের কোন ভরসা নেই।

দিলারা চৌধুরী আরও বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনটাকে ধ্বংস করে দিল আর তারা (ঐক্যফ্রন্ট) একটা হরতাল ডাকতে পারলো না! তারা দুটি কাজ করতে পারতো, এক. হরতাল ডেকে প্রতিবাদ করা আর দ্বিতীয়টি হলো সংসদে না যাওয়া। এটা বলতে পারি জনগণের বিশ্বাস তাদের ওপর থেকে চলে গেছে।

ঐক্যফ্রন্টের দিকে না তাকিয়ে থেকে বিএনপির যে শক্তি আছে সেটাকেই সংগঠিত করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে তিনি বলেন, প্রথম থেকেই জোট নিয়ে আশাবাদী ছিলাম না, এখনো না। বিএনপি অনেক বড় রাজনৈতিক দল, এরা যদি কাজ করে সেটাই যথেষ্ট। নির্বাচনের আগে এদের সহানুভূতির প্রয়োজন ছিল, এই মুহুর্তে তার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি না। কাদের সিদ্দিকী চলে গেলেন, আ স ম রব চলে যাবেন কিনা জানি না। বিএনপির সেদিকে তাকানোর দরকার আছে বলে মনে করি না। নিজেদের যে শক্তি আছে এটাকেই সংগঠিত করতে পারলে যথেষ্ট।

এদিকে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমরা সবাই দল গোছাচ্ছি, বিএনপির মধ্যেও একটা অস্বস্তি চলছে। ড. কামাল হোসেন চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরলেন, আ স ম রবের অপারেশন করা হয়েছে। সব কিছু গুছিয়ে উঠতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। কাদের সিদ্দিকীর বের হয়ে যাওয়া কোন সমস্যা না। ঐক্যফ্রন্ট জনগণের অন্তরে গেঁথে আছে। আমরা দেশের মানুষকে একটা জায়গায় নিয়ে গেছি, তাদের জন্য যা করা দরকার ছিল তা আমরা করতে পারিনি। কিন্তু সরকারের মুখোশ আমরা উন্মোচন করে দিয়েছি দেশের মানুষের কাছে, বিশ্বের কাছে।

এরশাদ শুধু ভাই না, আমার পিতা ও শিক্ষক ছিলেন

এরশাদ শুধু ভাই না, আমার পিতা ও শিক্ষক ছিলেন
গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত এরশাদের কুলখানি/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শুধু আমার বড় ভাই ছিলেন না। উনি আমার পিতা উনি আমার শিক্ষক ছিলেন। ওনার কোলে চড়ে সিনেমা দেখেছি, হাতে ধরে চামুচ দিয়ে খাওয়ায় এবং কিভাবে টাই বাঁধতে হয় শিখিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত এরশাদের কুলখানিতে কাতর কণ্ঠে  তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, আমি যখন রাজনীতিতে আসি তখন কিভাবে পরিবেশ ট্যাকেল দিতে হয়, সংকট মোকাবেলা করতে হয় শিখিয়েছেন। আমাদের মাথার উপর ছাতাটি সরে গেছে, বট গাছটি আর নেই। আপনারা ওনার জন্য দোয়া করবেন।

কাদের বলেন, আজকে খেলার যে অর্জন তার বীজবপন করেছেন উনি বিকেএসপি প্রতিষ্ঠা করে। আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই ওনার বীজটাকে লালন করার জন্য। আওয়ামী লীগ গ্রামকে শহর করার কথা বলছে এর গোড়াপত্তন করেছেন এরশাদ উপজেলা প্রতিষ্ঠা করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563368275716.jpg

তিনি বলেন, একটি মানুষের অবদান অর্জন বুঝা যায় তার মৃত্যূর পর জানাজায় লোক সমাগম দেখে। ওনার চারটি জানাজা হয়েছে কোনটিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। একটির চেয়ে আরেকটি সমাগম বেশি হয়েছে। এতে বুঝা যায় ওনার নীতি কর্ম মানুষ গ্রহণ করেছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, আমার ভাই যখন হাসপাতালে তখন প্রতি ঘণ্টায় খোঁজ খবর নিয়েছেন। সম্মিলিত সমারিক হাসপাতালের ডাক্তাররা রাতদিন কাবার করে কাজ করেছে। ওনারা নিজের বাবার মতো করে সেবা করেছেন।

কুলখানিতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ. নাসিম, সালমান এফ রহমান, নুরে আলম সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ এবং প্রয়াত এরশাদের দুই পুত্র এরিক এরশাদ, সা'দ এরশাদ।

জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে ছিলেন, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদার, মসিউর রহমান রাঙ্গা, কাজী ফিরোজ রশিদ, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, আবু হোসেন বাবলা প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র